স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিগত সরকারের আমলে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার অমানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছিল মন্তব্য করে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আসামিদের ক্ষেত্রে বর্তমান প্রসিকিউশন সেই পথে হাঁটবে না। কোনও আসামির সত্যিকার অর্থে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে মানবিক কারণে ট্রাইব্যুনালের কাছে তাঁর চিকিৎসার পক্ষেই মত দেবে রাষ্ট্রপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার আসামি ও সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের উন্নত চিকিৎসার আবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এ কথা জানান।
সাবেক মন্ত্রীর চিকিৎসার আবেদনের প্রসঙ্গ ধরে বিগত সরকারের আচরণের সমালোচনা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় আমরা আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বারবার আবেদন করতাম। কিন্তু সেই আদেশ আমরা পেতাম না। তবে আমরা সেই অমানবিক কাজটা করতে চাই না।’
বিচার প্রক্রিয়া এবং মানবিক অধিকারের মধ্যে সীমারেখা টেনে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনে করি, বিচার তার নিজস্ব গতিতে বিচারের মতো চলবে। কিন্তু মানুষ হিসেবে তিনি (আসামি) যদি অসুস্থ হন এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সেটাও যথাযথভাবে তিনি নেবেন। এ বিষয়ে আমরাও ট্রাইব্যুনালকে বলব, কোনো আসামির যদি সত্যিকার অর্থে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ থাকে এবং প্রয়োজন হয়, তিনি যেন চিকিৎসাটা পান।’
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের আইনি প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরে তিনি জানান, ‘কামরুল ইসলামের আইনজীবীরা সোমবার বিষয়টি মৌখিকভাবে ট্রাইব্যুনালের নজরে এনে দাবি করেছিলেন যে তিনি অসুস্থ। এরপর মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে আসামিপক্ষ থেকে একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টি আজ কার্য তালিকায় (কজ লিস্ট) ছিল না, তাই আগামীকাল এটি কার্য তালিকায় আসবে। তিনি কী রোগে আক্রান্ত, এ বিষয়গুলো নিশ্চয়ই তাদের দরখাস্তে উল্লেখ আছে। আমরা দরখাস্তটি পর্যালোচনা করে দেখব। যদি সত্যিকার অর্থেই তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে মানবিক কারণে তিনি চিকিৎসা পেতেই পারেন।’

বিগত সরকারের আমলে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার অমানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছিল মন্তব্য করে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আসামিদের ক্ষেত্রে বর্তমান প্রসিকিউশন সেই পথে হাঁটবে না। কোনও আসামির সত্যিকার অর্থে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে মানবিক কারণে ট্রাইব্যুনালের কাছে তাঁর চিকিৎসার পক্ষেই মত দেবে রাষ্ট্রপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার আসামি ও সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের উন্নত চিকিৎসার আবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এ কথা জানান।
সাবেক মন্ত্রীর চিকিৎসার আবেদনের প্রসঙ্গ ধরে বিগত সরকারের আচরণের সমালোচনা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় আমরা আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বারবার আবেদন করতাম। কিন্তু সেই আদেশ আমরা পেতাম না। তবে আমরা সেই অমানবিক কাজটা করতে চাই না।’
বিচার প্রক্রিয়া এবং মানবিক অধিকারের মধ্যে সীমারেখা টেনে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনে করি, বিচার তার নিজস্ব গতিতে বিচারের মতো চলবে। কিন্তু মানুষ হিসেবে তিনি (আসামি) যদি অসুস্থ হন এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সেটাও যথাযথভাবে তিনি নেবেন। এ বিষয়ে আমরাও ট্রাইব্যুনালকে বলব, কোনো আসামির যদি সত্যিকার অর্থে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ থাকে এবং প্রয়োজন হয়, তিনি যেন চিকিৎসাটা পান।’
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের আইনি প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরে তিনি জানান, ‘কামরুল ইসলামের আইনজীবীরা সোমবার বিষয়টি মৌখিকভাবে ট্রাইব্যুনালের নজরে এনে দাবি করেছিলেন যে তিনি অসুস্থ। এরপর মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে আসামিপক্ষ থেকে একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টি আজ কার্য তালিকায় (কজ লিস্ট) ছিল না, তাই আগামীকাল এটি কার্য তালিকায় আসবে। তিনি কী রোগে আক্রান্ত, এ বিষয়গুলো নিশ্চয়ই তাদের দরখাস্তে উল্লেখ আছে। আমরা দরখাস্তটি পর্যালোচনা করে দেখব। যদি সত্যিকার অর্থেই তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে মানবিক কারণে তিনি চিকিৎসা পেতেই পারেন।’

গণহত্যা দিবসের আলোচনায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তি ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা গণনায় জোর দিতে বলছেন বক্তারা। একই সঙ্গে কেউ যেন মুক্তিযুদ্ধের নামে অন্যায় বৈষয়িক সুবিধা লাভ করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।
২৮ মিনিট আগে
আগামী জুন-জুলাই পর্যন্ত ইউরিয়া সারের কোনও সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
৩৭ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে গত তিন মাসে প্রায় ৩০০ শিশুর হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ মাসের অধিক বয়সি শিশুর বেশিরভাগই হামের টিক নেয়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. রেজাউল করিম।
১ ঘণ্টা আগে
বিগত সরকারের আমলে সারা দেশে ঘটে যাওয়া সব ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডগুলো পরিকল্পিত ছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘একটি কমন বা মেটিকুলাস ডিজাইনে সারা দেশে ক্রসফায়ারের মতো অমানবিক কর্মকাণ্ড করেছে তৎকালীন সরকার।’
১ ঘণ্টা আগে