আমরা পথ হারালে জুলাই জাদুঘর হবে দিশা: ড. ইউনূস

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৪২
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে নতুন যাত্রাপথ রচনা হবে। আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেব। চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকে তার ঠিকানা বার করব। নতুন সূত্রে আবার যাত্রা শুরু করব।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘পৃথিবীর নানা দেশে নানা জাদুঘর আছে। তারা অতীতের অনেক জিনিস সংগ্রহ করে। বিশেষ বিশেষ জিনিস রাখে জাতির সামনে তুলে ধরার জন্য। তবে এই জাদুঘরটি ভিন্ন। এখানে অতীতের কিছু সংগ্রহ নেই। এখানে একেবারে টাটকা-নতুন যা ঘটেছে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। এরকম জাদুঘর আছে কি না জানি না।’

এই জাদুঘর দেশের ইতিহাসের একটা নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অতীত ও ভবিষ্যৎ এই দুটোর মাঝামাঝিতে এই জাদুঘর। এই জাদুঘর তাৎক্ষণিকভাবে অতীতকে ধারণ করেছে, কিন্তু ভবিষ্যৎ রচনা করেছে। এই হলো এই জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য।

জুলাই-আগস্টে যারা রাজপথে নেমেছিলেন, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন জানিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা আশা করব দেশের সব জায়গা থেকে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা আসবে, একটা দিন এখানে কাটাবে। তারা নিজেদের মনের কথা লিখে যাবে কী চায়, কী কাজে নিজেকে নিয়োজিত করছে। এটা সারা দেশের সব সংস্কৃতির একটা পীঠভূমি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গান-বাজনা, বাক্য, প্রতিকৃতি, আর্ট—সবকিছু এখানে দলে দলে ছেলেমেয়েরা আসবে, লিখে যাবে, দেখাবে, মনের কথা রেখে যাবে। এটা হলো সেই কেন্দ্রবিন্দু। এটা আমাদের ইতিহাসের আঁতুড়ঘরের দৃশ্য। এখানে আমরা যে নাড়ির সূত্র রেখে যাব সবার কাছে, এই সূত্র যেন আর ছিন্ন না হয়।’

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত