স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে দেশটির বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ নেওয়ার বারবার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জেরে ইরানও বলে আসছিল ওয়াশিংটন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে, তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো আঘান হানবে।
এদিকে, বিক্ষোভকারীদের বিচার করে ইরান ফাঁসি কার্যক্ররের যে খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছিল, সে অবস্থান থেকে সরে গেছে বলে ট্রাম্প জানিয়েছেন। তারপরও তিনি ইরানে হস্তক্ষেপ করার যে কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন সেই অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছেন বলে ধারণা বিশ্লেষকরা। যদিও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন তারা। পরে অবশ্য ইরানও জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝুলানোর কোনো পরিকল্পনা নেই দেশটির।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের ফাঁসিতে ঝুলানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান আরাগচি।
ফক্স নিউজকে আরাগচি বলেন, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝুলানোর ‘বিন্দুমাত্র কোনো পরিকল্পনা নেই’। ফাঁসিতে ঝুলানোর প্রশ্নই উঠে না।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ এবং ফাঁসি দেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিতের বিষয়ে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্যের পরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বক্তব্য এলো।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের শঙ্কার মধ্যেই কাতারস্থ মার্কিন বিমান ঘাঁটি থেকে কিছু সেনাসদস্য সরিয়ে নেওয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরই ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছিলেন।
তিনি বলেন, তিনি ইরানের ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলোর’ সঙ্গে কথা বলেছেন এবং বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি।
ট্রাম্প অবশ্যই এও বলেছেন, আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখব। মার্কিন প্রশাসন ইরান থেকে ‘খুবই ইতিবাচক একটি বক্তব্য’ পেয়েছে।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা মাইক হান্না জানিয়েছেন, ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে ইরানের প্রতি তাঁর আগের কঠোর অবস্থান কিছুটা নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
মাইক হান্না বলেন, তিনি (ট্রাম্প) এখনো বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে পর্যালোচনা করছেন বলে মনে হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ তাঁকে ব্রিফ করেছে। তবে এইমাত্র আমরা যে বক্তব্যগুলো শুনলাম, তা পরিস্থিতির সম্ভাব্য প্রশমনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভবত ক্রমাগত যে হুমকি দিয়ে আসছিলেন, সেই আসা কঠোর পদক্ষেপের পথ থেকে পিছিয়ে আসছেন।
সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির অনাবাসিক জ্যেষ্ঠ ফেলো সিনা তুসি আল জাজিরাকে বলেন, ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধের তথ্য পাওয়া সংক্রান্ত ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, আপাতদৃষ্টিতে তা সামরিক হস্তক্ষেপ এড়ানোর একটি ‘সম্মানজনক কৌশল’ মাত্র। তবে এর মাধ্যমে তিনি সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কাকেও পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের কথাকে গুরুত্ব দেওয়া কঠিন, তবে আমরা জানি তিনি সবসময়ই বড় এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক যুদ্ধে যেতে অনাগ্রহী। ইরানের সঙ্গে সেই ঝুঁকিটিই সামনে এসেছিল।
তুসি বলেন, আজকের এই মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে তিনি সম্মানজনক উপায়ে পরিস্থিতি থেকে সরে আসার পথ খুঁজছেন। তবে আমি এটাকে (সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা) শতভাগ নাকচ করে দেওয়ার মতো কিছু মনে করছি না। অতীতেও ট্রাম্পের একই সঙ্গে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার নজির রয়েছে।
এর আগেও ট্রাম্প তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো মানতে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া গত সপ্তাহেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানি প্রশাসনের কঠোর দমন-পীড়নের জবাবে দেশটিতে সরাসরি হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, ওয়াশিংটনের স্টিমসন সেন্টারের বিশিষ্ট ফেলো বারবারা স্লাভিন আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে ট্রাম্প সম্ভবত ‘দ্বিধাদ্বন্দ্বে’ রয়েছেন।
তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হয়তো ‘আরেকটি দ্রুত বিজয়’ পেতে চান, তবে তাঁর সহজাত প্রবৃত্তির বাইরে গিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী কোনো দ্বন্দ্বে জড়াতে চাইবেন না।
স্লাভিনের ধারণা, ট্রাম্প হয়তো বড় কোনো যুদ্ধের ঝুঁকি না নিয়ে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কিছু হামলা চালাতে পারেন। আর এর মাধ্যমে তিনি ইরানি জনগণকে ‘সহায়তা’র প্রতিশ্রুতি রক্ষার দাবি করতে পারেন।
এর আগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য কাতারের আল উদেদ বিমানঘাঁটি থেকে তাদের কিছু সেনাসদস্য প্রত্যাহার করে নেয়। এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন আছেন। ইরানের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা সতর্ক করেছিলেন, ওয়াশিংটন ইরানে আক্রমণ করলে তেহরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালাবে। এরপরই ঘাঁটিটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়।
এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তপ্ত ওই পরিস্থিতির মধ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের শঙ্কায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের সুরক্ষায় বিশেষ সতর্কতা জারি করে।
অন্যদিকে, মার্কিন গণমাধ্যম ‘নিউজনেশন’ বুধবার এক প্রতিবেদনে জানায়, পেন্টাগন দক্ষিণ চীন সাগর থেকে একটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ) মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠাতে শুরু করেছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আবার আল জাজিরাও স্বতন্ত্রভাবে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

ইরানে চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে দেশটির বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ নেওয়ার বারবার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জেরে ইরানও বলে আসছিল ওয়াশিংটন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে, তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো আঘান হানবে।
এদিকে, বিক্ষোভকারীদের বিচার করে ইরান ফাঁসি কার্যক্ররের যে খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছিল, সে অবস্থান থেকে সরে গেছে বলে ট্রাম্প জানিয়েছেন। তারপরও তিনি ইরানে হস্তক্ষেপ করার যে কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন সেই অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছেন বলে ধারণা বিশ্লেষকরা। যদিও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন তারা। পরে অবশ্য ইরানও জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝুলানোর কোনো পরিকল্পনা নেই দেশটির।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের ফাঁসিতে ঝুলানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান আরাগচি।
ফক্স নিউজকে আরাগচি বলেন, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝুলানোর ‘বিন্দুমাত্র কোনো পরিকল্পনা নেই’। ফাঁসিতে ঝুলানোর প্রশ্নই উঠে না।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ এবং ফাঁসি দেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিতের বিষয়ে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্যের পরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বক্তব্য এলো।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের শঙ্কার মধ্যেই কাতারস্থ মার্কিন বিমান ঘাঁটি থেকে কিছু সেনাসদস্য সরিয়ে নেওয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরই ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছিলেন।
তিনি বলেন, তিনি ইরানের ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলোর’ সঙ্গে কথা বলেছেন এবং বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি।
ট্রাম্প অবশ্যই এও বলেছেন, আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখব। মার্কিন প্রশাসন ইরান থেকে ‘খুবই ইতিবাচক একটি বক্তব্য’ পেয়েছে।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা মাইক হান্না জানিয়েছেন, ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে ইরানের প্রতি তাঁর আগের কঠোর অবস্থান কিছুটা নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
মাইক হান্না বলেন, তিনি (ট্রাম্প) এখনো বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে পর্যালোচনা করছেন বলে মনে হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ তাঁকে ব্রিফ করেছে। তবে এইমাত্র আমরা যে বক্তব্যগুলো শুনলাম, তা পরিস্থিতির সম্ভাব্য প্রশমনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভবত ক্রমাগত যে হুমকি দিয়ে আসছিলেন, সেই আসা কঠোর পদক্ষেপের পথ থেকে পিছিয়ে আসছেন।
সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির অনাবাসিক জ্যেষ্ঠ ফেলো সিনা তুসি আল জাজিরাকে বলেন, ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধের তথ্য পাওয়া সংক্রান্ত ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, আপাতদৃষ্টিতে তা সামরিক হস্তক্ষেপ এড়ানোর একটি ‘সম্মানজনক কৌশল’ মাত্র। তবে এর মাধ্যমে তিনি সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কাকেও পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের কথাকে গুরুত্ব দেওয়া কঠিন, তবে আমরা জানি তিনি সবসময়ই বড় এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক যুদ্ধে যেতে অনাগ্রহী। ইরানের সঙ্গে সেই ঝুঁকিটিই সামনে এসেছিল।
তুসি বলেন, আজকের এই মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে তিনি সম্মানজনক উপায়ে পরিস্থিতি থেকে সরে আসার পথ খুঁজছেন। তবে আমি এটাকে (সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা) শতভাগ নাকচ করে দেওয়ার মতো কিছু মনে করছি না। অতীতেও ট্রাম্পের একই সঙ্গে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার নজির রয়েছে।
এর আগেও ট্রাম্প তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো মানতে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া গত সপ্তাহেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানি প্রশাসনের কঠোর দমন-পীড়নের জবাবে দেশটিতে সরাসরি হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, ওয়াশিংটনের স্টিমসন সেন্টারের বিশিষ্ট ফেলো বারবারা স্লাভিন আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে ট্রাম্প সম্ভবত ‘দ্বিধাদ্বন্দ্বে’ রয়েছেন।
তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হয়তো ‘আরেকটি দ্রুত বিজয়’ পেতে চান, তবে তাঁর সহজাত প্রবৃত্তির বাইরে গিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী কোনো দ্বন্দ্বে জড়াতে চাইবেন না।
স্লাভিনের ধারণা, ট্রাম্প হয়তো বড় কোনো যুদ্ধের ঝুঁকি না নিয়ে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কিছু হামলা চালাতে পারেন। আর এর মাধ্যমে তিনি ইরানি জনগণকে ‘সহায়তা’র প্রতিশ্রুতি রক্ষার দাবি করতে পারেন।
এর আগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য কাতারের আল উদেদ বিমানঘাঁটি থেকে তাদের কিছু সেনাসদস্য প্রত্যাহার করে নেয়। এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন আছেন। ইরানের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা সতর্ক করেছিলেন, ওয়াশিংটন ইরানে আক্রমণ করলে তেহরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালাবে। এরপরই ঘাঁটিটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়।
এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তপ্ত ওই পরিস্থিতির মধ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের শঙ্কায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের সুরক্ষায় বিশেষ সতর্কতা জারি করে।
অন্যদিকে, মার্কিন গণমাধ্যম ‘নিউজনেশন’ বুধবার এক প্রতিবেদনে জানায়, পেন্টাগন দক্ষিণ চীন সাগর থেকে একটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ) মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠাতে শুরু করেছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আবার আল জাজিরাও স্বতন্ত্রভাবে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

নির্বাচনের আগে আবারও ভাঙনের মুখে পড়ল নেপালের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল ‘নেপালি কংগ্রেস’। এ নিয়ে ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি তৃতীয়বারের মতো ভাঙনের মুখে পড়ল। আগামী মার্চের নেপালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাইসের ওভাল অফিসে অদ্ভূত এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে একটি দ্বিপক্ষীয় বিল সই করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে নিজেদের সমুদ্রবন্দর সীমার বাইরে ইরানের কয়েক ডজন বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করে আছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন একটি কড়া আইনকে সমর্থন দিয়েছেন। এই আইনের নাম ‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যাক্ট অব ২০২৫’। এই আইনের আওতায়, যারা এখনো রাশিয়ার তেল কিনছে, তাদের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
৫ ঘণ্টা আগে