আব্দুর রহমান সার্জিল

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত গ্রাম দাশত। এই গ্রামের কৃষক করিম বখশ এক সময় ডিজেলচালিত পাম্পের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। কিন্তু বিকল্প চিন্তা তাঁকে ইরান যুদ্ধের তীব্র জ্বালানি সংকট থেকে রক্ষা করেছে।
করিম বখশ সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে তরমুজ ক্ষেতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেচ দিতে পারছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে বখশের মতো ছোট কৃষকদের জন্য ডিজেল দিয়ে সেচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। পানির সংকটে ফসল নষ্ট হওয়ায় ভরা মৌসুমেও সামান্য জমিতে আবাদ করেন।
২০২৩ সালে ঋণ নিয়ে জমির পাশে সৌর প্যানেল বসানোর সিদ্ধান্ত নেন বখশ। শুরুতে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলেও, তিন বছর পর সেটিই তাঁর বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন তীব্র সংকটেও করিম বখশের পাম্প নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। ডিজেলের বাড়তি দাম তাঁর কাজে আর প্রভাব ফেলছে না।
ইরান যুদ্ধ ঘিরে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে যখন জ্বালানির দাম বাড়ছে, তখন সৌর শক্তি ব্যবহারের ফলে করিম বখশের মতো কৃষকরা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে আছেন।
ঝুঁকির মধ্যে বিকল্প পথ
পাকিস্তান এখনো জ্বালানির জন্য বৈশ্বিক সরবরাহের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটির প্রায় ৮০ শতাংশ তেল হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে আসে এবং এলএনজির প্রায় পুরোটাই কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ রুট দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে পাকিস্তান বড় ধরনের জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও দৈনন্দিন জীবনে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে সৌর শক্তির দ্রুত বিস্তার এই ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমাচ্ছে। ছাদ ও কৃষিজমিতে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেরাই বিকল্প জ্বালানির পথ তৈরি করছেন।
২০১৮ সাল থেকে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহারে পাকিস্তান ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি জ্বালানি আমদানি খরচ সাশ্রয় করেছে। ২০২০ সালে যেখানে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সৌর শক্তির অংশ ছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ শতাংশ, তা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশে।
নগর ও গ্রামে সৌর বিপ্লব
২০২৩ সালে গ্যালাপ পাকিস্তান পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ১৫ শতাংশ বা ৪০ লাখ পরিবার কোনো না কোনোভাবে সৌর প্যানেল ব্যবহার করত। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে। পাকিস্তান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকসের জরিপে দেখা গেছে, এখন প্রায় ২৫ শতাংশ পরিবার কোনো না কোনোভাবে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে নেট-মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় থাকা পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি এবং প্রতি বছর তা বাড়ছে।
নেট-মিটারিংয়ের মাধ্যমে যারা অতিরিক্ত সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, তারা তা গ্রিডে সরবরাহ করতে পারে এবং বিনিময়ে ক্রেডিট পায়, যা পরে ব্যবহার করা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সুবিধা মূলত উচ্চ-মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সৌর সিস্টেম স্থাপনের প্রাথমিক খরচ ১০ লাখ রুপির বেশি হতে পারে, যা দরিদ্রদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। একবার সৌর ব্যবস্থা স্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের বিদ্যুৎ বিল অনেক কমে যায়। বাণিজ্যিক ও শিল্পখাত এর বড় সুবিধাভোগী। কারণ তারা বিদ্যুৎ বিভ্রাট থেকে বাঁচতে সৌর ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করছে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ভালোভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারছে।
বেলুচিস্তান ও পাঞ্জাবের অনেক কৃষক সৌরচালিত নলকূপ ব্যবহার করে নিরবচ্ছিন্ন সেচ পাচ্ছেন এবং ডিজেলের দামের ওঠানামা থেকে মুক্ত থাকছেন। গ্রামাঞ্চলে, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত, সেখানে সৌর শক্তি বিলাসিতা নয় বরং টিকে থাকার উপায় হয়ে উঠেছে। যদিও শহর ও গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী এই সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বৈষম্যের শঙ্কা
নেট-মিটারিং ব্যবহারকারীরা রাতে বা সূর্যের আলো না থাকলে গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নিলেও, জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অনেক স্থায়ী খরচ তারা বহন করে না। ফলে যারা সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে না, যাদের মধ্যে অনেক দরিদ্র মানুষও আছেন, তারা পরোক্ষভাবে সৌর ব্যবহারকারীদের এই সুবিধার খরচ বহন করছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেট-মিটারিং ইতোমধ্যে প্রায় ১৫৯ বিলিয়ন রুপির আর্থিক চাপ গ্রিড ব্যবহারকারীদের ঘাড়ে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, পাকিস্তানে দুই ধরনের জ্বালানি ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। একটি সৌর ব্যবহারকারীদের জন্য, আরেকটি বাকি সবার জন্য।
চীনের ওপর নতুন নির্ভরতা
পাকিস্তানের সৌর খাতের বেশির ভাগ সরঞ্জাম আসে চীন থেকে। কম দামে সৌর প্যানেল ও ব্যাটারি পাওয়ায় এই খাত দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে।
২০১৮ সালে যেখানে সৌর উৎপাদন ছিল ১ গিগাওয়াটের কম, ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৫১ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সৌর প্যানেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য এটি আরও সহজলভ্য হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমলেও পাকিস্তান প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন করে বিদেশি নির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে।
নীতির পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ
২০১৫ সালে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসাহিত করতে নেট-মিটারিং চালু করে, যার মাধ্যমে প্রতি ইউনিট প্রায় ২৫ রুপিতে বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রি করা যেত। পাশাপাশি সৌর প্যানেল আমদানিতে কিছু কর কমানো হয়, যা এই খাতের দ্রুত সম্প্রসারণে সহায়তা করে। কিন্তু সৌর ব্যবস্থার প্রসার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক প্রভাব নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। সম্প্রতি নতুন নেট-মিটারিং ব্যবহারকারীদের জন্য বিদ্যুৎ ক্রয়মূল্য কমিয়ে প্রায় ১০ রুপি প্রতি ইউনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।
করিম বখশের মতো কৃষকদের জন্য সৌর শক্তি এখন আশার প্রতীক। তিনি ভবিষ্যতে আরও প্যানেল বসিয়ে চাষ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন এবং বড় বাজারে তার পণ্য পাঠাতে চান। করিম বখশের বিশ্বাস, সেচ চলতেই থাকবে, যাই হোক না কেন।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত গ্রাম দাশত। এই গ্রামের কৃষক করিম বখশ এক সময় ডিজেলচালিত পাম্পের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। কিন্তু বিকল্প চিন্তা তাঁকে ইরান যুদ্ধের তীব্র জ্বালানি সংকট থেকে রক্ষা করেছে।
করিম বখশ সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে তরমুজ ক্ষেতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেচ দিতে পারছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে বখশের মতো ছোট কৃষকদের জন্য ডিজেল দিয়ে সেচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। পানির সংকটে ফসল নষ্ট হওয়ায় ভরা মৌসুমেও সামান্য জমিতে আবাদ করেন।
২০২৩ সালে ঋণ নিয়ে জমির পাশে সৌর প্যানেল বসানোর সিদ্ধান্ত নেন বখশ। শুরুতে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলেও, তিন বছর পর সেটিই তাঁর বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন তীব্র সংকটেও করিম বখশের পাম্প নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। ডিজেলের বাড়তি দাম তাঁর কাজে আর প্রভাব ফেলছে না।
ইরান যুদ্ধ ঘিরে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে যখন জ্বালানির দাম বাড়ছে, তখন সৌর শক্তি ব্যবহারের ফলে করিম বখশের মতো কৃষকরা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে আছেন।
ঝুঁকির মধ্যে বিকল্প পথ
পাকিস্তান এখনো জ্বালানির জন্য বৈশ্বিক সরবরাহের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটির প্রায় ৮০ শতাংশ তেল হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে আসে এবং এলএনজির প্রায় পুরোটাই কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ রুট দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে পাকিস্তান বড় ধরনের জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও দৈনন্দিন জীবনে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে সৌর শক্তির দ্রুত বিস্তার এই ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমাচ্ছে। ছাদ ও কৃষিজমিতে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেরাই বিকল্প জ্বালানির পথ তৈরি করছেন।
২০১৮ সাল থেকে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহারে পাকিস্তান ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি জ্বালানি আমদানি খরচ সাশ্রয় করেছে। ২০২০ সালে যেখানে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সৌর শক্তির অংশ ছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ শতাংশ, তা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশে।
নগর ও গ্রামে সৌর বিপ্লব
২০২৩ সালে গ্যালাপ পাকিস্তান পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ১৫ শতাংশ বা ৪০ লাখ পরিবার কোনো না কোনোভাবে সৌর প্যানেল ব্যবহার করত। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে। পাকিস্তান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকসের জরিপে দেখা গেছে, এখন প্রায় ২৫ শতাংশ পরিবার কোনো না কোনোভাবে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে নেট-মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় থাকা পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি এবং প্রতি বছর তা বাড়ছে।
নেট-মিটারিংয়ের মাধ্যমে যারা অতিরিক্ত সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, তারা তা গ্রিডে সরবরাহ করতে পারে এবং বিনিময়ে ক্রেডিট পায়, যা পরে ব্যবহার করা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সুবিধা মূলত উচ্চ-মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সৌর সিস্টেম স্থাপনের প্রাথমিক খরচ ১০ লাখ রুপির বেশি হতে পারে, যা দরিদ্রদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। একবার সৌর ব্যবস্থা স্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের বিদ্যুৎ বিল অনেক কমে যায়। বাণিজ্যিক ও শিল্পখাত এর বড় সুবিধাভোগী। কারণ তারা বিদ্যুৎ বিভ্রাট থেকে বাঁচতে সৌর ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করছে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ভালোভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারছে।
বেলুচিস্তান ও পাঞ্জাবের অনেক কৃষক সৌরচালিত নলকূপ ব্যবহার করে নিরবচ্ছিন্ন সেচ পাচ্ছেন এবং ডিজেলের দামের ওঠানামা থেকে মুক্ত থাকছেন। গ্রামাঞ্চলে, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত, সেখানে সৌর শক্তি বিলাসিতা নয় বরং টিকে থাকার উপায় হয়ে উঠেছে। যদিও শহর ও গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী এই সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বৈষম্যের শঙ্কা
নেট-মিটারিং ব্যবহারকারীরা রাতে বা সূর্যের আলো না থাকলে গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নিলেও, জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অনেক স্থায়ী খরচ তারা বহন করে না। ফলে যারা সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে না, যাদের মধ্যে অনেক দরিদ্র মানুষও আছেন, তারা পরোক্ষভাবে সৌর ব্যবহারকারীদের এই সুবিধার খরচ বহন করছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেট-মিটারিং ইতোমধ্যে প্রায় ১৫৯ বিলিয়ন রুপির আর্থিক চাপ গ্রিড ব্যবহারকারীদের ঘাড়ে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, পাকিস্তানে দুই ধরনের জ্বালানি ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। একটি সৌর ব্যবহারকারীদের জন্য, আরেকটি বাকি সবার জন্য।
চীনের ওপর নতুন নির্ভরতা
পাকিস্তানের সৌর খাতের বেশির ভাগ সরঞ্জাম আসে চীন থেকে। কম দামে সৌর প্যানেল ও ব্যাটারি পাওয়ায় এই খাত দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে।
২০১৮ সালে যেখানে সৌর উৎপাদন ছিল ১ গিগাওয়াটের কম, ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৫১ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সৌর প্যানেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য এটি আরও সহজলভ্য হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমলেও পাকিস্তান প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন করে বিদেশি নির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে।
নীতির পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ
২০১৫ সালে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসাহিত করতে নেট-মিটারিং চালু করে, যার মাধ্যমে প্রতি ইউনিট প্রায় ২৫ রুপিতে বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রি করা যেত। পাশাপাশি সৌর প্যানেল আমদানিতে কিছু কর কমানো হয়, যা এই খাতের দ্রুত সম্প্রসারণে সহায়তা করে। কিন্তু সৌর ব্যবস্থার প্রসার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক প্রভাব নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। সম্প্রতি নতুন নেট-মিটারিং ব্যবহারকারীদের জন্য বিদ্যুৎ ক্রয়মূল্য কমিয়ে প্রায় ১০ রুপি প্রতি ইউনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।
করিম বখশের মতো কৃষকদের জন্য সৌর শক্তি এখন আশার প্রতীক। তিনি ভবিষ্যতে আরও প্যানেল বসিয়ে চাষ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন এবং বড় বাজারে তার পণ্য পাঠাতে চান। করিম বখশের বিশ্বাস, সেচ চলতেই থাকবে, যাই হোক না কেন।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ওমান। তবে এই যুদ্ধবিরতি যেন স্থায়ী করারও আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুক্তিবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধবিরতি তখনই কার্যকর হবে, যখন ইরান আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে ‘সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে’ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন ও ২৫তম সংশোধনীর আওতায় অবিলম্বে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপল (এনএএসিপি)।
৬ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। এই দুই দেশের ভেটোর ফলে উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাব ব্যর্থ হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটাম শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এই ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে