স্ট্রিম ডেস্ক

‘সিলেনসিও (চুপ)...!’
উদ্ধারকর্মীদের কারও একজনের এই আহ্বান শুনেই মুহূর্তের জন্য থেমে যায় চারপাশ। থেমে যায় ভারী যন্ত্রের শব্দ, থেমে যায় মানুষের কথাবার্তা। কংক্রিটের বিশাল স্তূপে সদ্য করা ছোট্ট একটি ছিদ্রে কান পেতে শোনার চেষ্টা করেন এক উদ্ধারকর্মী। আরেকজন টর্চের আলো ফেলেন অন্ধকার গহ্বরে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে যদি ভেসে আসে কোনো শব্দ— কোনো নিঃশ্বাস, কোনো আর্তনাদ।
ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় শহর লা গুয়াইরায় গত সপ্তাহের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর প্রতিদিনই এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময় যত গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত কাউকে পাওয়ার আশা ততই ক্ষীণ হচ্ছে। তবু থামেনি অনুসন্ধান। বাড়ছে স্বজন হারানোর শঙ্কা আর সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ।
সরকারি হিসাবে, জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭১৯ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৪ জন আহত হয়েছেন। কয়েক হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গৃহহীন হয়েছেন অন্তত ১৫ হাজার ৮৬৬ জন। কিন্তু অনেক পরিবারের অভিযোগ, উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে অনেক দেরিতে, আর বহু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এখন পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছায়নি।
ধসে পড়া একটি বহুতল ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের একমাত্র ছেলে অ্যাঞ্জেলের অপেক্ষা করছেন মিগুয়েল অস্কার নুনেজ। তাঁর বিশ্বাস, ভূমিকম্পে নয়, ছেলের মৃত্যু হবে কর্তৃপক্ষের অবহেলায়। ক্ষোভ ঝরে পড়ে তাঁর কণ্ঠে। তিনি বলেন, 'আমার ছেলে হয়তো এখনো বেঁচে আছে। কিন্তু যদি অবহেলার কারণে তাকে হারাই, সেটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।’
একই ভবনে স্ত্রী ও ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে হারিয়েছেন কেভিন মন্টিয়া। তাঁর অভিযোগ, শুরুতে স্থানীয় বাসিন্দারাই খালি হাতে উদ্ধারকাজ শুরু করেছিলেন। সরকারি উদ্ধারকারী দল আসে অনেক পরে। তাঁর ভাষায়, ‘সরকারের প্রতিক্রিয়া ছিল হতাশাজনক।’
লা গুয়াইরার আরও অনেক এলাকায় একই চিত্র। কোথাও স্বেচ্ছাসেবীরা কোদাল, লোহার রড কিংবা খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। কেউ খুঁজছেন স্বজনকে জীবিত, কেউ অন্তত মরদেহটি ফিরে পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছেন।
তবু আশা পুরোপুরি ফুরিয়ে যায়নি। ৭২ ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও সম্প্রতি কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাই প্রতিবার উদ্ধারকর্মীদের ‘সিলেনসিও …’ আহ্বানে স্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষমাণ মানুষের বুকেও জেগে ওঠে ক্ষীণ এক আশা—হয়তো এবার ভেতর থেকে ভেসে আসবে কোনো পরিচিত কণ্ঠ।

‘সিলেনসিও (চুপ)...!’
উদ্ধারকর্মীদের কারও একজনের এই আহ্বান শুনেই মুহূর্তের জন্য থেমে যায় চারপাশ। থেমে যায় ভারী যন্ত্রের শব্দ, থেমে যায় মানুষের কথাবার্তা। কংক্রিটের বিশাল স্তূপে সদ্য করা ছোট্ট একটি ছিদ্রে কান পেতে শোনার চেষ্টা করেন এক উদ্ধারকর্মী। আরেকজন টর্চের আলো ফেলেন অন্ধকার গহ্বরে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে যদি ভেসে আসে কোনো শব্দ— কোনো নিঃশ্বাস, কোনো আর্তনাদ।
ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় শহর লা গুয়াইরায় গত সপ্তাহের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর প্রতিদিনই এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময় যত গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত কাউকে পাওয়ার আশা ততই ক্ষীণ হচ্ছে। তবু থামেনি অনুসন্ধান। বাড়ছে স্বজন হারানোর শঙ্কা আর সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ।
সরকারি হিসাবে, জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭১৯ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৪ জন আহত হয়েছেন। কয়েক হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গৃহহীন হয়েছেন অন্তত ১৫ হাজার ৮৬৬ জন। কিন্তু অনেক পরিবারের অভিযোগ, উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে অনেক দেরিতে, আর বহু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এখন পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছায়নি।
ধসে পড়া একটি বহুতল ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের একমাত্র ছেলে অ্যাঞ্জেলের অপেক্ষা করছেন মিগুয়েল অস্কার নুনেজ। তাঁর বিশ্বাস, ভূমিকম্পে নয়, ছেলের মৃত্যু হবে কর্তৃপক্ষের অবহেলায়। ক্ষোভ ঝরে পড়ে তাঁর কণ্ঠে। তিনি বলেন, 'আমার ছেলে হয়তো এখনো বেঁচে আছে। কিন্তু যদি অবহেলার কারণে তাকে হারাই, সেটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।’
একই ভবনে স্ত্রী ও ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে হারিয়েছেন কেভিন মন্টিয়া। তাঁর অভিযোগ, শুরুতে স্থানীয় বাসিন্দারাই খালি হাতে উদ্ধারকাজ শুরু করেছিলেন। সরকারি উদ্ধারকারী দল আসে অনেক পরে। তাঁর ভাষায়, ‘সরকারের প্রতিক্রিয়া ছিল হতাশাজনক।’
লা গুয়াইরার আরও অনেক এলাকায় একই চিত্র। কোথাও স্বেচ্ছাসেবীরা কোদাল, লোহার রড কিংবা খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। কেউ খুঁজছেন স্বজনকে জীবিত, কেউ অন্তত মরদেহটি ফিরে পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছেন।
তবু আশা পুরোপুরি ফুরিয়ে যায়নি। ৭২ ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও সম্প্রতি কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাই প্রতিবার উদ্ধারকর্মীদের ‘সিলেনসিও …’ আহ্বানে স্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষমাণ মানুষের বুকেও জেগে ওঠে ক্ষীণ এক আশা—হয়তো এবার ভেতর থেকে ভেসে আসবে কোনো পরিচিত কণ্ঠ।
.png)

আলোচনার জন্য পরবর্তী গন্তব্যস্থল কাতারের রাজধানী দোহায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল। আজই (৩০ জুন) তারা দেশটিতে পৌঁছাবেন। তবে দুপক্ষের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আরোপের বিষয়ে ইরান ও ওমান একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তেহরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। দুই দেশের গঠন করা ‘হরমুজ জয়েন্ট কমিটি’র প্রথম বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান তিনি। খবর এএফপির।
৫ ঘণ্টা আগে
ইউরোপজুড়ে চলমান দাবদাহে গত ২১ জুন থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার (২৯ জুন) ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে চীন জানিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক স্বাধীন এবং তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকা উচিত নয়।
১৭ ঘণ্টা আগে