কাজী নিশাত তাবাসসুম

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আবারও ফার্নেস তেলের দাম বাড়িয়েছে। সম্প্রতি সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এই জ্বালানির মূল্য লিটারপ্রতি প্রায় ১৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসেও এক দফা দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফলে কয়েক মাসের ব্যবধানে ফার্নেস তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
ফার্নেস তেল হলো ভারী ধরনের জ্বালানি তেল। এটি মূলত অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল পরিশোধনের পর অবশিষ্ট ভারী অংশ থেকে তৈরি হয়। সাধারণ ডিজেল বা অকটেনের তুলনায় এটি ঘন ও কম পরিশোধিত।
বাংলাদেশে প্রধানত তিন ক্ষেত্রে ফার্নেস তেল ব্যবহৃত হয়। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে, শিল্পকারখানা ও মানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টের বয়লার বাষ্প তৈরিতে এবং গ্যাস বা কয়লার বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন শিল্পকারখানার বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এছাড়াও বড় জাহাজ ও শিল্পচালিত যন্ত্রের জ্বালানি হিসেবে ফার্নেস তেল ব্যবহার করা হয়।
তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ খাতে। বিশেষ করে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অনেক বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ফার্নেস তেলের ওপর নির্ভরশীল।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হলে সরকার বিকল্প হিসেবে ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালায়। কারণ এসব কেন্দ্র দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। তবে সমস্যা একটাই, এই জ্বালানির খরচ অনেক বেশি হয়।
সর্বশেষ ঘোষণায় ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটার ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা থেকে বেড়ে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা হয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসে এক দফায় দাম বেড়েছিল ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা।
গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার দাম কমিয়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দর কম থাকায় প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ৮৬ টাকা থেকে নামিয়ে ৭০ টাকা ১০ পয়সা করা হয়েছিল।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় ও আমদানি খরচ বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ নিজস্ব চাহিদা মেটাতে এখনো পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল উৎপাদন করতে পারে না। ফলে বিদেশ থেকে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে তেল আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে দেশের বাজারেও চাপ পড়ে।
বিশ্ববাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, ডলারের বিপরীতে বিভিন্ন মুদ্রার দুর্বলতা এবং বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও শিল্পে জ্বালানির বাড়তি চাহিদা।
সরকারের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ভর্তুকি দিয়ে কম দামে তেল সরবরাহ করেছে। এতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থাগুলো আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসনির্ভর কেন্দ্রের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফার্নেস তেলচালিত কেন্দ্র রয়েছে। ফলে তেলের দাম বাড়লে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে তিন ধরনের প্রভাব দেখা দিতে পারে। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি।
সরকারকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। এতে ভর্তুকির চাপ বাড়বে। যদি সরকার ভর্তুকি কমাতে চায়, তাহলে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। খরচ বেশি হওয়ায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র কম পরিচালনার ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় জ্বালানি বিশ্লেষকেরা বলেছেন, যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও বাড়বে। এ ছাড়া একই ধরনের বিশ্লেষণ এসেছে আরেকটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের ভিডিও আলোচনায়। সেখানে জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে এবং বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ফার্নেস তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু বিদ্যুৎ খরচের ওপর নয় বরং পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়লে উৎপাদিত পণ্যের দামও বাড়তে পারে। এতে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়।
বিশেষ করে শিল্পপণ্যের উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, পরিবহন খরচ বাড়ার ঝুঁকি থাকে ও খাদ্য ও নিত্যপণ্যের দামেও প্রভাব পড়তে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আলোচনায় অনেকেই আশঙ্কা করছেন, জ্বালানি ব্যয় বাড়লে আবারও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল না হলে বাংলাদেশেও জ্বালানির দাম ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। কারণ এখন সরকার ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক বাজারভিত্তিক মূল্য সমন্বয় নীতির দিকে যাচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে দেশের বাজারেও দ্রুত প্রভাব পড়বে।
ফলে অর্থনৈতিক বাস্তবতায়, ফার্নেস তেলের দাম শুধু জ্বালানি পণ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয় নয়। এটি এখন বিদ্যুৎ, শিল্প, মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক অর্থনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আবারও ফার্নেস তেলের দাম বাড়িয়েছে। সম্প্রতি সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এই জ্বালানির মূল্য লিটারপ্রতি প্রায় ১৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসেও এক দফা দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফলে কয়েক মাসের ব্যবধানে ফার্নেস তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
ফার্নেস তেল হলো ভারী ধরনের জ্বালানি তেল। এটি মূলত অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল পরিশোধনের পর অবশিষ্ট ভারী অংশ থেকে তৈরি হয়। সাধারণ ডিজেল বা অকটেনের তুলনায় এটি ঘন ও কম পরিশোধিত।
বাংলাদেশে প্রধানত তিন ক্ষেত্রে ফার্নেস তেল ব্যবহৃত হয়। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে, শিল্পকারখানা ও মানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টের বয়লার বাষ্প তৈরিতে এবং গ্যাস বা কয়লার বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন শিল্পকারখানার বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এছাড়াও বড় জাহাজ ও শিল্পচালিত যন্ত্রের জ্বালানি হিসেবে ফার্নেস তেল ব্যবহার করা হয়।
তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ খাতে। বিশেষ করে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অনেক বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ফার্নেস তেলের ওপর নির্ভরশীল।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হলে সরকার বিকল্প হিসেবে ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালায়। কারণ এসব কেন্দ্র দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। তবে সমস্যা একটাই, এই জ্বালানির খরচ অনেক বেশি হয়।
সর্বশেষ ঘোষণায় ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটার ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা থেকে বেড়ে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা হয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসে এক দফায় দাম বেড়েছিল ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা।
গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার দাম কমিয়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দর কম থাকায় প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ৮৬ টাকা থেকে নামিয়ে ৭০ টাকা ১০ পয়সা করা হয়েছিল।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় ও আমদানি খরচ বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ নিজস্ব চাহিদা মেটাতে এখনো পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল উৎপাদন করতে পারে না। ফলে বিদেশ থেকে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে তেল আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে দেশের বাজারেও চাপ পড়ে।
বিশ্ববাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, ডলারের বিপরীতে বিভিন্ন মুদ্রার দুর্বলতা এবং বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও শিল্পে জ্বালানির বাড়তি চাহিদা।
সরকারের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ভর্তুকি দিয়ে কম দামে তেল সরবরাহ করেছে। এতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থাগুলো আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসনির্ভর কেন্দ্রের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফার্নেস তেলচালিত কেন্দ্র রয়েছে। ফলে তেলের দাম বাড়লে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে তিন ধরনের প্রভাব দেখা দিতে পারে। যেমন: বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি।
সরকারকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। এতে ভর্তুকির চাপ বাড়বে। যদি সরকার ভর্তুকি কমাতে চায়, তাহলে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। খরচ বেশি হওয়ায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র কম পরিচালনার ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় জ্বালানি বিশ্লেষকেরা বলেছেন, যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও বাড়বে। এ ছাড়া একই ধরনের বিশ্লেষণ এসেছে আরেকটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের ভিডিও আলোচনায়। সেখানে জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে এবং বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ফার্নেস তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু বিদ্যুৎ খরচের ওপর নয় বরং পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়লে উৎপাদিত পণ্যের দামও বাড়তে পারে। এতে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়।
বিশেষ করে শিল্পপণ্যের উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, পরিবহন খরচ বাড়ার ঝুঁকি থাকে ও খাদ্য ও নিত্যপণ্যের দামেও প্রভাব পড়তে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আলোচনায় অনেকেই আশঙ্কা করছেন, জ্বালানি ব্যয় বাড়লে আবারও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল না হলে বাংলাদেশেও জ্বালানির দাম ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। কারণ এখন সরকার ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক বাজারভিত্তিক মূল্য সমন্বয় নীতির দিকে যাচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে দেশের বাজারেও দ্রুত প্রভাব পড়বে।
ফলে অর্থনৈতিক বাস্তবতায়, ফার্নেস তেলের দাম শুধু জ্বালানি পণ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয় নয়। এটি এখন বিদ্যুৎ, শিল্প, মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক অর্থনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।

সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের দুটি উপজেলার ভারত-সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ২১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশইনের (ঠেলে দেওয়া) চেষ্টা করে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তীব্র বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখায় অবরুদ্ধ থাকার পর বিএসএফ তাদের ভারতের অ
১৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই উন্মাদনা আর নতুনত্বের ছোঁয়া। ২০২৬ বিশ্বকাপও ব্যতিক্রম নয়। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক দল এবার অংশ নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে এই ৩৯ দিনের মহাযজ্ঞের আয়োজন করছে।
২০ ঘণ্টা আগে
আমাদের দেশে বিয়ের ক্ষেত্রে স্বামী সাধারণত স্ত্রীর চেয়ে বয়সে বড় হন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, শুধু বয়সে বড় হওয়াই নয়, অনেক ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান ১০ বছর বা তারও বেশি দেখা যাচ্ছে। আর এক যুগের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই ধরনের বড় বয়সের ব্যবধান আগের তুলনায় বেড়েছে।
২ দিন আগে
দিল্লির যন্তর মন্তরে হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান। তবে এই প্রতিবাদ কোনো পরিচিত রাজনৈতিক দলের নয়। নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন, যার জন্ম সোশ্যাল মিডিয়ায়।
২ দিন আগে