স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলন ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গত সোমবার সরকারের পক্ষে হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নামার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়ে গেছে। যদিও এখনো তেহরানের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে। তবে তা ততটা জোরালো নয়। সরকারও বলছে, পরিস্থিতি এখনো সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইরান সংকট নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই খবর দিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু ছোট শহরে কিছু বিক্ষোভ দেখা গেছে। তবে তা এসব বিক্ষোভ বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছে। পরিস্থিতি কিছুটা হলেও শান্ত হয়ে আসছে।
আর এই শান্ত হয়ে আসার বেশকিছু কারণের কথা জানিয়েছে আল জাজিরা। প্রথম নিরাপত্তা জোরদার করা। এছাড়া বিক্ষোভে নামলে ইরানের আধা সামরিক বাহিনী বাজিসের মুখেও পড়তে হচ্ছে।
এছাড়া আন্দোলন স্তিমিত হয়ে পড়ার আরও কারণের মধ্যে রয়েছে, যে ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে রাস্তায় নেমেছিলেন, তারা আন্দোলনে সহিংসতা দেখে নিজেদেরকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। তবে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে জনমনে এখনো অসন্তোষ রয়ে গেছে।
এদিকে, সরকার বলছে নিরাপত্তার দিক থেকে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া জনগণ যে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে তা থেকে উত্তরণে ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন এবং গভীর অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে রাস্তায় নামে। প্রথমে এটি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট থাকলেও ধীরে ধীরে তাতে নানান শ্রেণি পেশার ইরানিরা যোগ দেয়। এক সময় তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয় এবং তীব্র আকার ধারণ করে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মোবাইল ও ল্যান্ডফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করে।

ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলন ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গত সোমবার সরকারের পক্ষে হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নামার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়ে গেছে। যদিও এখনো তেহরানের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে। তবে তা ততটা জোরালো নয়। সরকারও বলছে, পরিস্থিতি এখনো সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইরান সংকট নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই খবর দিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু ছোট শহরে কিছু বিক্ষোভ দেখা গেছে। তবে তা এসব বিক্ষোভ বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছে। পরিস্থিতি কিছুটা হলেও শান্ত হয়ে আসছে।
আর এই শান্ত হয়ে আসার বেশকিছু কারণের কথা জানিয়েছে আল জাজিরা। প্রথম নিরাপত্তা জোরদার করা। এছাড়া বিক্ষোভে নামলে ইরানের আধা সামরিক বাহিনী বাজিসের মুখেও পড়তে হচ্ছে।
এছাড়া আন্দোলন স্তিমিত হয়ে পড়ার আরও কারণের মধ্যে রয়েছে, যে ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে রাস্তায় নেমেছিলেন, তারা আন্দোলনে সহিংসতা দেখে নিজেদেরকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। তবে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে জনমনে এখনো অসন্তোষ রয়ে গেছে।
এদিকে, সরকার বলছে নিরাপত্তার দিক থেকে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া জনগণ যে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে তা থেকে উত্তরণে ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন এবং গভীর অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে রাস্তায় নামে। প্রথমে এটি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট থাকলেও ধীরে ধীরে তাতে নানান শ্রেণি পেশার ইরানিরা যোগ দেয়। এক সময় তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয় এবং তীব্র আকার ধারণ করে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মোবাইল ও ল্যান্ডফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৫ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে