স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা (৩২) নামে এক যুবককে নারায়ণগঞ্জ থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে পল্লবী থানার ১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশুর নাম লামিসা (৭)। সে তার বাবা আব্দুল হান্নান, মা ও নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া বড় বোনের সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশুটির বাবা মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান এলাকার একজন রিকশামিস্ত্রি। তাঁরা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর ওই ভবনে থাকতেন। একই ভবনের পাশের একটি ফ্ল্যাটে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে তাঁদের সুপরিচিত সম্পর্ক ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় পেরিয়ে গেলেও শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভবনের বিভিন্ন তলায় তল্লাশি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামিসাদের ফ্ল্যাটের ঠিক বিপরীত পাশের ফ্ল্যাটের সামনে তার একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন মা ও স্বজনরা।
ফ্ল্যাটটি ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ভবনের বাসিন্দারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিন কক্ষের ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে সন্দেহভাজন সোহেল তার স্ত্রীকে নিয়ে থাকত। সেই কক্ষের খাটের নিচে লামিসার রক্তাক্ত ও মাথাবিচ্ছিন্ন দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পল্লবী থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক আলামত ও তদন্তে জানা গেছে, পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল শিশুটিকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত সোহেল তার কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ধারণা করা হচ্ছে সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে যেকোনো সময় শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
পল্লবী থানার পুলিশ কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন জানান, শিশুটিকে হত্যার পর সোহেল ও তাঁর স্ত্রী বাসার ভেতর থেকে দরজা আটকে অবস্থান করছিলেন। বাইরে স্থানীয়দের হইচই ও খোঁজাখুঁজি শুরু হলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সোহেল ঘরের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে তাঁর স্ত্রীকে স্থানীয়রা আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে পুলিশ সোহেলের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সহায়তায় ফতুল্লা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে তাঁকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা পরিষ্কারভাবে জানা যাবে। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য এভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জাতীয় নারীশক্তির প্রতিবাদ
এদিকে, হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তি। মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এই প্রতিবাদ জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘর থেকে স্কুল—কোথাও শিশু ও নারীরা নিরাপদ নয়। এটি আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল। অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
সংগঠনটি দাবি করে, নিহত ও নির্যাতিত শিশুদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারগুলোকে আরও কার্যকর ও ভুক্তভোগীবান্ধব করার দাবি জানানো হয়।

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা (৩২) নামে এক যুবককে নারায়ণগঞ্জ থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে পল্লবী থানার ১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশুর নাম লামিসা (৭)। সে তার বাবা আব্দুল হান্নান, মা ও নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া বড় বোনের সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশুটির বাবা মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান এলাকার একজন রিকশামিস্ত্রি। তাঁরা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর ওই ভবনে থাকতেন। একই ভবনের পাশের একটি ফ্ল্যাটে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে তাঁদের সুপরিচিত সম্পর্ক ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় পেরিয়ে গেলেও শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভবনের বিভিন্ন তলায় তল্লাশি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামিসাদের ফ্ল্যাটের ঠিক বিপরীত পাশের ফ্ল্যাটের সামনে তার একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন মা ও স্বজনরা।
ফ্ল্যাটটি ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ভবনের বাসিন্দারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিন কক্ষের ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে সন্দেহভাজন সোহেল তার স্ত্রীকে নিয়ে থাকত। সেই কক্ষের খাটের নিচে লামিসার রক্তাক্ত ও মাথাবিচ্ছিন্ন দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পল্লবী থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক আলামত ও তদন্তে জানা গেছে, পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল শিশুটিকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত সোহেল তার কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ধারণা করা হচ্ছে সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে যেকোনো সময় শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
পল্লবী থানার পুলিশ কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন জানান, শিশুটিকে হত্যার পর সোহেল ও তাঁর স্ত্রী বাসার ভেতর থেকে দরজা আটকে অবস্থান করছিলেন। বাইরে স্থানীয়দের হইচই ও খোঁজাখুঁজি শুরু হলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সোহেল ঘরের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে তাঁর স্ত্রীকে স্থানীয়রা আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে পুলিশ সোহেলের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সহায়তায় ফতুল্লা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে তাঁকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা পরিষ্কারভাবে জানা যাবে। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য এভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জাতীয় নারীশক্তির প্রতিবাদ
এদিকে, হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তি। মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এই প্রতিবাদ জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘর থেকে স্কুল—কোথাও শিশু ও নারীরা নিরাপদ নয়। এটি আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির ফল। অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
সংগঠনটি দাবি করে, নিহত ও নির্যাতিত শিশুদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারগুলোকে আরও কার্যকর ও ভুক্তভোগীবান্ধব করার দাবি জানানো হয়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়। এক নারীর কান থেকে স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে পালাচ্ছিল এক যুবক। বিষয়টি দেখতে পেয়ে ধাওয়া করেন এক পুলিশ সার্জেন্ট। ধরেও ফেলেন যুবককে। তবে এক সহযোগীকে নিয়ে পুলিশ সদস্যকে আহত করে পালানোর চেষ্টা করেন ওই যুবক। শেষপর্যন্ত অবশ্য দুজনকেই আটক করা হয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২০ মে) ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালের প্রধান ভবনের তৃতীয় তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম উপকূলে নোঙর করা একটি জাহাজে ছুরি মেরে রাফিফং কালাহানকে (৩০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে সহকর্মীর বিরুদ্ধে। তিনি থাইল্যান্ডের নাগরিক এবং জাহাজটিতে অয়লার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে কর্মরত জুডিশিয়াল সার্ভিসের ১৫ জন কর্মকর্তা ও বিচারককে আইন ও বিচার বিভাগে ফেরত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁদের মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে