স্ট্রিম ডেস্ক

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি পরিবার। একই সঙ্গে হামলার পর অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঐতিহাসিক ডরমিশন ক্যাথেড্রাল। কিয়েভের ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা মঠ কমপ্লেক্সের অংশ এই ক্যাথেড্রালটি।
সোমবার ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানান, রাতভর কিয়েভ, খারকিভসহ দেশের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে হামলা চালায় রুশ বাহিনী। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় অবকাঠামোর ওপর এটি অন্যতম ভয়াবহ রুশ আকাশ হামলা বলে দাবি করেছে কিয়েভ।
রাজধানী কিয়েভে ভোররাতে এগারো শতকে নির্মিত ডরমিশন ক্যাথেড্রালের ছাদে আগুন লাগে। ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স খ্রিষ্টানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ ধর্মীয় স্থাপনাটিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক ঘণ্টা ধরে কাজ করেন উদ্ধারকর্মীরা।
কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা ন্যাশনাল প্রিজার্ভের মহাপরিচালক মাকসিম ওস্তাপেঙ্কো জানান, একটি রুশ ‘কামিকাজে’ ড্রোন সরাসরি ক্যাথেড্রালের ছাদে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৮০০ বর্গমিটার জায়গা আগুনে পুড়ে গেছে। দিনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা পূর্ব ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। শত শত বছর ধরে এটি খ্রিষ্টান তীর্থযাত্রীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর সন্ন্যাসী ও উদ্ধারকর্মীরা মানব শৃঙ্খল তৈরি করে ভেতরে থাকা মূল্যবান ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী ও ধর্মীয় নিদর্শন সরিয়ে নেন। পরে দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
হামলার ক্ষয়ক্ষতি শুধু ধর্মীয় স্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইউক্রেনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাছাকাছি অবস্থিত আলেক্সান্দর দভঝেঙ্কো ন্যাশনাল ফিল্ম স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্টুডিওটির প্রধান পোশাক সংগ্রহশালা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রায় এক লাখ ঐতিহাসিক পোশাক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, রাজধানীতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি শিশু ও এক গর্ভবতী নারীও রয়েছেন। ওবোলোনস্কি, সোলোমিয়ানস্কি ও পেচেরস্কি জেলার বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনেও আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন।
অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভে উদ্ধারকাজ চালানোর সময় দ্বিতীয় দফা হামলার শিকার হন জরুরি সেবা কর্মীরা। ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লিমেঙ্কো জানান, প্রথম হামলার পর আগুন নেভাতে গেলে ‘ডাবল-ট্যাপ’ কৌশলে চালানো আরেকটি ড্রোন হামলায় পাঁচজন উদ্ধারকর্মী নিহত হন। এতে আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
হামলার পর ইউক্রেনের অর্থোডক্স চার্চের প্রধান মেট্রোপলিটন এপিফানিয়ুস একে ‘মানবতা, ইতিহাস ও খ্রিষ্টধর্মের বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন।
এদিকে, হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আলাদাভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে কথা হয়েছে। অন্যদিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন ও ট্রাম্পের আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক ও চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগও স্থান পেয়েছে।

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি পরিবার। একই সঙ্গে হামলার পর অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঐতিহাসিক ডরমিশন ক্যাথেড্রাল। কিয়েভের ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা মঠ কমপ্লেক্সের অংশ এই ক্যাথেড্রালটি।
সোমবার ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানান, রাতভর কিয়েভ, খারকিভসহ দেশের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে হামলা চালায় রুশ বাহিনী। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় অবকাঠামোর ওপর এটি অন্যতম ভয়াবহ রুশ আকাশ হামলা বলে দাবি করেছে কিয়েভ।
রাজধানী কিয়েভে ভোররাতে এগারো শতকে নির্মিত ডরমিশন ক্যাথেড্রালের ছাদে আগুন লাগে। ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স খ্রিষ্টানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ ধর্মীয় স্থাপনাটিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক ঘণ্টা ধরে কাজ করেন উদ্ধারকর্মীরা।
কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা ন্যাশনাল প্রিজার্ভের মহাপরিচালক মাকসিম ওস্তাপেঙ্কো জানান, একটি রুশ ‘কামিকাজে’ ড্রোন সরাসরি ক্যাথেড্রালের ছাদে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৮০০ বর্গমিটার জায়গা আগুনে পুড়ে গেছে। দিনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা পূর্ব ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। শত শত বছর ধরে এটি খ্রিষ্টান তীর্থযাত্রীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর সন্ন্যাসী ও উদ্ধারকর্মীরা মানব শৃঙ্খল তৈরি করে ভেতরে থাকা মূল্যবান ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী ও ধর্মীয় নিদর্শন সরিয়ে নেন। পরে দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
হামলার ক্ষয়ক্ষতি শুধু ধর্মীয় স্থাপনাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইউক্রেনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাছাকাছি অবস্থিত আলেক্সান্দর দভঝেঙ্কো ন্যাশনাল ফিল্ম স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্টুডিওটির প্রধান পোশাক সংগ্রহশালা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রায় এক লাখ ঐতিহাসিক পোশাক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, রাজধানীতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি শিশু ও এক গর্ভবতী নারীও রয়েছেন। ওবোলোনস্কি, সোলোমিয়ানস্কি ও পেচেরস্কি জেলার বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনেও আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন।
অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভে উদ্ধারকাজ চালানোর সময় দ্বিতীয় দফা হামলার শিকার হন জরুরি সেবা কর্মীরা। ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লিমেঙ্কো জানান, প্রথম হামলার পর আগুন নেভাতে গেলে ‘ডাবল-ট্যাপ’ কৌশলে চালানো আরেকটি ড্রোন হামলায় পাঁচজন উদ্ধারকর্মী নিহত হন। এতে আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
হামলার পর ইউক্রেনের অর্থোডক্স চার্চের প্রধান মেট্রোপলিটন এপিফানিয়ুস একে ‘মানবতা, ইতিহাস ও খ্রিষ্টধর্মের বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন।
এদিকে, হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আলাদাভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে কথা হয়েছে। অন্যদিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন ও ট্রাম্পের আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক ও চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগও স্থান পেয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি আগামী শুক্রবার স্বাক্ষরিত হবে। গত কয়েক দিনে তিনি একাধিক বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তির ঘোষণা এসেছে। প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে ১৪টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা।
৭ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুদ্ধ বন্ধে অবশেষে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। যেখানে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়তে পারে ইসরায়েল।
৯ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হাকিমপুর গ্রাম। সেখানে একটি চেকপোস্টের কাছে তীব্র রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন রাইসুল ইসলাম।
১ দিন আগে