স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার পৃথক দুই হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
বুধবার (২০ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানি শেষে ‘নো অর্ডার’ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশই বহাল থাকল।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি শেষে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু আদেশের বিষয়ে স্ট্রিমকে বলেন, বিচারপতি এ বি এম খায়রুল সাহেবের যে দুটি মামলায় ১০ তারিখে হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়েছিল, সেটি বহাল রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ যখন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে যায়, তখন সরকারপক্ষের সেই পিটিশনে আদালত ‘নো অর্ডার’ দিয়েছে। অর্থাৎ, হাইকোর্টের জামিন বহাল আছে।
মামলা দুটির প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আজ তার দুটি মামলার আদেশ হয়েছে। এর একটি হলো আদাবর থানার একটি হত্যা মামলা, অপরটি যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলা। যাত্রাবাড়ী হত্যা মামলায় এফআইআরে তার নাম ছিল না, তবে আদাবরের মামলায় এফআইআরে নাম ছিল। আগের পাঁচটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৩০ মার্চ রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার এই দুই হত্যা মামলায় খায়রুল হককে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে গত ১২ মে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ এই দুই হত্যা মামলায় খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।
এদিকে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া হয়রানির উদ্দেশ্যে বারবার মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করেন খায়রুল হকের ছেলে আইনজীবী আশিক উল হক। ওই রিটের শুনানি নিয়ে গত ১৭ মে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতির তিন মামলা এবং দুদকের করা প্লট জালিয়াতির এক মামলাসহ মোট পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ওই দিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়, যার ফলে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।
অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর কয়েক দফায় তাকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার পৃথক দুই হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
বুধবার (২০ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানি শেষে ‘নো অর্ডার’ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশই বহাল থাকল।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি শেষে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু আদেশের বিষয়ে স্ট্রিমকে বলেন, বিচারপতি এ বি এম খায়রুল সাহেবের যে দুটি মামলায় ১০ তারিখে হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়েছিল, সেটি বহাল রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ যখন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে যায়, তখন সরকারপক্ষের সেই পিটিশনে আদালত ‘নো অর্ডার’ দিয়েছে। অর্থাৎ, হাইকোর্টের জামিন বহাল আছে।
মামলা দুটির প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আজ তার দুটি মামলার আদেশ হয়েছে। এর একটি হলো আদাবর থানার একটি হত্যা মামলা, অপরটি যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলা। যাত্রাবাড়ী হত্যা মামলায় এফআইআরে তার নাম ছিল না, তবে আদাবরের মামলায় এফআইআরে নাম ছিল। আগের পাঁচটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৩০ মার্চ রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার এই দুই হত্যা মামলায় খায়রুল হককে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে গত ১২ মে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ এই দুই হত্যা মামলায় খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।
এদিকে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া হয়রানির উদ্দেশ্যে বারবার মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করেন খায়রুল হকের ছেলে আইনজীবী আশিক উল হক। ওই রিটের শুনানি নিয়ে গত ১৭ মে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতির তিন মামলা এবং দুদকের করা প্লট জালিয়াতির এক মামলাসহ মোট পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ওই দিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়, যার ফলে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।
অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর কয়েক দফায় তাকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে ধরিয়ে দিতে ও তার সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হিসাববিদদের ‘স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণ’ বা সেলফ-রেগুলেশনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১ ঘণ্টা আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার প্রতিবাদে মৌন মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’।
২ ঘণ্টা আগে
ভোরের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই মেহেরপুর শহরের উপকণ্ঠ বারাদির হাটে শুরু হয় কোলাহল। ব্ল্যাক বেঙ্গল, কোথাও খয়েরি বা বাদামি জাতের ছাগল। হাটে ছাগল বিক্রি করতে আসা কেউ খামারি, কেউ মৌসুমি ব্যাপারী, আবার কেউ সারা বছর সংসারের সঞ্চয় হিসেবে একটি-দুটি ছাগল লালন করা কৃষক।
২ ঘণ্টা আগে