স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং পৃথক অস্ত্র মামলায় ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘিরে আদালত এলাকায় সাধারণ মানুষ ছাড়াও নিহত সেনা কর্মকর্তার স্বজনরা হাজির হন। আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রায়ের পর আসামিদের আদালত ভবন থেকে প্রিজন ভ্যানে কড়া পাহারায় কারাগারে নেওয়া হয়।
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব ডুমখালী এলাকার জাফর আলমের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন, আবদুল মালেকের ছেলে নাছির উদ্দিন, আবুল কালাম কবিরাজের ছেলে মোর্শেদ আলম এবং একই ইউনিয়নের রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন। তাঁদের মধ্যে মোর্শেদ আলম পলাতক রয়েছেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ জন হলেন চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে জালাল উদ্দিন, ভরামুহুরী এলাকার মো. আনোয়ার হাকিম, চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উচিতার বিল এলাকার মৃত শহর মুল্লুকের ছেলে মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার মোজাফফর আহমদের ছেলে জিয়াবুল করিম, নুরুল আলমের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন, মৃত নুরুল আলমের ছেলে এনামুল হক, পূর্ব ডুমখালী এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ এনাম, রংমহল এলাকার নুর আলমের ছেলে মো. কামাল এবং ছগিরশাহ কাটা এলাকার গোলাম কাদেরের ছেলে আবদুল করিম।
এ ছাড়া অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনসহ মোট ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রায়ে নিহত সেনা কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (অতিরিক্ত পিপি) খুরশিদ আলম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত রায় দিয়েছেন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র মামলায় কয়েক আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন রায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে মারা যান তানজিম সারোয়ার নির্জন। মাত্র ২৩ বছর বয়সী এই সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একই ঘটনায় চকরিয়া থানার এসআই আলমগীর হোসেন অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ দুই মামলায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে এজাহারভুক্ত কয়েকজনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হয় এবং নতুন কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হলেন– জালাল উদ্দিন ওরফে বাবুল, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, আনোয়ার হাকিম, জিয়াবুল করিম, ইসমাইল হোসেন, নুরুল আমিন, নাছির উদ্দিন, আব্দুল করিম, মোহাম্মদ সাদেক, আনোয়ারুল ইসলাম, মোরশেদ আলম, শাহ আলম, আবু হানিফ, এনামুল হক ওরফে তোতলা এনাম, মো. এনাম, কামাল ওরফে ভেন্ডি কামাল ও মিনহাজ উদ্দিন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কাদের মৃত্যুদণ্ডসহ অন্যান্য সাজা দেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং পৃথক অস্ত্র মামলায় ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘিরে আদালত এলাকায় সাধারণ মানুষ ছাড়াও নিহত সেনা কর্মকর্তার স্বজনরা হাজির হন। আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রায়ের পর আসামিদের আদালত ভবন থেকে প্রিজন ভ্যানে কড়া পাহারায় কারাগারে নেওয়া হয়।
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব ডুমখালী এলাকার জাফর আলমের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন, আবদুল মালেকের ছেলে নাছির উদ্দিন, আবুল কালাম কবিরাজের ছেলে মোর্শেদ আলম এবং একই ইউনিয়নের রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন। তাঁদের মধ্যে মোর্শেদ আলম পলাতক রয়েছেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ জন হলেন চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে জালাল উদ্দিন, ভরামুহুরী এলাকার মো. আনোয়ার হাকিম, চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উচিতার বিল এলাকার মৃত শহর মুল্লুকের ছেলে মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার মোজাফফর আহমদের ছেলে জিয়াবুল করিম, নুরুল আলমের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন, মৃত নুরুল আলমের ছেলে এনামুল হক, পূর্ব ডুমখালী এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ এনাম, রংমহল এলাকার নুর আলমের ছেলে মো. কামাল এবং ছগিরশাহ কাটা এলাকার গোলাম কাদেরের ছেলে আবদুল করিম।
এ ছাড়া অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনসহ মোট ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রায়ে নিহত সেনা কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (অতিরিক্ত পিপি) খুরশিদ আলম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত রায় দিয়েছেন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র মামলায় কয়েক আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন রায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে মারা যান তানজিম সারোয়ার নির্জন। মাত্র ২৩ বছর বয়সী এই সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একই ঘটনায় চকরিয়া থানার এসআই আলমগীর হোসেন অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ দুই মামলায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে এজাহারভুক্ত কয়েকজনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হয় এবং নতুন কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হলেন– জালাল উদ্দিন ওরফে বাবুল, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, আনোয়ার হাকিম, জিয়াবুল করিম, ইসমাইল হোসেন, নুরুল আমিন, নাছির উদ্দিন, আব্দুল করিম, মোহাম্মদ সাদেক, আনোয়ারুল ইসলাম, মোরশেদ আলম, শাহ আলম, আবু হানিফ, এনামুল হক ওরফে তোতলা এনাম, মো. এনাম, কামাল ওরফে ভেন্ডি কামাল ও মিনহাজ উদ্দিন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কাদের মৃত্যুদণ্ডসহ অন্যান্য সাজা দেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে ধরিয়ে দিতে ও তার সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
২২ মিনিট আগে
আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হিসাববিদদের ‘স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণ’ বা সেলফ-রেগুলেশনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২৯ মিনিট আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার প্রতিবাদে মৌন মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’।
৪০ মিনিট আগে
ভোরের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই মেহেরপুর শহরের উপকণ্ঠ বারাদির হাটে শুরু হয় কোলাহল। ব্ল্যাক বেঙ্গল, কোথাও খয়েরি বা বাদামি জাতের ছাগল। হাটে ছাগল বিক্রি করতে আসা কেউ খামারি, কেউ মৌসুমি ব্যাপারী, আবার কেউ সারা বছর সংসারের সঞ্চয় হিসেবে একটি-দুটি ছাগল লালন করা কৃষক।
৪১ মিনিট আগে