স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে আগাম ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে শনিবার (২৫ অক্টোবর)। এবারে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন ৩৪ বছর বয়সী রাজ্য আইনপ্রণেতা জোহরান মামদানি। দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিক নিজেকে একজন ‘গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী’ বলে পরিচয় দেন।
একসময় তিনি ছিলেন প্রান্তিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কিন্তু এখন তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। তরুণ প্রগতিশীল স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জীবন-যাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষের সমর্থন তাঁর প্রচারণাকে শক্তিশালী করেছে।
মামদানির প্রধান অঙ্গীকার হলো—সরকার নিয়ন্ত্রিত বাসায় থাকা প্রায় ২০ লাখ নিউইয়র্কবাসীর জন্য ভাড়া কমানো। আবাসনের সংকটে ভোগা শহরে এই প্রতিশ্রুতি মানুষের মধ্যে গভীরভাবে সাড়া ফেলেছে।
নির্বাচিত হলে জোহরান মামদানি হবেন নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র—এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। তবে বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর জনপ্রিয়তার মূল কারণ ধর্ম নয় বরং প্রগতিশীল ও সমাজতান্ত্রিক অবস্থান।
নীতি ও সমর্থকগোষ্ঠী
মামদানি শ্রমিক ইউনিয়ন, সম্পদ কর, গণপরিবহন সম্প্রসারণ এবং পরিবেশবান্ধব আবাসন উন্নয়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা, এলজিবিটিকিউ অধিকার রক্ষা এবং সবার জন্য সমান স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তাঁর এসব নীতি তরুণ, আফ্রিকান-আমেরিকান ও হিস্পানিকসহ নানা জাতিগোষ্ঠীর ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।
কুইন্সের বাসিন্দা মভিজ সিদ্দিকি বলেন, ‘মামদানি এমনভাবে কথা বলেন যা সবার সঙ্গে মিলে যায়। তিনি ন্যায়বিচার ও নাগরিক জীবনের ব্যয় নিয়ে কথা বলেন—সে মুসলিম, ইহুদি, হিন্দু কিংবা নাস্তিক যেই হোক, সবাই তার সঙ্গে সংযুক্ত বোধ করে।’
ধর্ম, সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া
বিরোধীরা তাঁর মুসলিম পরিচয়কে রাজনৈতিক ইস্যু করার চেষ্টা করেছে। জবাবে মামদানি জানিয়েছেন, তিনি তাঁর মুসলিম পরিচয় আরও দৃশ্যমানভাবে গ্রহণ করবেন। তিনি এসব আক্রমণকে ‘বর্ণবাদী ও ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
শুক্রবার ব্রুকলিনের এক মসজিদের বাইরে মুসলিম সমাবেশে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের স্বপ্ন শুধু একটাই—নিউইয়র্কের অন্য নাগরিকদের মতো সমান মর্যাদায় বাঁচা।’
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করায় মামদানি অনলাইনে আক্রমণ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছেন। তবুও ২২–২৩ অক্টোবরের ভিক্টোরি ইনসাইট জরিপে দেখা গেছে, তিনি সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো থেকে ১৮ পয়েন্ট এগিয়ে আছেন। তাঁর সমর্থন ৪৭ শতাংশ, যেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়ার সমর্থন মাত্র ১৬ শতাংশ।
দলের সমর্থন ও প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর ডেমোক্র্যাটিক নেতারা—সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার এবং প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফ্রিস—দুজনেই মামদানিকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়েছেন। এটি নভেম্বরের ৪ তারিখের নির্বাচনের আগে দলের ঐক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জেফ্রিস বলেন, ‘জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের সবার মেয়র হতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি শহরের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় অক্লান্তভাবে কাজ করছেন।’
শুমার যোগ করেন, ‘তিনি এমন এক প্রচারণা চালিয়েছেন যা ন্যায়, সুযোগ ও জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে নিউইয়র্কবাসীর হৃদয়ে সাড়া ফেলেছে।’ তিনি মামদানির নাগরিকত্ব বাতিলের আহ্বান জানানো রক্ষণশীলদের সমালোচনা করেন।
ব্যক্তিগত পটভূমি ও সম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়া
জোহরান মামদানি জন্মগ্রহণ করেন উগান্ডার কাম্পালায়। শৈশবে তিনি নিউইয়র্কে চলে আসেন। তাঁর বাবা একজন উগান্ডীয় মুসলিম গবেষক, আর মা মীরা নায়ার একজন ভারতীয় হিন্দু চলচ্চিত্র নির্মাতা।
এই বহুজাতিক ঐতিহ্য তাঁকে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করেছে। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপালের অভিবাসী ভোটাররা তাঁর প্রার্থিতায় একধরনের ঐক্য খুঁজে পেয়েছেন।
তবে মুসলিম নেতৃত্বের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। সিটি কাউন্সিলওম্যান শাহানা হানিফ তাঁকে ‘সম্প্রীতির সেতুবন্ধন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ৯/১১-পরবর্তী বিভাজন নিরসনে তাঁদের যৌথ কাজের কথা উল্লেখ করেছেন।
অপরদিকে, নিউ জার্সিভিত্তিক নেতা নাসির কাইয়ূম খান মনে করেন, মামদানির প্রগতিশীল অবস্থান কিছু মুসলিমের রক্ষণশীল মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
ভোট গ্রহণের ধারা ও সময়সূচি
নিউইয়র্কে আগাম ভোট গ্রহণ ২০১৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত জুনের মেয়র প্রাইমারিতে মোট ভোটের প্রায় ৩৫ শতাংশই আগে পড়ে যায়। এ বছর আগাম ভোট চলবে ২ নভেম্বর পর্যন্ত। মূল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ নভেম্বর। নির্বাচিত মেয়র আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেবেন।
সূত্র: দ্য ডন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে আগাম ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে শনিবার (২৫ অক্টোবর)। এবারে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন ৩৪ বছর বয়সী রাজ্য আইনপ্রণেতা জোহরান মামদানি। দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিক নিজেকে একজন ‘গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী’ বলে পরিচয় দেন।
একসময় তিনি ছিলেন প্রান্তিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কিন্তু এখন তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। তরুণ প্রগতিশীল স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জীবন-যাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষের সমর্থন তাঁর প্রচারণাকে শক্তিশালী করেছে।
মামদানির প্রধান অঙ্গীকার হলো—সরকার নিয়ন্ত্রিত বাসায় থাকা প্রায় ২০ লাখ নিউইয়র্কবাসীর জন্য ভাড়া কমানো। আবাসনের সংকটে ভোগা শহরে এই প্রতিশ্রুতি মানুষের মধ্যে গভীরভাবে সাড়া ফেলেছে।
নির্বাচিত হলে জোহরান মামদানি হবেন নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র—এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। তবে বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর জনপ্রিয়তার মূল কারণ ধর্ম নয় বরং প্রগতিশীল ও সমাজতান্ত্রিক অবস্থান।
নীতি ও সমর্থকগোষ্ঠী
মামদানি শ্রমিক ইউনিয়ন, সম্পদ কর, গণপরিবহন সম্প্রসারণ এবং পরিবেশবান্ধব আবাসন উন্নয়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা, এলজিবিটিকিউ অধিকার রক্ষা এবং সবার জন্য সমান স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তাঁর এসব নীতি তরুণ, আফ্রিকান-আমেরিকান ও হিস্পানিকসহ নানা জাতিগোষ্ঠীর ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।
কুইন্সের বাসিন্দা মভিজ সিদ্দিকি বলেন, ‘মামদানি এমনভাবে কথা বলেন যা সবার সঙ্গে মিলে যায়। তিনি ন্যায়বিচার ও নাগরিক জীবনের ব্যয় নিয়ে কথা বলেন—সে মুসলিম, ইহুদি, হিন্দু কিংবা নাস্তিক যেই হোক, সবাই তার সঙ্গে সংযুক্ত বোধ করে।’
ধর্ম, সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া
বিরোধীরা তাঁর মুসলিম পরিচয়কে রাজনৈতিক ইস্যু করার চেষ্টা করেছে। জবাবে মামদানি জানিয়েছেন, তিনি তাঁর মুসলিম পরিচয় আরও দৃশ্যমানভাবে গ্রহণ করবেন। তিনি এসব আক্রমণকে ‘বর্ণবাদী ও ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
শুক্রবার ব্রুকলিনের এক মসজিদের বাইরে মুসলিম সমাবেশে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের স্বপ্ন শুধু একটাই—নিউইয়র্কের অন্য নাগরিকদের মতো সমান মর্যাদায় বাঁচা।’
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করায় মামদানি অনলাইনে আক্রমণ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছেন। তবুও ২২–২৩ অক্টোবরের ভিক্টোরি ইনসাইট জরিপে দেখা গেছে, তিনি সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো থেকে ১৮ পয়েন্ট এগিয়ে আছেন। তাঁর সমর্থন ৪৭ শতাংশ, যেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়ার সমর্থন মাত্র ১৬ শতাংশ।
দলের সমর্থন ও প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর ডেমোক্র্যাটিক নেতারা—সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার এবং প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফ্রিস—দুজনেই মামদানিকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়েছেন। এটি নভেম্বরের ৪ তারিখের নির্বাচনের আগে দলের ঐক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জেফ্রিস বলেন, ‘জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের সবার মেয়র হতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি শহরের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় অক্লান্তভাবে কাজ করছেন।’
শুমার যোগ করেন, ‘তিনি এমন এক প্রচারণা চালিয়েছেন যা ন্যায়, সুযোগ ও জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে নিউইয়র্কবাসীর হৃদয়ে সাড়া ফেলেছে।’ তিনি মামদানির নাগরিকত্ব বাতিলের আহ্বান জানানো রক্ষণশীলদের সমালোচনা করেন।
ব্যক্তিগত পটভূমি ও সম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়া
জোহরান মামদানি জন্মগ্রহণ করেন উগান্ডার কাম্পালায়। শৈশবে তিনি নিউইয়র্কে চলে আসেন। তাঁর বাবা একজন উগান্ডীয় মুসলিম গবেষক, আর মা মীরা নায়ার একজন ভারতীয় হিন্দু চলচ্চিত্র নির্মাতা।
এই বহুজাতিক ঐতিহ্য তাঁকে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করেছে। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপালের অভিবাসী ভোটাররা তাঁর প্রার্থিতায় একধরনের ঐক্য খুঁজে পেয়েছেন।
তবে মুসলিম নেতৃত্বের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। সিটি কাউন্সিলওম্যান শাহানা হানিফ তাঁকে ‘সম্প্রীতির সেতুবন্ধন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ৯/১১-পরবর্তী বিভাজন নিরসনে তাঁদের যৌথ কাজের কথা উল্লেখ করেছেন।
অপরদিকে, নিউ জার্সিভিত্তিক নেতা নাসির কাইয়ূম খান মনে করেন, মামদানির প্রগতিশীল অবস্থান কিছু মুসলিমের রক্ষণশীল মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
ভোট গ্রহণের ধারা ও সময়সূচি
নিউইয়র্কে আগাম ভোট গ্রহণ ২০১৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত জুনের মেয়র প্রাইমারিতে মোট ভোটের প্রায় ৩৫ শতাংশই আগে পড়ে যায়। এ বছর আগাম ভোট চলবে ২ নভেম্বর পর্যন্ত। মূল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ নভেম্বর। নির্বাচিত মেয়র আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেবেন।
সূত্র: দ্য ডন

এক দশক পর মিয়ানমারের উচ্চ পর্যায়ের কোনো প্রতিনিধি দলের পাকিস্তান সফর। আর এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশ দুটি।
৪ ঘণ্টা আগে
মেক্সিকোর একটি ফুটবল মাঠে বন্দুকধারীদের অতর্কিত গুলিবর্ষণে অন্তত ১১ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) মেক্সিকোর গুয়ানাহুয়াতো রাজ্যের সালামাঙ্কা শহরে একটি ফুটবল ম্যাচ শেষে এই নৃশংস হামলার হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ভয়াবহ তুষারপাত, শিলাবৃষ্টি ও জমাট বৃষ্টি (ফ্রিজিং রেইন) জনজীবনকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে রেকর্ড শীত, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা, সড়ক ও আকাশপথে যোগাযোগ বিপর্যয়ের পাশাপাশি একাধিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির অকৃত্রিম বন্ধু ও বিবিসির দক্ষিণ এশিয়ার সাবেক ব্যুরোপ্রধান সাংবাদিক স্যার মার্ক টালি আর নেই। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে নয়াদিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে বিবিসি হিন্দি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
১ দিন আগে