স্ট্রিম ডেস্ক

তানজানিয়ায় গত বছরের বিতর্কিত নির্বাচনের পর দেশজুড়ে সহিংসতায় ৫১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৯০ জন পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। ঘটনার কয়েক মাস পর প্রথমবারের মতো তানজানিয়া কর্তৃপক্ষ নিহতের সুনির্দিষ্ট এই সংখ্যা প্রকাশ করল।
তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ চান্ডে ওসমান জানান, সহিংসতায় ৫১৮ জনের ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ হয়েছে, যার মধ্যে ৪৯০ জন পুরুষ, ২১ জন শিশু এবং ১৬ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া অন্তত ২ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে এই প্রাণহানির জন্য সরাসরি কাউকে দায়ী করা হয়নি, বরং ঘটনার আরও গভীর তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে বিরোধী দল ‘চাদেমা’ এই প্রতিবেদনকে একটি ‘লোক দেখানো’ এবং সরকারি অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিরোধী দলের দাবি, এই কমিশন নিরপেক্ষ নয় কারণ সরকার নিজেই এখানে প্রধান সন্দেহভাজন। মানবাধিকার সংস্থা ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর ভাষ্যমতে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা কয়েক হাজার এবং অনেক মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গ থেকে সরিয়ে গণকবর দেওয়া হয়েছে।
গত ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান ৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। কিন্তু বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের ‘উপহাস’ বলে অভিহিত করে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে প্রধান বিরোধী নেতাদের অযোগ্য ঘোষণা করায় ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল।
প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান বলেন, ‘কমিশন আমাদের জানিয়েছে, এই অস্থিরতা পরিকল্পিত ছিল এবং এর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।’ প্রেসিডেন্টের দাবি, রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে ‘নেতৃত্বশূন্যতা’ তৈরি করাই ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, গত ছয় দশক ধরে তানজানিয়া আফ্রিকায় স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের আদর্শের অনুসারী প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসানের আমলে এই সংঘাত তানজানিয়ার সেই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, দেশটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক মানদণ্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি

তানজানিয়ায় গত বছরের বিতর্কিত নির্বাচনের পর দেশজুড়ে সহিংসতায় ৫১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৯০ জন পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। ঘটনার কয়েক মাস পর প্রথমবারের মতো তানজানিয়া কর্তৃপক্ষ নিহতের সুনির্দিষ্ট এই সংখ্যা প্রকাশ করল।
তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ চান্ডে ওসমান জানান, সহিংসতায় ৫১৮ জনের ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ হয়েছে, যার মধ্যে ৪৯০ জন পুরুষ, ২১ জন শিশু এবং ১৬ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া অন্তত ২ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে এই প্রাণহানির জন্য সরাসরি কাউকে দায়ী করা হয়নি, বরং ঘটনার আরও গভীর তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে বিরোধী দল ‘চাদেমা’ এই প্রতিবেদনকে একটি ‘লোক দেখানো’ এবং সরকারি অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিরোধী দলের দাবি, এই কমিশন নিরপেক্ষ নয় কারণ সরকার নিজেই এখানে প্রধান সন্দেহভাজন। মানবাধিকার সংস্থা ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর ভাষ্যমতে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা কয়েক হাজার এবং অনেক মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গ থেকে সরিয়ে গণকবর দেওয়া হয়েছে।
গত ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান ৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। কিন্তু বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচনকে গণতন্ত্রের ‘উপহাস’ বলে অভিহিত করে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে প্রধান বিরোধী নেতাদের অযোগ্য ঘোষণা করায় ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল।
প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান বলেন, ‘কমিশন আমাদের জানিয়েছে, এই অস্থিরতা পরিকল্পিত ছিল এবং এর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।’ প্রেসিডেন্টের দাবি, রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে ‘নেতৃত্বশূন্যতা’ তৈরি করাই ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, গত ছয় দশক ধরে তানজানিয়া আফ্রিকায় স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের আদর্শের অনুসারী প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসানের আমলে এই সংঘাত তানজানিয়ার সেই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, দেশটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক মানদণ্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি

হরমুজ প্রণালির ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, ‘মার্কিন নৌবাহিনীর অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজে ঢুকতে বা বের হতে পারবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে গড় ভোটের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরান সরকার ‘মারাত্মকভাবে বিভক্ত’ হয়ে পড়েছে — এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁদের মতে, যুদ্ধের চাপে ইরান বরং আগের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী রোববারেই শেষ হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দেশটির সরকারি সম্প্রচার সংস্থা কানের বরাতে এ খবর জানায় মিডল ইস্ট আই।
১১ ঘণ্টা আগে