স্ট্রিম প্রতিবেদক

জর্ডানে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এতে জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগের পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে বৈধতা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পেশা ও কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ১৫ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ বৈধতা কর্মসূচি কার্যকর থাকবে।
দূতাবাস জানায়, জর্ডানে আকামা (রেসিডেন্স পারমিট) ও তাসরিয়াহ (ওয়ার্ক পারমিট) ছাড়া থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকরা এ কর্মসূচির আওতায় সুবিধা নিতে পারবেন। কর্মসূচির লক্ষ্য দেশটিতে অবস্থানরত বিদেশি শ্রমিকদের আইনি অবস্থান নিয়মিত করা এবং যারা দেশে ফিরতে চান, তাদের প্রত্যাবর্তনে সহায়তা করা।
জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ
যেসব বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে জর্ডান ছেড়ে দেশে ফিরতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা সব ধরনের জরিমানা মওকুফ করা হবে। বৈধ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে বিমান টিকিট কেটে সরাসরি দেশে ফেরার সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া মাত্র ১০ জর্ডানি দিনার প্রক্রিয়াকরণ ফি দিয়ে সংশ্লিষ্টরা তাদের সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিলে জমা থাকা অর্থ তুলতে পারবেন।
থেকে গেলে মিলবে বৈধতার সুযোগ
জর্ডানে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী অবৈধ শ্রমিকদের জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। যারা দেশটিতে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে চান, তাঁদের পূর্ববর্তী বছরগুলোর ওয়ার্ক পারমিট ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। তবে চলতি বছরের ফি নির্ধারিত হারেই পরিশোধ করতে হবে।
পাশাপাশি ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বিলম্বজনিত জরিমানা এবং অবৈধ অবস্থানের কারণে আরোপিত বিশেষ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে।
পেশা ও কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ
নতুন ব্যবস্থায় বৈধ হওয়ার পর শ্রমিকরা এক পেশা থেকে অন্য পেশায় যেতে পারবেন। গার্মেন্টস খাত থেকে গৃহকর্মী কিংবা গৃহকর্মী থেকে কারখানার কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া এক শহর থেকে অন্য শহরে গিয়ে কাজ করার অনুমতি এবং ফ্রি ওয়ার্ক পারমিট বা ফ্রিল্যান্স ভিত্তিতে কাজের সুযোগও দেওয়া হবে।
বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে গৃহকর্মীদের ক্ষেত্রে। যাদের আকামা ও তাসরিয়াহর মেয়াদ অন্তত দুই বছর আগে শেষ হয়েছে, তারা আগের নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়াই নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতে পারবেন।
ভ্রমণ ভিসায় আসা ব্যক্তিরাও আবেদন করতে পারবেন
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণ ভিসায় জর্ডানে আসা ব্যক্তিরাও নির্ধারিত শর্তে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চলতি সপ্তাহের মধ্যেই জানানো হবে।
তবে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পর জর্ডানে প্রবেশ করা বাংলাদেশি নাগরিক ও বিশেষ ভিসায় কর্মরত ব্যক্তি অনুবাদক, চালক, মেকানিক, আইটি বিশেষজ্ঞ, ইলেকট্রিশিয়ান ও অন্যান্য কারিগরি পেশাজীবী এবং বিচারাধীন বা সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এ সুবিধার আওতায় থাকবেন না।
সাধারণ ক্ষমার আওতায় যেকোনো সুবিধা নিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একসঙ্গে দালাল বা প্রতারকদের মাধ্যমে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জর্ডানে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এতে জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগের পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে বৈধতা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পেশা ও কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ১৫ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ বৈধতা কর্মসূচি কার্যকর থাকবে।
দূতাবাস জানায়, জর্ডানে আকামা (রেসিডেন্স পারমিট) ও তাসরিয়াহ (ওয়ার্ক পারমিট) ছাড়া থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকরা এ কর্মসূচির আওতায় সুবিধা নিতে পারবেন। কর্মসূচির লক্ষ্য দেশটিতে অবস্থানরত বিদেশি শ্রমিকদের আইনি অবস্থান নিয়মিত করা এবং যারা দেশে ফিরতে চান, তাদের প্রত্যাবর্তনে সহায়তা করা।
জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ
যেসব বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে জর্ডান ছেড়ে দেশে ফিরতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা সব ধরনের জরিমানা মওকুফ করা হবে। বৈধ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে বিমান টিকিট কেটে সরাসরি দেশে ফেরার সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া মাত্র ১০ জর্ডানি দিনার প্রক্রিয়াকরণ ফি দিয়ে সংশ্লিষ্টরা তাদের সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিলে জমা থাকা অর্থ তুলতে পারবেন।
থেকে গেলে মিলবে বৈধতার সুযোগ
জর্ডানে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী অবৈধ শ্রমিকদের জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। যারা দেশটিতে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে চান, তাঁদের পূর্ববর্তী বছরগুলোর ওয়ার্ক পারমিট ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। তবে চলতি বছরের ফি নির্ধারিত হারেই পরিশোধ করতে হবে।
পাশাপাশি ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বিলম্বজনিত জরিমানা এবং অবৈধ অবস্থানের কারণে আরোপিত বিশেষ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে।
পেশা ও কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ
নতুন ব্যবস্থায় বৈধ হওয়ার পর শ্রমিকরা এক পেশা থেকে অন্য পেশায় যেতে পারবেন। গার্মেন্টস খাত থেকে গৃহকর্মী কিংবা গৃহকর্মী থেকে কারখানার কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া এক শহর থেকে অন্য শহরে গিয়ে কাজ করার অনুমতি এবং ফ্রি ওয়ার্ক পারমিট বা ফ্রিল্যান্স ভিত্তিতে কাজের সুযোগও দেওয়া হবে।
বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে গৃহকর্মীদের ক্ষেত্রে। যাদের আকামা ও তাসরিয়াহর মেয়াদ অন্তত দুই বছর আগে শেষ হয়েছে, তারা আগের নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়াই নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতে পারবেন।
ভ্রমণ ভিসায় আসা ব্যক্তিরাও আবেদন করতে পারবেন
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণ ভিসায় জর্ডানে আসা ব্যক্তিরাও নির্ধারিত শর্তে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চলতি সপ্তাহের মধ্যেই জানানো হবে।
তবে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পর জর্ডানে প্রবেশ করা বাংলাদেশি নাগরিক ও বিশেষ ভিসায় কর্মরত ব্যক্তি অনুবাদক, চালক, মেকানিক, আইটি বিশেষজ্ঞ, ইলেকট্রিশিয়ান ও অন্যান্য কারিগরি পেশাজীবী এবং বিচারাধীন বা সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এ সুবিধার আওতায় থাকবেন না।
সাধারণ ক্ষমার আওতায় যেকোনো সুবিধা নিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একসঙ্গে দালাল বা প্রতারকদের মাধ্যমে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে দেওয়া সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া) করার দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট এবং এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটের কর্মউপযোগিতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ই-নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
৪ ঘণ্টা আগে