জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

চুয়াডাঙ্গায় তামাকখেতে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ, ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যার অভিযোগ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একটি তামাকখেত থেকে জাবেদা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রামে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। নিহত নারী দলিয়ারপুর গ্রামের মৃত তুফান আলীর স্ত্রী।

দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে দিকে পার্শ্ববর্তী গোপালপুর গ্রামের মাঠে ঘাস কাটতে যান জাবেদা খাতুন। ইফতারের সময় হয়ে গেলেও সে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গোপালপুর গ্রামের মাঠে একটি তামাকখেতের মধ্যে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহটি উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানায় নেন।

এ ব্যাপারে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘স্থানীয়দের ধারণা, ধর্ষণের পর অথবা ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ায় তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।’

দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার নজরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘নিহত নারী জাবেদা খাতুন মাঠে ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে যান। ধারণা করা হচ্ছে, দুপুরের দিকে এই নারীকে হত্যা করা হয়েছে। হাতের কবজি ও গলায় ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করে জাবেদাকে হত্যা করা হয়েছে। আছরের আজানের পর খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তামাকখেতে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্থানীয়রা ধারণা করছে যে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ায় তাঁর হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত হত্যার সঠিক কারণ জানা সম্ভব হচ্ছে না।’

নিহত নারী জাবেদা খাতুনের বড় ছেলে সাজন আলী বলেন, ‘আমাদের কারোর সঙ্গে শত্রুতা ছিল না। মা ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন মাঠে। তারপর দু-তিন ঘণ্টা হয়ে গেলেও তিনি ফিরে আসছে না দেখেন খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে এভাবে পাওয়া যায়। মায়ের এই হত্যার বিচার চাই, সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত