কোরবানি ঈদ আসতে আর বেশি দেরি নেই। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পশুর হাট জমতে শুরু করেছে। মানুষ নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা পশু কিনতে চান। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় গরুকে স্টেরয়েড বা হরমোন খাইয়ে দ্রুত মোটাতাজা করেন।
স্ট্রিম ডেস্ক

কোরবানি ঈদ আসতে আর বেশি দেরি নেই। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পশুর হাট জমতে শুরু করেছে। মানুষ নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা পশু কিনতে চান। কিন্তু হাটে গিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় গরুকে স্টেরয়েড বা হরমোন খাইয়ে দ্রুত মোটাতাজা করেন।
এসব ইনজেকশন বা ওষুধ পশুর জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি সেই মাংস আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। স্টেরয়েড খাওয়ানো গরু দেখে চেনার কিছু উপায় আছে।
স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গরু দেখতে আকর্ষণীয়, চকচকে ও হৃষ্টপুষ্ট লাগলেও সেগুলো আসলে মোটাতাজা হয় না। এসব গরুর শরীরে মাংসের চেয়ে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। তাই গরুর শরীর আলগা বা ফোলা মনে হয়। বিশেষ করে গরুর পেছনের রানের অংশটি বেশি ফোলা থাকে।
কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা গরুর শরীরের গঠন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এদের পিঠের ওপরের অংশ বা কুঁজ অনেক সময় অস্বাভাবিক ফুলে থাকে। কখনও কখনও পশুর চামড়া অনেক টানটান এবং চকচকে দেখাতে পারে। অনেকে মনে করেন চামড়া উজ্জ্বল হওয়া সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। আসলে হরমোনের প্রভাবে চামড়ার নিচে পানি জমে এমন উজ্জ্বল ভাব তৈরি হতে পারে।
গরু সুস্থ নাকি স্টেরয়েড খাওয়ানো তা বুঝতে আঙুলের চাপ বেশ কাজে লাগে। পশুর পেছনের রানের মাংসে বা পিঠের দিকে আঙুল দিয়ে জোরে চাপ দিন। যদি দেখেন আঙুল দেবে যাচ্ছে আর সেই গর্ত ভরাট হতে সময় লাগছে, তবে বুঝবেন সেই গরুর শরীরে কৃত্রিমভাবে পানি জমানো হয়েছে।
সুস্থ গরুর মাংসে চাপ দিলে তা দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসে। স্টেরয়েড খাওয়ানো পশুর কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে পশু শরীর থেকে পানি বের করতে পারে না। এই জমানো পানির কারণেই আঙুলের চাপে গর্ত তৈরি হয় এবং তা সহজে সারে না।
সুস্থ গরুর মধ্যে স্বাভাবিক চঞ্চলতা থাকে। সাধারণত হাটের ভিড়ের মধ্যে সুস্থ গরু কান নাড়াবে কিংবা লেজ দিয়ে মশা তাড়াবে। কেউ সামনে গেলে ভয় পাবে অথবা গুঁতো দেওয়ার চেষ্টা করবে। অন্যদিকে স্টেরয়েড খাওয়ানো গরু অলস আর নিস্তেজ প্রকৃতির হয়ে থাকে। এদের নড়াচড়া করার ক্ষমতাও কম যায়।
শরীরের অতিরিক্ত ওজনের কারণে এরা ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। যদি দেখেন কোনো বিশাল গরু একদম শান্ত হয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তবে সেই গরুকে আরও ভালোভাবে লক্ষ রাখুন। এর চালচলন খেয়াল করলে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
স্টেরয়েড খাওয়ানো গরুর ফুসফুসেও পানি জমতে পারে। এর ফলে গরুর অক্সিজেন নিতে সমস্যা হতে পারে। এ কারণে স্টেরয়েড খাওয়ানো গরু অনেকসময় জোরে জোরে হাঁপায়।
এ ছাড়া কৃত্রিমভাবে মোটা করা গরুর মুখ দিয়ে লালা বা ফেনা ঝরতে দেখা যায়। জাবর কাটার পরিমাণও এসব পশুর ক্ষেত্রে কম হয়। সুস্থ পশু কিছুক্ষণ পরপর জাবর কাটে। সুস্থ গরুর মুখ দিয়ে সাধারণত লালা বা ফেনা ঝরতে দেখা যায় না।
স্টেরয়েড খাওয়ানো গরুর খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। সুস্থ গরু সবসময় কিছু না কিছু খাওয়ার চেষ্টা করে বা খড় চিবোয়। পশুর শরীরের হাড়ের গঠন দেখেও রোগ চেনা যায়। প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজা গরুর পাঁজরের হাড় স্পষ্ট বোঝা না গেলেও হাত দিলে হাড়ের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।
কিন্তু স্টেরয়েড গরুর শরীরে এত বেশি পানি ও চর্বি জমে যে হাড়ের গঠন মেদ বা ফোলা ভাবের নিচে ঢাকা পড়ে যায়। বিশেষ করে এদের মেরুদণ্ডের হাড়ের ওপরের অংশ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

কোরবানি ঈদ আসতে আর বেশি দেরি নেই। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পশুর হাট জমতে শুরু করেছে। মানুষ নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা পশু কিনতে চান। কিন্তু হাটে গিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় গরুকে স্টেরয়েড বা হরমোন খাইয়ে দ্রুত মোটাতাজা করেন।
এসব ইনজেকশন বা ওষুধ পশুর জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি সেই মাংস আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। স্টেরয়েড খাওয়ানো গরু দেখে চেনার কিছু উপায় আছে।
স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গরু দেখতে আকর্ষণীয়, চকচকে ও হৃষ্টপুষ্ট লাগলেও সেগুলো আসলে মোটাতাজা হয় না। এসব গরুর শরীরে মাংসের চেয়ে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। তাই গরুর শরীর আলগা বা ফোলা মনে হয়। বিশেষ করে গরুর পেছনের রানের অংশটি বেশি ফোলা থাকে।
কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা গরুর শরীরের গঠন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এদের পিঠের ওপরের অংশ বা কুঁজ অনেক সময় অস্বাভাবিক ফুলে থাকে। কখনও কখনও পশুর চামড়া অনেক টানটান এবং চকচকে দেখাতে পারে। অনেকে মনে করেন চামড়া উজ্জ্বল হওয়া সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। আসলে হরমোনের প্রভাবে চামড়ার নিচে পানি জমে এমন উজ্জ্বল ভাব তৈরি হতে পারে।
গরু সুস্থ নাকি স্টেরয়েড খাওয়ানো তা বুঝতে আঙুলের চাপ বেশ কাজে লাগে। পশুর পেছনের রানের মাংসে বা পিঠের দিকে আঙুল দিয়ে জোরে চাপ দিন। যদি দেখেন আঙুল দেবে যাচ্ছে আর সেই গর্ত ভরাট হতে সময় লাগছে, তবে বুঝবেন সেই গরুর শরীরে কৃত্রিমভাবে পানি জমানো হয়েছে।
সুস্থ গরুর মাংসে চাপ দিলে তা দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসে। স্টেরয়েড খাওয়ানো পশুর কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে পশু শরীর থেকে পানি বের করতে পারে না। এই জমানো পানির কারণেই আঙুলের চাপে গর্ত তৈরি হয় এবং তা সহজে সারে না।
সুস্থ গরুর মধ্যে স্বাভাবিক চঞ্চলতা থাকে। সাধারণত হাটের ভিড়ের মধ্যে সুস্থ গরু কান নাড়াবে কিংবা লেজ দিয়ে মশা তাড়াবে। কেউ সামনে গেলে ভয় পাবে অথবা গুঁতো দেওয়ার চেষ্টা করবে। অন্যদিকে স্টেরয়েড খাওয়ানো গরু অলস আর নিস্তেজ প্রকৃতির হয়ে থাকে। এদের নড়াচড়া করার ক্ষমতাও কম যায়।
শরীরের অতিরিক্ত ওজনের কারণে এরা ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। যদি দেখেন কোনো বিশাল গরু একদম শান্ত হয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তবে সেই গরুকে আরও ভালোভাবে লক্ষ রাখুন। এর চালচলন খেয়াল করলে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
স্টেরয়েড খাওয়ানো গরুর ফুসফুসেও পানি জমতে পারে। এর ফলে গরুর অক্সিজেন নিতে সমস্যা হতে পারে। এ কারণে স্টেরয়েড খাওয়ানো গরু অনেকসময় জোরে জোরে হাঁপায়।
এ ছাড়া কৃত্রিমভাবে মোটা করা গরুর মুখ দিয়ে লালা বা ফেনা ঝরতে দেখা যায়। জাবর কাটার পরিমাণও এসব পশুর ক্ষেত্রে কম হয়। সুস্থ পশু কিছুক্ষণ পরপর জাবর কাটে। সুস্থ গরুর মুখ দিয়ে সাধারণত লালা বা ফেনা ঝরতে দেখা যায় না।
স্টেরয়েড খাওয়ানো গরুর খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। সুস্থ গরু সবসময় কিছু না কিছু খাওয়ার চেষ্টা করে বা খড় চিবোয়। পশুর শরীরের হাড়ের গঠন দেখেও রোগ চেনা যায়। প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজা গরুর পাঁজরের হাড় স্পষ্ট বোঝা না গেলেও হাত দিলে হাড়ের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।
কিন্তু স্টেরয়েড গরুর শরীরে এত বেশি পানি ও চর্বি জমে যে হাড়ের গঠন মেদ বা ফোলা ভাবের নিচে ঢাকা পড়ে যায়। বিশেষ করে এদের মেরুদণ্ডের হাড়ের ওপরের অংশ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ বা কিশোর অ্যাকাউন্ট চালুর মাধ্যমে একটি আলাদা সুরক্ষাবলয় তৈরির কাজ শুরু করেছে মেটা। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তারা কঠোরভাবে নজর দিচ্ছে যাতে ১৩ বছরের কম বয়সী কেউ ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্মাতা মিথুন জামানের রচনা ও পরিচালনায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নুড়ি’ ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের ‘শর্ট ফিল্ম কর্নার–সিনেমা দ্য দোমাঁ’ বিভাগের মার্কেট ক্যাটালগে স্থান করে নিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বাবুর্চি, ফটো এডিটিং, শিক্ষকতা থেকে দেশের স্বাধীনতার নায়ক—এক জীবনে সবই করেছেন হো চি মিন। ছোটবেলা থেকেই পরাধীনতার শিকল থেকে মুক্ত হতে ছুটে বেড়িয়েছেন পৃথিবীব্যাপী। বৈচিত্র্যময় এক জীবন কাটানো এই বিপ্লবী নেতার জন্মদিন ১৯ মে।
৭ ঘণ্টা আগে
গলির মোড়ে বা রাস্তার পাশে শিশুরা বিড়ালছানাকে লাঠি দিয়ে তাড়া করছে, কিংবা কুকুরের লেজ ধরে টানছে—এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। আমরা অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে ভাবি, ছোট মানুষ একটু দুষ্টুমি বা খেলা করছে। কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে, এমন আচরণ দেখলে সব সময় এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। শিশুদের এই প্রবণতা কোনো সাধারণ
১ দিন আগে