স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দুই সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন পরেই শেষ হচ্ছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে যাচ্ছে তাঁর প্রতিনিধিদল তবে সোমবার (২০ এপ্রিল) ইরান জানিয়েছে, আলোচনার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, ‘ন্যায্য ও যুক্তিসংগত’ চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদ যাচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আশা করি ইরান এই প্রস্তাব গ্রহণ করবে। যদি না করে, তবে তাদের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু হারিয়ে ফেলবে।’ শুরুতে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় থাকবেন না, তবে পরে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে ভ্যান্সই ইসলামাবাদের বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন।
ট্রাম্পের আলোচনার ঘোষণার পর থেকেই ইরান বিপরীত সুরে কথা বলছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি সোমবার সকালে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পরবর্তী কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই ইরানের। তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য আমরা কোনো ডেডলাইন বা আল্টিমেটাম মানতে রাজি নই।’ ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে আরও বলা হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে, ততক্ষণ দ্বিতীয় দফার কোনো আলোচনা হতে পারে না।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই দুই দেশ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। তবে এই বিরতি পুরোপুরি কার্যকর নয়, তা স্পষ্ট হয় পরের দিনগুলোতে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন অব্যাহত থাকে।
৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে।
১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদল ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক করে। ১২ এপ্রিল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, পরমাণু কর্মসূচি ছাড়তে ইরানের অনীহার কারণে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি। ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রতিনিধিদল ইরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
এরপর ১৩ এপ্রিল পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করে। একই দিনে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে কোনো চুক্তি না হলে ইরানের পরিণতি ‘সুখকর হবে না’। ১৭ এপ্রিল লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে আলাদা যুদ্ধবিরতি হলে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ট্রাম্প পাল্টা ঘোষণা করেন, যতক্ষণ না পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সম্পন্ন হয়, ততক্ষণ ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে।
১৮ এপ্রিল পরিস্থিতি পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইরান জানায়, তারা পুনরায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিচ্ছে। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশ্বাসভঙ্গ’কে দায়ী করে দেশটি। গালিবাফ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত সমঝোতা থেকে এখনো অনেক দূরে। ১৯ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইসলামাবাদের বৈঠকে তাঁদের অংশগ্রহণ এখনো নিশ্চিত নয়।
২০ এপ্রিল ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, আপাতত তাঁদের কোনো পরবর্তী আলোচনার পরিকল্পনা নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন শান্তি আলোচনার আড়ালে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখছে, অন্যদিকে তেহরান তাদের পারমাণবিক ও কৌশলগত সুবিধাগুলো ছাড়তে রাজি নয়। ২২ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই দুই দেশ ফের বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা ও সিএনএন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দুই সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন পরেই শেষ হচ্ছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে যাচ্ছে তাঁর প্রতিনিধিদল তবে সোমবার (২০ এপ্রিল) ইরান জানিয়েছে, আলোচনার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, ‘ন্যায্য ও যুক্তিসংগত’ চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদ যাচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আশা করি ইরান এই প্রস্তাব গ্রহণ করবে। যদি না করে, তবে তাদের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু হারিয়ে ফেলবে।’ শুরুতে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় থাকবেন না, তবে পরে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে ভ্যান্সই ইসলামাবাদের বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন।
ট্রাম্পের আলোচনার ঘোষণার পর থেকেই ইরান বিপরীত সুরে কথা বলছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি সোমবার সকালে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পরবর্তী কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই ইরানের। তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য আমরা কোনো ডেডলাইন বা আল্টিমেটাম মানতে রাজি নই।’ ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে আরও বলা হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে, ততক্ষণ দ্বিতীয় দফার কোনো আলোচনা হতে পারে না।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই দুই দেশ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। তবে এই বিরতি পুরোপুরি কার্যকর নয়, তা স্পষ্ট হয় পরের দিনগুলোতে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন অব্যাহত থাকে।
৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে।
১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদল ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক করে। ১২ এপ্রিল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, পরমাণু কর্মসূচি ছাড়তে ইরানের অনীহার কারণে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি। ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রতিনিধিদল ইরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
এরপর ১৩ এপ্রিল পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করে। একই দিনে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে কোনো চুক্তি না হলে ইরানের পরিণতি ‘সুখকর হবে না’। ১৭ এপ্রিল লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে আলাদা যুদ্ধবিরতি হলে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ট্রাম্প পাল্টা ঘোষণা করেন, যতক্ষণ না পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সম্পন্ন হয়, ততক্ষণ ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে।
১৮ এপ্রিল পরিস্থিতি পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইরান জানায়, তারা পুনরায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিচ্ছে। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশ্বাসভঙ্গ’কে দায়ী করে দেশটি। গালিবাফ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত সমঝোতা থেকে এখনো অনেক দূরে। ১৯ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইসলামাবাদের বৈঠকে তাঁদের অংশগ্রহণ এখনো নিশ্চিত নয়।
২০ এপ্রিল ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, আপাতত তাঁদের কোনো পরবর্তী আলোচনার পরিকল্পনা নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন শান্তি আলোচনার আড়ালে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখছে, অন্যদিকে তেহরান তাদের পারমাণবিক ও কৌশলগত সুবিধাগুলো ছাড়তে রাজি নয়। ২২ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই দুই দেশ ফের বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা ও সিএনএন।

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের উধমপুরে বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে রামনাগর-উধমপুর সড়কের খাগোট গ্রামের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১২ মিনিট আগে
একদিকে ‘হিন্দু খতরে মে হ্যায়’ আর অন্যদিকে ‘মোদি এলে মাছ-ভাত খাওয়া ঘুচে যাবে’— এই দুয়ের মধ্যে বাঙালি হিন্দুরা পড়েছে মহাবিপদে। আর তার চেয়েও বেশি বিপদে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসীর রাজনৈতিক বিশ্লেষক সত্তা, যারা সকালে চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে দুপুরের সেলুনের আড্ডা এবং সন্ধ্যার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অন
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ইরান অংশ নেবে কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়। রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে পাঠানোর ঘোষণা পর এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী।
১ দিন আগে