তথ্যসূত্র:

ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে এই ঘোষণা দেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। ইরান অত্যন্ত ফলপ্রসূ “শাসন পরিবর্তনের” মধ্য দিয়ে গেছে। ইরানে আর কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ হবে না। ইরানের মাটির নিচে প্রোথিত সকল পারমাণবিক ‘ধুলিকণা’ বা অবশিষ্ট উপকরণ উপড়ে ফেলবে যুক্তরাষ্ট্র।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, গত জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার পর থেকেই দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের ওপর কড়া নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের ওপর থেকে শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ১৫ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তার “বেশিরভাগ শর্তে” ইতিমধ্যে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।‘
তবে শান্তি আলোচনার কথা বললেও ট্রাম্প একই সঙ্গে ইরানের মিত্র ও অংশীদারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘যেসব দেশ ইরানকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করবে, তাদের ওপর অবিলম্বে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো দেশকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে এই ঘোষণা দেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। ইরান অত্যন্ত ফলপ্রসূ “শাসন পরিবর্তনের” মধ্য দিয়ে গেছে। ইরানে আর কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ হবে না। ইরানের মাটির নিচে প্রোথিত সকল পারমাণবিক ‘ধুলিকণা’ বা অবশিষ্ট উপকরণ উপড়ে ফেলবে যুক্তরাষ্ট্র।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, গত জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার পর থেকেই দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের ওপর কড়া নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের ওপর থেকে শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ১৫ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তার “বেশিরভাগ শর্তে” ইতিমধ্যে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।‘
তবে শান্তি আলোচনার কথা বললেও ট্রাম্প একই সঙ্গে ইরানের মিত্র ও অংশীদারদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘যেসব দেশ ইরানকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করবে, তাদের ওপর অবিলম্বে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো দেশকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২৭ মিনিট আগে
মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধবিরতি তখনই কার্যকর হবে, যখন ইরান আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে ‘সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে’ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব সম্প্রদায়। তবে রাশিয়ার দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ফ্রান্স বলেছে, লেবাননকেও এই চুক্তির আওতায় আনা উচিত।
৫ ঘণ্টা আগে