স্ট্রিম ডেস্ক

কিউবার ওপর একগুচ্ছ নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিউবার সামরিক বাহিনী পরিচালিত একটি বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এবং কিউবান-কানাডিয়ান যৌথ মালিকানাধীন একটি খনি প্রকল্পের ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর কয়েক মাস ধরে চলা ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টির পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন এই ব্যবস্থা নেওয়া হলো।
এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে কিউবার সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বৃহৎ সংস্থা ‘গ্রুপো ডি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এম্প্রেসারিয়াল এসএ’ (জিএইএসএ) এবং এর নির্বাহী সভাপতি আনিআ গুইলারমিনা লাস্ট্রেস মোরেরাকে। এই সংস্থাটি কিউবার অর্থনীতির প্রায় সব খাতের সাথে জড়িত। এ ছাড়া টরন্টো ভিত্তিক ‘শেরিট ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন’ এবং কিউবার রাষ্ট্রীয় নিকেল কোম্পানির যৌথ উদ্যোগ ‘মোয়া নিকেল এসএ’ (এমএনএসএ) এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে। শেরিট তাদের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার পর কিউবায় তাদের যৌথ উদ্যোগের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা প্রমাণ করে যে কিউবার কমিউনিস্ট শাসন যখন আমাদের গোলার্ধে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন ট্রাম্প প্রশাসন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত এই শাসনব্যবস্থা প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার না করবে, ততক্ষণ আমরা ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখব।’
কিউবা সরকার সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও চলতি সপ্তাহে ঘোষিত আগের ধাপের নিষেধাজ্ঞাগুলোর নিন্দা জানিয়েছে। কিউবা সেগুলোকে ‘একপাক্ষিক জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা’ এবং ‘কিউবান জনগণের ওপর সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর থেকে কিউবার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটন কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে, যাকে দেশটির জীবনরেখা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ ছাড়া কিউবায় জ্বালানি সরবরাহকারী যেকোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পথ তৈরি করতে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ট্রাম্প। তিনি কিউবার সরকার পতনের জন্য বারবার সামরিক অভিযানের হুমকিও দিয়ে আসছেন।
জাতিসংঘের তিনজন বিশেষ প্রতিবেদক এই ‘অবৈধ অবরোধের’ নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘এটি কেবল প্রাত্যহিক জীবনকেই বিঘ্নিত করছে না, বরং মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন ঘটাচ্ছে।’ জানা গেছে, গত কয়েক মাসে মাত্র একটি রুশ তেলবাহী জাহাজ কিউবায় পৌঁছাতে পেরেছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জ্বালানি সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আল-জাজিরা জানিয়েছে, জ্বালানি সংকটে মানুষ হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছে না এবং শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না। কিউবার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বর্তমানে ৯৬ হাজারেরও বেশি অস্ত্রোপচার ঝুলে আছে, যার মধ্যে ১১ হাজারই শিশুদের। বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘জ্বালানি অনাহারকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থি।’
সূত্র: আল-জাজিরা, এএফপি, এপি

কিউবার ওপর একগুচ্ছ নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিউবার সামরিক বাহিনী পরিচালিত একটি বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এবং কিউবান-কানাডিয়ান যৌথ মালিকানাধীন একটি খনি প্রকল্পের ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর কয়েক মাস ধরে চলা ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টির পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন এই ব্যবস্থা নেওয়া হলো।
এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে কিউবার সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বৃহৎ সংস্থা ‘গ্রুপো ডি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এম্প্রেসারিয়াল এসএ’ (জিএইএসএ) এবং এর নির্বাহী সভাপতি আনিআ গুইলারমিনা লাস্ট্রেস মোরেরাকে। এই সংস্থাটি কিউবার অর্থনীতির প্রায় সব খাতের সাথে জড়িত। এ ছাড়া টরন্টো ভিত্তিক ‘শেরিট ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন’ এবং কিউবার রাষ্ট্রীয় নিকেল কোম্পানির যৌথ উদ্যোগ ‘মোয়া নিকেল এসএ’ (এমএনএসএ) এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে। শেরিট তাদের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার পর কিউবায় তাদের যৌথ উদ্যোগের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা প্রমাণ করে যে কিউবার কমিউনিস্ট শাসন যখন আমাদের গোলার্ধে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন ট্রাম্প প্রশাসন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত এই শাসনব্যবস্থা প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার না করবে, ততক্ষণ আমরা ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখব।’
কিউবা সরকার সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও চলতি সপ্তাহে ঘোষিত আগের ধাপের নিষেধাজ্ঞাগুলোর নিন্দা জানিয়েছে। কিউবা সেগুলোকে ‘একপাক্ষিক জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থা’ এবং ‘কিউবান জনগণের ওপর সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর থেকে কিউবার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটন কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে, যাকে দেশটির জীবনরেখা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ ছাড়া কিউবায় জ্বালানি সরবরাহকারী যেকোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পথ তৈরি করতে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ট্রাম্প। তিনি কিউবার সরকার পতনের জন্য বারবার সামরিক অভিযানের হুমকিও দিয়ে আসছেন।
জাতিসংঘের তিনজন বিশেষ প্রতিবেদক এই ‘অবৈধ অবরোধের’ নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘এটি কেবল প্রাত্যহিক জীবনকেই বিঘ্নিত করছে না, বরং মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন ঘটাচ্ছে।’ জানা গেছে, গত কয়েক মাসে মাত্র একটি রুশ তেলবাহী জাহাজ কিউবায় পৌঁছাতে পেরেছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জ্বালানি সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আল-জাজিরা জানিয়েছে, জ্বালানি সংকটে মানুষ হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছে না এবং শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না। কিউবার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বর্তমানে ৯৬ হাজারেরও বেশি অস্ত্রোপচার ঝুলে আছে, যার মধ্যে ১১ হাজারই শিশুদের। বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘জ্বালানি অনাহারকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থি।’
সূত্র: আল-জাজিরা, এএফপি, এপি
.png)

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে সমকামীদের প্রাইড শোভাযাত্রা চলাকালে জনতার ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় একজন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে ব্র্যান্ডেনবুর্গ গেটের কাছে টিয়ারগার্টেন পার্কে এ ঘটনা ঘটে।
৪৩ মিনিট আগে
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ জোশী। শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রপতি ভবনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় দিল্লির যন্তর মন্তরে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল একে ‘গণতন্ত্রের বড় জয়’ অভিহিত করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে