জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ১৫: ৫৭
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবিধানিকভাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই। রাষ্ট্রপতি সংস্কার পরিষদের কোনো অধিবেশন আহ্বান করেননি। দুদিন বিরতির পর রোববার ত্রয়োদশ সংসদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোটের রায় হিসেবে সংবিধানে ধারণ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ-আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন হলে সেভাবে সংবিধানে ধারণ হবে। তারপরে যদি পরিষদ হয়, তারপরে যদি ফরম হয়, শপথ গ্রহণ করতে হয়, সেটি পরের ব্যাপার।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপাতি অধিবেশন আহ্বান করেছেন জাতীয় সংসদের। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অধিবেশন আহবান করেননি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করছি সাংবিধানিকভাবে। এখন জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার পরিষদ) সেটার সদস্য হিসেবে কেউ কেউ শপথ নিয়েছেন। এটার সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে, যা মনে হয় জুডিশিয়ারিতে আছে। সেটা জুডিশিয়ারির বিষয়। তবে সাংবিধানিকভাবে সে রকম কোনো পরিষদের অস্তিত্ব আমাদের সামনে নেই।

পরে এই ইস্যুতে সংসদ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারি অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্যের জবাবে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা কোন বিধিতে এই আলোচনা তুললেন? জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ ছাড়া এভাবে আলোচনা করা যায় না।

অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তনের কোনো বিধান নেই। এই তথাকথিত ‘বাস্তবায়ন আদেশ’ আইন নাকি অধ্যাদেশ, তা স্পষ্ট নয়। যে সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নিয়েই আইনি প্রশ্ন আছে এবং উচ্চ আদালতে রুল জারি হয়েছে, সেই পরিষদের অধিবেশন ডাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন না।

তিনি আরও বলেন, জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে গণভোট দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নের জন্য আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে। সার্বভৌম সংসদ কোনো অসাংবিধানিক পথে হাঁটতে পারে না। আমরা সংস্কার চাই, তবে তা আইনানুগ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায়। প্রয়োজন হলে বাজেট অধিবেশনে এই নিয়ে বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।

সম্পর্কিত