তথ্যসূত্র:

লেবাননজুড়ে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। রাতে লেবাননের সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন শহরে হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই হামলাকে ‘নতুন গণহত্যা’ ও ‘বর্বরতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে লেবাননের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বিপজ্জনক উসকানি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দিতে পারে।
লেবাননের সিভিল ডিফেন্স মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী বৈরুতে ৯২ জন নিহত এবং ৭৪২ জন আহত হয়েছেন। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি দাহিয়েহে ৬১ জন নিহত এবং ২০০ জন আহত হয়েছেন। বালবেক অঞ্চলে ১৮ জন নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হারমেল জেলায় ৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলে ২৮ জন নিহত এবং ৫৯ জন আহত হয়েছেন। পার্বত্য অঞ্চল আলি জেলা এলাকায় ১৭ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন। উপকূলীয় শহর সিদনে ১২ জন নিহত এবং ৫৬ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে ১৭ জন নিহত এবং ৬৮ জন আহত হয়েছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরেদ্দিন জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলো নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ভিড়ে উপচে পড়ছে। অনেক জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে তল্লাশি চালাচ্ছেন, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে তাঁর দেশ ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে ঘোষণা করছি—ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সর্বত্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
তবে এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৮ এপ্রিল) পিবিএস নিউজ আওয়ারকে বলেছেন, ‘হিজবুল্লাহর কারণে লেবাননকে এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’

লেবাননজুড়ে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। রাতে লেবাননের সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন শহরে হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই হামলাকে ‘নতুন গণহত্যা’ ও ‘বর্বরতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে লেবাননের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বিপজ্জনক উসকানি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দিতে পারে।
লেবাননের সিভিল ডিফেন্স মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী বৈরুতে ৯২ জন নিহত এবং ৭৪২ জন আহত হয়েছেন। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি দাহিয়েহে ৬১ জন নিহত এবং ২০০ জন আহত হয়েছেন। বালবেক অঞ্চলে ১৮ জন নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হারমেল জেলায় ৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলে ২৮ জন নিহত এবং ৫৯ জন আহত হয়েছেন। পার্বত্য অঞ্চল আলি জেলা এলাকায় ১৭ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন। উপকূলীয় শহর সিদনে ১২ জন নিহত এবং ৫৬ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে ১৭ জন নিহত এবং ৬৮ জন আহত হয়েছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরেদ্দিন জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলো নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ভিড়ে উপচে পড়ছে। অনেক জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে তল্লাশি চালাচ্ছেন, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে তাঁর দেশ ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে ঘোষণা করছি—ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সর্বত্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
তবে এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৮ এপ্রিল) পিবিএস নিউজ আওয়ারকে বলেছেন, ‘হিজবুল্লাহর কারণে লেবাননকে এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ২৬২ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ ও তাসনিম এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে এই ঘোষণা দেন।
৭ ঘণ্টা আগে