leadT1ad

লেবাননের ২৪ গ্রাম খালির নির্দেশ, ইসরায়েলি হামলায় মেয়রসহ নিহত ৫

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক
ঢাকা

ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপ বাসভবনে দাঁড়িয়ে লেবাননের এক নাগরিক। ছবি: আলজাজিরা

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে জেজিন জেলার আর-রিহান পৌরসভার মেয়র আলি বাদি রয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) এই হামলা চালায় ইসরায়েল। একইসঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২৪টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা। এতে নতুন করে বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, টাইর জেলার মারাকেহ শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন নিহত হন। এরপর জেজিন জেলার আর-রিহান এলাকায় আলাদা হামলায় নিহত হন মেয়র আলি বাদি। এ ছাড়া নাবাতিয়েহ জেলার দেইর আল-জাহরানি ও কাফর রুম্মান এলাকায় আরও তিনজন মারা গেছেন।

শনিবার ভোরে দক্ষিণ লেবাননের বিনতে জুবেইল এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় কয়েকটি বসতবাড়ি ও সরকারি স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে বলেও জানায় এনএনএ।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ২৪টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে জাহরানি নদীর উত্তরে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে– দেইর আল-জাহরানি, আল-নামিরিয়েহ, আল-শারকিয়েহ, আল-দুয়াইর, হারুফ, হাব্বুশ, কাফরজোজ, জিবদিন, নাবাতিয়েহ আল-তাহতা, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা, কাফর রুম্মান, আল-মাহমুদিয়েহ, সাজেদ, আর-রিহান, আরামতা, কাফারশৌবা, মলকি, আল-লাওয়েইজা, জারজুহ, আরব সালিমসহ আরও কয়েকটি এলাকা।

লেবাননে আল জাজিরার প্রতিবেদক হেইডি পেট জানান, শুক্র থেকে শনিবার পর্যন্ত ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের এমন সব এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেগুলো ইসরায়েলের ঘোষিত নিয়ন্ত্রণরেখার উত্তরে।

এই হামলা এমন এক সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের একটি সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে। ইরানের কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রাথমিক খসড়ায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল ও লেবাননের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ এবং হামলা অব্যাহত থাকায় তা আলোর মুখ দেখেনি। তাদের মধ্যে পরবর্তী আলোচনা ২২ জুন হওয়ার কথা।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, তারা একটি ‘সিদ্ধান্তমূলক সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন। তিনি বলেন, লেবাননের সামনে দুটি পথ খোলা– আইনের শাসন ও রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া অথবা সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিভক্তির রাজনীতির কাছে জিম্মি থাকা।

Ad 300x250

সম্পর্কিত