জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

১৫ মার্চ সময় শেষ, নির্বাচনী ব্যয় জমা না দিলে ব্যবস্থা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৭: ৫৪
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৫ মার্চ শেষ হচ্ছে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা হিসাব না দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া কোনো প্রার্থী সময়মতো ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল না করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কমিশন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। কারণ আইন সবার জন্য সমান।

আরপিওর ৪৪(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম-ঠিকানাসংবলিত গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে ১৩ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসেবে আগামী ১৫ মার্চ সময় শেষ হবে।

আইন অনুযায়ী, রিটার্নে প্রতিদিনের পরিশোধিত অর্থের বিল-রসিদ, নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য খোলা ব্যাংক হিসাবের বিবরণ, তফসিলি ব্যাংকের প্রত্যয়িত হিসাব বিবরণীর অনুলিপি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত ব্যয়ের তথ্য, নির্বাচনী এজেন্টের বিতর্কিত ও অপরিশোধিত দাবির তালিকা এবং অর্থের উৎস উল্লেখ করে প্রাপ্ত অর্থের বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় না থাকলে, নির্ধারিত ফরমে ‘শূন্য’ উল্লেখ করে হলফনামাসহ তাঁকে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া ব্যয়ের রিটার্নের তথ্য আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে কমিশনে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যাচাই শেষে হলফনামার মতো তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে কিনা– প্রশ্নে ইসি আনোয়ার বলেন, ‘এ ধরনের কোনো প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে এলে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।’

নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন জমা না দেওয়া বা যথাযথভাবে না দেওয়াকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। আইনে এজন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দুই বছরের কারাদণ্ডের বিধান প্রযোজ্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। ২৯৯টি আসনে মোট ২ হাজার ২৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ইসি আনোয়ার বলেন, ‘নির্বাচনী ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনীয় তদারকি করবে।’

সম্পর্কিত