স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের মতোই অবস্থা হয়েছে রাশিয়ার। কয়দিন পর পরই রাশিয়ার ভেতরে গুপ্ত হামলায় সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রাণ হারাচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কারা এসব অজ্ঞাত হামলা চালাচ্ছে তার খুব একটা হদিস পাচ্ছে না; যদি না কেউ নিজ থেকে হামলার দায় স্বীকার করে।
এই ক্ষেত্রে ইরান অবশ্যই একটু এগিয়ে। কারণ দেশটি অন্তত সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছে, দেশটিতে চালানো হামলায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও দেশের অভ্যন্তরে থাকা দোসররা জড়িত। কিন্তু রাশিয়া সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না। তবে অভিযোগ তুলেছে কিয়েভের বিরুদ্ধে।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ রুশ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। রুশ কর্মকর্তাদের বরাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তাকে মস্কোতে বেশ কয়েকবার গুলি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
এদিকে, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক খবরে বলা হয়েছে, অজ্ঞাত এক বন্দুকধারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভ্লাদিমির আলেস্কিয়েভ নামে ওই কর্মকর্তার ওপর হামলা চালায়। তিনি রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জেনারেল স্টাফের প্রধান অধিদপ্তরের উপপ্রধান।
রাশিয়ান ইনভেস্টিগেটিভ কমিটির (আইসিআর) মুখপাত্র সেভেতলানা পেট্রেনকো জানান, একটি আবাসিক ভবনে অবস্থানকালে ভ্লাদিমির আলেস্কিয়েভের ওপর হামলা চালানো হয়।
সাংবাদিকদের পেট্রেনকো বলেন, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হত্যাচেষ্টা এবং অবৈধ অস্ত্র বহনের ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। মস্কোর ভলোকোলামস্ক হাইওয়ের একটি ভবনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, গুলিবিদ্ধ সেনা কর্মকর্তাকে শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্তকারী এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছেন। তাঁরা সিকিউরিটি ক্যামেরা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
উল্লেখ্য, বিদ্রোহী গোষ্ঠী ওয়াগনার গ্রুপের নিহত নেতা ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে আলেক্সিয়েভও ছিলেন। ইয়েভজেনি প্রিগোজিন ২০২৩ সালে মস্কোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। অবশ্য এই ঘটনার জন্য অনেক পর্যবেক্ষক প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দায়ী করেন।
চার বছর আগে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন রুশ কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিয়েভকে দায়ী করে আসছে মস্কো। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এসব হামলার দায়ও স্বীকার করেছে।
সম্প্রতি হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে সর্বশেষ হলেন জেনারেল স্টাফের আর্মি ট্রেনিং ডিরেক্টরেটের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফ্যানিল সারভারভ। গত ২২ ডিসেম্বর তাঁর গাড়ির নিচে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন।
এদিকে, গত জানুয়ারিতে এক উজবেক নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে রাশিয়ার একটি আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে রুশ সেনাবাহিনীর রেডিওলজিক্যাল, কেমিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল ডিফেন্স ফোর্সের প্রধান জেনারেল ইগর কিরিলভকে হত্যার দায়ে তাঁকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
মস্কোর একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় পুঁতে রাখা বোমাটি বিস্ফোরণে জেনারেল ইগর কিরিলভ নিহত হন। এই ঘটনার পর কিয়েভ বলছিল, তাদের পরি কল্পনায় এই হামলাটি হয়েছিল।

ইরানের মতোই অবস্থা হয়েছে রাশিয়ার। কয়দিন পর পরই রাশিয়ার ভেতরে গুপ্ত হামলায় সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রাণ হারাচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কারা এসব অজ্ঞাত হামলা চালাচ্ছে তার খুব একটা হদিস পাচ্ছে না; যদি না কেউ নিজ থেকে হামলার দায় স্বীকার করে।
এই ক্ষেত্রে ইরান অবশ্যই একটু এগিয়ে। কারণ দেশটি অন্তত সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছে, দেশটিতে চালানো হামলায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও দেশের অভ্যন্তরে থাকা দোসররা জড়িত। কিন্তু রাশিয়া সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না। তবে অভিযোগ তুলেছে কিয়েভের বিরুদ্ধে।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ রুশ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। রুশ কর্মকর্তাদের বরাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তাকে মস্কোতে বেশ কয়েকবার গুলি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
এদিকে, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক খবরে বলা হয়েছে, অজ্ঞাত এক বন্দুকধারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভ্লাদিমির আলেস্কিয়েভ নামে ওই কর্মকর্তার ওপর হামলা চালায়। তিনি রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জেনারেল স্টাফের প্রধান অধিদপ্তরের উপপ্রধান।
রাশিয়ান ইনভেস্টিগেটিভ কমিটির (আইসিআর) মুখপাত্র সেভেতলানা পেট্রেনকো জানান, একটি আবাসিক ভবনে অবস্থানকালে ভ্লাদিমির আলেস্কিয়েভের ওপর হামলা চালানো হয়।
সাংবাদিকদের পেট্রেনকো বলেন, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হত্যাচেষ্টা এবং অবৈধ অস্ত্র বহনের ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। মস্কোর ভলোকোলামস্ক হাইওয়ের একটি ভবনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, গুলিবিদ্ধ সেনা কর্মকর্তাকে শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্তকারী এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছেন। তাঁরা সিকিউরিটি ক্যামেরা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
উল্লেখ্য, বিদ্রোহী গোষ্ঠী ওয়াগনার গ্রুপের নিহত নেতা ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে আলেক্সিয়েভও ছিলেন। ইয়েভজেনি প্রিগোজিন ২০২৩ সালে মস্কোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। অবশ্য এই ঘটনার জন্য অনেক পর্যবেক্ষক প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দায়ী করেন।
চার বছর আগে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন রুশ কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিয়েভকে দায়ী করে আসছে মস্কো। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এসব হামলার দায়ও স্বীকার করেছে।
সম্প্রতি হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে সর্বশেষ হলেন জেনারেল স্টাফের আর্মি ট্রেনিং ডিরেক্টরেটের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফ্যানিল সারভারভ। গত ২২ ডিসেম্বর তাঁর গাড়ির নিচে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন।
এদিকে, গত জানুয়ারিতে এক উজবেক নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে রাশিয়ার একটি আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে রুশ সেনাবাহিনীর রেডিওলজিক্যাল, কেমিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল ডিফেন্স ফোর্সের প্রধান জেনারেল ইগর কিরিলভকে হত্যার দায়ে তাঁকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
মস্কোর একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় পুঁতে রাখা বোমাটি বিস্ফোরণে জেনারেল ইগর কিরিলভ নিহত হন। এই ঘটনার পর কিয়েভ বলছিল, তাদের পরি কল্পনায় এই হামলাটি হয়েছিল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর নাবিক ও ক্রুদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘চরম লঙ্ঘন’ ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে তেহরান।
৪১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে পারবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। সোমবার (২০ এপ্রিল) দেশটির এক জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতায় ইরান যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সোমবার (২০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ অবস্থানের কথা জানান তিনি। খবর মিডল ইস্ট আই
৬ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ লেবাননে যিশুর একটি মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, এক ইসরায়েলি সেনা স্লেজহ্যামার দিয়ে মূর্তিটিতে আঘাত করছে।
৭ ঘণ্টা আগে