স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স কমানোর পক্ষে নন, বরং অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে এই বয়সসীমা আরও বাড়ানোর পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
আজ সোমবার (৪ মে) দুপুর তিনটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আইনমন্ত্রী বিচারকদের বয়স, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম, প্রধান বিচারপতির এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার এবং পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনাসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ থেকে কমিয়ে ৬৫ বছর করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভায় বিরোধীদলের পক্ষ থেকে এই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছিল। আমরা বলেছি, এটি আলোচনার ফোরাম নয়। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যে কমিটি হবে, সেখানে বিষয়টি উঠলে ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা হবে; কারণ এর সঙ্গে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি জড়িত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি সেই কমিটির সদস্য থাকি, তবে আমি বয়স কমানোর পক্ষে নই, আমি বাড়ানোরই পক্ষে। তবে আমৃত্যু নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন ব্যবস্থা আছে। বিচারপতিদের অভিজ্ঞতা যত বেশি হবে, আমরা তত বেশি আইনি সেবা পাব। যেমন আমেরিকায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। তবে আমাদের বিচারপতিদের অবসরের বয়স বর্তমানে যা (৬৭ বছর) আছে, সেটি কমানোর জন্য কেউ উদ্যোগ নিলে, কী কারণে নিচ্ছেন তা আমরা বিবেচনা করব।’
আসন্ন বাজেটে বিচার বিভাগের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ কোনো বরাদ্দ থাকছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি অত বেশি আশাবাদী নই। আপনারা আশা করেন। তবে দেখব কতটুকু আনা যায়।’ সচিবালয়ের কেউ কেউ বিচার বিভাগকে ‘সুপার স্বাধীনতা’ দেওয়ার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কি না এমন প্রশ্নে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার বলতে এখানে আইন মন্ত্রণালয়কে বোঝায়। আইনমন্ত্রী হিসেবে এ ধরনের কোনো কথা আমরা বলিনি। সুতরাং অন্য কে কী বলল, সেটি আমি আমলে নিচ্ছি না।’
প্রধান বিচারপতির এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি একগুঁয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—এই কথার সঙ্গে আমি একমত নই। এটি তাঁর একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, বিচারিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার কারণ তিনি ভালো জানেন।’
তবে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আশা প্রকাশ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি আমার এবং প্রধান বিচারপতিরও দৃষ্টিতে এসেছে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করবেন। তবে আইনমন্ত্রী হিসেবে তাঁর সঙ্গে দরকষাকষি বা কোনো প্রভাব বিস্তারের জন্য যাওয়াটা আমি ঠিক মনে করি না।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ যাদের সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে বা যারা ভারতে পলাতক আছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, আইনি ও প্রশাসনিক সমস্যাগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, ‘মামলার সংখ্যা বাড়াটা আমাদের কাছে উদ্বেগের বিষয় নয়। অপরাধের বিচার হতে হবে। আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জের বিষয় হলো ন্যায়বিচার নিশ্চিত হচ্ছে কি না। আমরা সেটিই করব।’
৫ আগস্টের পর সংঘটিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনির ঘটনাগুলো ট্রাইব্যুনালে বিচার হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মব সিস্টেমেটিক বা পূর্বপরিকল্পিত নয়, এটি জনগণের একটি রিঅ্যাকশন। এটি যদি সাধারণ অপরাধের মধ্যে পড়ে, তবে সাধারণ আইন অনুসারেই দেখা হবে। এর বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে গেলে যেকোনো স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণ-অভ্যুত্থান বা বিপ্লবকে অসম্মান করা হবে।’
শাপলা চত্বর ঘটনার ১৩ বছর পূর্তির আগে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রসিকিউশন টিম যখন কাজ করছে, এটি সরকারি নীতির বাইরের কিছু নয়। সরকারের পলিসি আছে বলেই প্রসিকিউশন টিম তাদের নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।’
রহিত হওয়া অধ্যাদেশগুলো সংসদে তোলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট অধিবেশনে না উঠলে পরের অধিবেশনে উঠবে। চলতি মাসের ১৭ তারিখ আমরা মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে পরামর্শ সভার ডাক দিয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এগুলো সামনে আনা হবে।’

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স কমানোর পক্ষে নন, বরং অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে এই বয়সসীমা আরও বাড়ানোর পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
আজ সোমবার (৪ মে) দুপুর তিনটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আইনমন্ত্রী বিচারকদের বয়স, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম, প্রধান বিচারপতির এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার এবং পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনাসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ থেকে কমিয়ে ৬৫ বছর করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভায় বিরোধীদলের পক্ষ থেকে এই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছিল। আমরা বলেছি, এটি আলোচনার ফোরাম নয়। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যে কমিটি হবে, সেখানে বিষয়টি উঠলে ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা হবে; কারণ এর সঙ্গে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি জড়িত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি সেই কমিটির সদস্য থাকি, তবে আমি বয়স কমানোর পক্ষে নই, আমি বাড়ানোরই পক্ষে। তবে আমৃত্যু নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন ব্যবস্থা আছে। বিচারপতিদের অভিজ্ঞতা যত বেশি হবে, আমরা তত বেশি আইনি সেবা পাব। যেমন আমেরিকায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। তবে আমাদের বিচারপতিদের অবসরের বয়স বর্তমানে যা (৬৭ বছর) আছে, সেটি কমানোর জন্য কেউ উদ্যোগ নিলে, কী কারণে নিচ্ছেন তা আমরা বিবেচনা করব।’
আসন্ন বাজেটে বিচার বিভাগের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ কোনো বরাদ্দ থাকছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি অত বেশি আশাবাদী নই। আপনারা আশা করেন। তবে দেখব কতটুকু আনা যায়।’ সচিবালয়ের কেউ কেউ বিচার বিভাগকে ‘সুপার স্বাধীনতা’ দেওয়ার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কি না এমন প্রশ্নে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার বলতে এখানে আইন মন্ত্রণালয়কে বোঝায়। আইনমন্ত্রী হিসেবে এ ধরনের কোনো কথা আমরা বলিনি। সুতরাং অন্য কে কী বলল, সেটি আমি আমলে নিচ্ছি না।’
প্রধান বিচারপতির এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি একগুঁয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—এই কথার সঙ্গে আমি একমত নই। এটি তাঁর একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, বিচারিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার কারণ তিনি ভালো জানেন।’
তবে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আশা প্রকাশ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি আমার এবং প্রধান বিচারপতিরও দৃষ্টিতে এসেছে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করবেন। তবে আইনমন্ত্রী হিসেবে তাঁর সঙ্গে দরকষাকষি বা কোনো প্রভাব বিস্তারের জন্য যাওয়াটা আমি ঠিক মনে করি না।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ যাদের সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে বা যারা ভারতে পলাতক আছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, আইনি ও প্রশাসনিক সমস্যাগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, ‘মামলার সংখ্যা বাড়াটা আমাদের কাছে উদ্বেগের বিষয় নয়। অপরাধের বিচার হতে হবে। আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জের বিষয় হলো ন্যায়বিচার নিশ্চিত হচ্ছে কি না। আমরা সেটিই করব।’
৫ আগস্টের পর সংঘটিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনির ঘটনাগুলো ট্রাইব্যুনালে বিচার হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মব সিস্টেমেটিক বা পূর্বপরিকল্পিত নয়, এটি জনগণের একটি রিঅ্যাকশন। এটি যদি সাধারণ অপরাধের মধ্যে পড়ে, তবে সাধারণ আইন অনুসারেই দেখা হবে। এর বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে গেলে যেকোনো স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণ-অভ্যুত্থান বা বিপ্লবকে অসম্মান করা হবে।’
শাপলা চত্বর ঘটনার ১৩ বছর পূর্তির আগে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রসিকিউশন টিম যখন কাজ করছে, এটি সরকারি নীতির বাইরের কিছু নয়। সরকারের পলিসি আছে বলেই প্রসিকিউশন টিম তাদের নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।’
রহিত হওয়া অধ্যাদেশগুলো সংসদে তোলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট অধিবেশনে না উঠলে পরের অধিবেশনে উঠবে। চলতি মাসের ১৭ তারিখ আমরা মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে পরামর্শ সভার ডাক দিয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এগুলো সামনে আনা হবে।’

সড়ক ও পশুর হাটে চাঁদাবাজিকে অপরাধ উল্লেখ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম।
১৬ মিনিট আগে
রাঙামাটিতে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি কেন্দ্র করে সোমবার দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে সেনাবাহিনী। এদিকে শহরের পৌরসভা, কাঠালতলী এলাকা ও বনরূপার আশেপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
৩৫ মিনিট আগে
পুলিশের ইউনিফর্মে বড় ধরনের পরিবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের শার্টের রং আগের মতো থাকলেও প্যান্টের ক্ষেত্রে ফিরছে আগের ‘খাকি’ রং।
১ ঘণ্টা আগে
হাওর অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকার আগামী তিন মাস খাদ্য সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা দেবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
১ ঘণ্টা আগে