স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রসাশন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ ভিসা কর্মসূচি চালু করেছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এই কর্মসূচি চালু করা হয়। এর মাধ্যমে চড়ামূল্যে সম্পদশালী বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার এবং দেশটিতে বসবাসের অনুমতি পাবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভিসা কর্মসূচির আওতায় ট্রাম্পকার্ড ডট গভ (Trumpcard.gov) নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। ওয়েব সাইটে ‘অ্যাপ্লাই নাউ’ বাটনে ক্লিক করে যেকোনো আগ্রহী ব্যক্তি ১৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮ লাখ ২১ হাজার ৯৬৪ টাকা) ফি দিয়ে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কাছে আবেদন করতে পারবেন।
এই আবেদন বিভিন্ন প্রকার যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ার পর, আবেদনকারীকে ভিসা পেতে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ কোটি ১৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা) দিতে হবে। ওয়েবসাইটে অবশ্য এই অর্থের বিনিময়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতিপত্রকে (গোল্ড কার্ড) উপহার বলে উল্লেখ করেছে। এটি অনেকটা গ্রিন কার্ডের মতোই। যা পেলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজের অনুমতি মিলবে।
এই ব্যাপারে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, মূলত এটি একটি গ্রিন কার্ড। কিন্তু অনেক ভালো। অনেক বেশি শক্তিশালী ও মজবুত পথ। এটি একটি বড় ব্যাপার।
এদিকে, দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন, ইতোমধ্যে ১০ হাজার মানুষ গোল্ড কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। সামনে আরও অনেক মানুষ আবেদন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে লুটনিক বলেন, আমি আশা করি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা অনেক কার্ড বিক্রি করবো, হাজার হাজার কার্ড বিক্রি করবো এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার তুলবো।
তিনি জানান, গোল্ড কার্ড সেইসব ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসবে যারা অর্থনীতিকে সাহায্য করবে। তিনি এই কার্ডের তুলনা ‘গড়’ গ্রিন কার্ডধারীদের সঙ্গে করতে গিয়ে জানান, গ্রিন কার্ডধারীদের আয় গড় আমেরিকানদের তুলনায় কম। তাছাড়া তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি সহায়তায়ও নিয়ে থাকতে পারেন। তিনি অবশ্যই তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
এছাড়া লুটনিক জানিয়েছেন, গোল্ড কার্ডের একটি করপোরেট সংস্করণও আছে। এর মাধ্যমে যেকোনো কোম্পানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের জন্য দ্রুত ভিসা পেতে সাহায্য করতে পারবে। আর তা করতে প্রতি কর্মীকে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার) ব্যয় করতে হবে।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় এসে অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা লাখ লাখ মানুষকে ধরে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। এছাড়াও বৈধ অভিবাসন নিরুৎসাহিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই গোল্ড কার্ড কর্মসূচি সেই কঠোর অভিবাসন নীতিতে ভারসাম্য আনার ভিন্ন এক পথ। এর মাধ্যমে মার্কিন ট্রেজারির জন্য অর্থ আসবে। কারণ কর্মসূচিটি ঠিক সেইভাবেই সাজানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রসাশন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ ভিসা কর্মসূচি চালু করেছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এই কর্মসূচি চালু করা হয়। এর মাধ্যমে চড়ামূল্যে সম্পদশালী বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার এবং দেশটিতে বসবাসের অনুমতি পাবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভিসা কর্মসূচির আওতায় ট্রাম্পকার্ড ডট গভ (Trumpcard.gov) নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। ওয়েব সাইটে ‘অ্যাপ্লাই নাউ’ বাটনে ক্লিক করে যেকোনো আগ্রহী ব্যক্তি ১৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮ লাখ ২১ হাজার ৯৬৪ টাকা) ফি দিয়ে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কাছে আবেদন করতে পারবেন।
এই আবেদন বিভিন্ন প্রকার যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ার পর, আবেদনকারীকে ভিসা পেতে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ কোটি ১৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা) দিতে হবে। ওয়েবসাইটে অবশ্য এই অর্থের বিনিময়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতিপত্রকে (গোল্ড কার্ড) উপহার বলে উল্লেখ করেছে। এটি অনেকটা গ্রিন কার্ডের মতোই। যা পেলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজের অনুমতি মিলবে।
এই ব্যাপারে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, মূলত এটি একটি গ্রিন কার্ড। কিন্তু অনেক ভালো। অনেক বেশি শক্তিশালী ও মজবুত পথ। এটি একটি বড় ব্যাপার।
এদিকে, দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন, ইতোমধ্যে ১০ হাজার মানুষ গোল্ড কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। সামনে আরও অনেক মানুষ আবেদন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে লুটনিক বলেন, আমি আশা করি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা অনেক কার্ড বিক্রি করবো, হাজার হাজার কার্ড বিক্রি করবো এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার তুলবো।
তিনি জানান, গোল্ড কার্ড সেইসব ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসবে যারা অর্থনীতিকে সাহায্য করবে। তিনি এই কার্ডের তুলনা ‘গড়’ গ্রিন কার্ডধারীদের সঙ্গে করতে গিয়ে জানান, গ্রিন কার্ডধারীদের আয় গড় আমেরিকানদের তুলনায় কম। তাছাড়া তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি সহায়তায়ও নিয়ে থাকতে পারেন। তিনি অবশ্যই তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
এছাড়া লুটনিক জানিয়েছেন, গোল্ড কার্ডের একটি করপোরেট সংস্করণও আছে। এর মাধ্যমে যেকোনো কোম্পানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের জন্য দ্রুত ভিসা পেতে সাহায্য করতে পারবে। আর তা করতে প্রতি কর্মীকে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার) ব্যয় করতে হবে।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় এসে অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা লাখ লাখ মানুষকে ধরে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। এছাড়াও বৈধ অভিবাসন নিরুৎসাহিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই গোল্ড কার্ড কর্মসূচি সেই কঠোর অভিবাসন নীতিতে ভারসাম্য আনার ভিন্ন এক পথ। এর মাধ্যমে মার্কিন ট্রেজারির জন্য অর্থ আসবে। কারণ কর্মসূচিটি ঠিক সেইভাবেই সাজানো হয়েছে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে