স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তবে ইরান এ দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান কোনো সমঝোতা করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী লারিজানি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। তিনি লেখেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবো না।’
এর একদিন আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্যা আটলান্টিককে জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলার জন্য রাজি আছি। তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের এটা আগেই করা উচিত ছিল।’
তবে ইরানের আলি লারিজানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনও অস্বীকার করেন, যেখানে বলা হয়েছিল সাম্প্রতিক হামলার পর ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন।
লারিজানি আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্পের নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বেড়েছে। তাঁর ভাষায়, ট্রাম্প তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানকে কার্যত ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ রূপান্তর করেছেন এবং আঞ্চলিক সংকটকে আরও জটিল করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতির মূল্য দিতে হবে মার্কিন সেনা সদস্য ও তাদের পরিবারকে। একই সঙ্গে ইরান আত্মরক্ষার অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি জানান।
সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার আগে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা হয়েছিল বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র সংলাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান তা প্রত্যাখ্যান করছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও গভীর করতে পারে। সামরিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক অনিশ্চয়তার এই দ্বৈত বাস্তবতা আগামী দিনগুলোতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তবে ইরান এ দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান কোনো সমঝোতা করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী লারিজানি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। তিনি লেখেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবো না।’
এর একদিন আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্যা আটলান্টিককে জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলার জন্য রাজি আছি। তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের এটা আগেই করা উচিত ছিল।’
তবে ইরানের আলি লারিজানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনও অস্বীকার করেন, যেখানে বলা হয়েছিল সাম্প্রতিক হামলার পর ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন।
লারিজানি আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্পের নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বেড়েছে। তাঁর ভাষায়, ট্রাম্প তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানকে কার্যত ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ রূপান্তর করেছেন এবং আঞ্চলিক সংকটকে আরও জটিল করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতির মূল্য দিতে হবে মার্কিন সেনা সদস্য ও তাদের পরিবারকে। একই সঙ্গে ইরান আত্মরক্ষার অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি জানান।
সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার আগে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা হয়েছিল বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র সংলাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান তা প্রত্যাখ্যান করছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও গভীর করতে পারে। সামরিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক অনিশ্চয়তার এই দ্বৈত বাস্তবতা আগামী দিনগুলোতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরানকে সহায়তা প্রদানকারী যেকোনো দেশের জাহাজ মার্কিন নৌবাহিনীর বাধার মুখে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
৩০ মিনিট আগে
চলমান সংঘাত নিরসনে ইরানের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি না হলে আবার পুরোদমে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) পেন্টাগনের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই হুমকি দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার সদস্য গালিয়া গামলিয়েল জানিয়েছেন, আজকের মধ্যেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবানন প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল ও লেবানন আবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাঁর নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমানোর চেষ্টা করছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে