ইরানে নৌ-অবরোধের মধ্যেই মার্কিন নৌসচিব বরখাস্ত

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

জন ফেলান। ছবি: বিবিসি

মার্কিন নৌসচিব জন ফেলানকে পদচ্যুত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার (২২ এপ্রিল) পেন্টাগন জানায়, ফেলানের অব্যাহতি দ্রুতই কার্যকর হবে। তার জায়গায় নৌবাহিনীর আন্ডার সেক্রেটারি হাং কাও ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। খবর বিবিসির।

ফেলানকে সরানোর কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি পেন্টাগন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ফ্লিট’ নৌবহর প্রকল্পে তেমন অগ্রগতি না হওয়াটাই মূল কারণ হতে পারে।

সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু পিক বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্প এমন কাউকে এই পদে চান, যাকে তিনি বেশি বিশ্বাস করেন।

ফেলান ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের মার্চে তিনি নৌসচিবের দায়িত্ব পান। তবে সামরিক বাহিনীতে তার কোনো আগের অভিজ্ঞতা ছিল না।

এটি পেন্টাগনের প্রথম বরখাস্ত নয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন পর্যন্ত এক ডজনেরও বেশি সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন আর্মি প্রধান র‍্যান্ডি জর্জকেও পদ ছাড়তে বলা হয়।

নতুন ভারপ্রাপ্ত নৌসচিব হাং কাও ২৫ বছর নৌবাহিনীতে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালে ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে ভার্জিনিয়ায় সিনেট নির্বাচনে লড়েছিলেন তিনি। তবে জিততে পারেননি।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। ইরান জানিয়েছে, তারা প্রণালিতে দুটি জাহাজ আটক করেছে।

যুদ্ধবিরতি হলেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধ চালিয়ে যাবে। হোয়াইট হাউস বলেছে, ট্রাম্প এই অবরোধে সন্তুষ্ট।

অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি মানছে না বলে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

সম্পর্কিত