স্ট্রিম ডেস্ক

সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে শান্তি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট ও জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক ঘোষণায় বিদ্রোহীদের জন্য ৩১ জুলাই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। তবে প্রধান দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিন অং হ্লাইং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিশেষ করে ক্যারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ), চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) এবং অল বার্মা স্টুডেন্টস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে আলোচনায় আসার আহ্বান জানান তিনি।
পাঁচ বছর আগে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন মিন অং হ্লাইং। ২০২১ সালের ওই সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এই দ্বন্দ্ব নিরসনেই শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে। কেএনইউ-এর মুখপাত্র স-ত-নি সাফ জানিয়েছেন, ‘২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকেই আমরা “ন্যাশনওয়াইড সিজফায়ার এগ্রিমেন্ট” থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছি। আমাদের পুনরায় আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা নেই।’
চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ)-এর মুখপাত্র সালাই হেট নি বলেছেন, ‘আমরা সামরিক প্রভাবমুক্ত ফেডারেল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য লড়ছি। যারা কেবল সামরিক পোশাক বদলে নিজেদের “প্রশাসন” বলে দাবি করছে, তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনার কিছু নেই।’
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাতের পর থেকেই মিয়ানমার অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় সু চিকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যদিও গত সপ্তাহে তাঁর সাজার মেয়াদ এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে মিন অং হ্লাইং পার্লামেন্টের ভোটাভুটির মাধ্যমে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে আন্তর্জাতিক মহল এবং পশ্চিমা সরকারগুলো এই নির্বাচনকে সামরিক শাসনকে গণতন্ত্রের মোড়কে দীর্ঘস্থায়ী করার ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন এই নতুন সামরিক-সমর্থিত প্রশাসনকে এখন পর্যন্ত মাত্র কয়েকটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহীদের দমানোর ব্যর্থতা ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ে জান্তা সরকার এখন মরিয়া হয়ে এই শান্তি আলোচনার নাটক সাজাচ্ছে।

সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে শান্তি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট ও জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক ঘোষণায় বিদ্রোহীদের জন্য ৩১ জুলাই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। তবে প্রধান দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিন অং হ্লাইং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিশেষ করে ক্যারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ), চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) এবং অল বার্মা স্টুডেন্টস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে আলোচনায় আসার আহ্বান জানান তিনি।
পাঁচ বছর আগে নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন মিন অং হ্লাইং। ২০২১ সালের ওই সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এই দ্বন্দ্ব নিরসনেই শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে। কেএনইউ-এর মুখপাত্র স-ত-নি সাফ জানিয়েছেন, ‘২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকেই আমরা “ন্যাশনওয়াইড সিজফায়ার এগ্রিমেন্ট” থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছি। আমাদের পুনরায় আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা নেই।’
চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ)-এর মুখপাত্র সালাই হেট নি বলেছেন, ‘আমরা সামরিক প্রভাবমুক্ত ফেডারেল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য লড়ছি। যারা কেবল সামরিক পোশাক বদলে নিজেদের “প্রশাসন” বলে দাবি করছে, তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনার কিছু নেই।’
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাতের পর থেকেই মিয়ানমার অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় সু চিকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যদিও গত সপ্তাহে তাঁর সাজার মেয়াদ এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে মিন অং হ্লাইং পার্লামেন্টের ভোটাভুটির মাধ্যমে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে আন্তর্জাতিক মহল এবং পশ্চিমা সরকারগুলো এই নির্বাচনকে সামরিক শাসনকে গণতন্ত্রের মোড়কে দীর্ঘস্থায়ী করার ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন এই নতুন সামরিক-সমর্থিত প্রশাসনকে এখন পর্যন্ত মাত্র কয়েকটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহীদের দমানোর ব্যর্থতা ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ে জান্তা সরকার এখন মরিয়া হয়ে এই শান্তি আলোচনার নাটক সাজাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এ তথ্য জানায়। খবর আল জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের (হিমার্স) মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। কৌশলগত জলসীমায় চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় দেশটির দিকে প্রথমবার বুধবার (১০ জুন) এই মহড়া চালানো হয়।
১৮ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
১ দিন আগে