১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ বা কিশোর অ্যাকাউন্ট চালুর মাধ্যমে একটি আলাদা সুরক্ষাবলয় তৈরির কাজ শুরু করেছে মেটা। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তারা কঠোরভাবে নজর দিচ্ছে যাতে ১৩ বছরের কম বয়সী কেউ ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে।
স্ট্রিম ডেস্ক

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোতে কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। সন্তানদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেটার ওপর চাপও বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
এই প্রেক্ষাপটে মেটা সম্প্রতি এমন কিছু নতুন ফিচারের ঘোষণা দিয়েছে, যা অভিভাবকদের জন্য সন্তানদের অনলাইন কর্মকাণ্ডের ওপর আরও বেশি নজরদারির সুযোগ করে দেবে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ বা কিশোর অ্যাকাউন্ট চালুর মাধ্যমে একটি আলাদা সুরক্ষাবলয় তৈরির কাজ শুরু করেছে মেটা। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তারা কঠোরভাবে নজর দিচ্ছে যাতে ১৩ বছরের কম বয়সী কেউ ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে।
মেটা এখন ব্যবহারকারীদের সঠিক বয়স শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে। এই বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর আপলোড করা ছবি ও ভিডিওর কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যেমন উচ্চতা বা হাড়ের গঠন বিশ্লেষণ করে বয়স অনুমান করার চেষ্টা করবে। শুধু ছবি নয়, ব্যবহারকারীর প্রোফাইল বায়ো, ছবির ক্যাপশন এবং কমেন্টগুলোও স্ক্যান করবে এই এআই। সেখানে যদি জন্মদিন পালন কিংবা স্কুলের গ্রেড নিয়ে কোনো কথা থাকে, তবে তা দেখে বয়স আন্দাজ করা হবে। যদি মেটা মনে করে যে কোনো ব্যবহারকারীর বয়স ১৩ বছরের কম, তবে তার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তবে এই প্রযুক্তির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। কিশোর-কিশোরীরা যদি বড়দের মতো কনটেন্ট পোস্ট করে এআই-কে ফাঁকি দেয়, তবে তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এই শঙ্কা কাটাতে মেটা রিপোর্ট করার ব্যবস্থাকে আরও সহজ করেছে।
এখন কেউ যদি দেখেন যে কোনো শিশু ১৩ বছরের কম বয়সেও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে, তবে খুব সহজেই মেটাকে তা জানানো যাবে। এআই এবং মেটার কর্মীরা মিলে এই রিপোর্টগুলো যাচাই করবেন। তবে মেটা এ-ও জানিয়েছে যে, যদি ভুলবশত কারো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়, তবে তারা নিজেদের সঠিক বয়স প্রমাণের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টটি ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
অভিভাবকদের সুবিধার্থে মেটা ‘ফ্যামিলি সেন্টার’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যেখানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারের সব তদারকি টুলগুলো এক জায়গায় পাওয়া যাবে। এখান থেকে সন্তানরা অনলাইনে কোন বিষয়গুলোতে (যেমন ফটোগ্রাফি, খেলাধুলা বা রূপচর্চা) আগ্রহ দেখাচ্ছে, তার নোটিফিকেশন পাবেন অভিভাবকরা। যদিও এখন সব দেশের ব্যবহারকারীরা এখনও এই সেবা পাননি।
মেটা মনে করে, এতে মা-বাবারা জানতে পারবেন তাদের সন্তানরা কী দেখছে এবং সেই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের সাথে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পাবেন। তবে এখানে একটি বড় শর্ত আছে; এই তদারকি ব্যবস্থা নিজে থেকে শুরু হবে না। অভিভাবকদের প্রথমে তাদের সন্তানদের কাছে তদারকির অনুরোধ পাঠাতে হবে এবং সন্তান সেই অনুরোধ গ্রহণ করলেই কেবল মা-বাবারা তথ্যগুলো দেখতে পারবেন।
এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি যে, অনেক কিশোর-কিশোরী তাদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য মা-বাবার নজরদারিতে থাকতে রাজি নাও হতে পারে। এছাড়া মেটা জানিয়েছে, অনেক সময় সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও অনেক অভিভাবক তা ব্যবহার করেন না।
সন্তানদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে মেটার এই ফিচারগুলো তখনই সফল হবে, যখন অভিভাবকরা নিজেরা সচেতন হবেন এবং সন্তানদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করবেন। মেটার এই নতুন পদ্ধতিগুলো চমৎকার হলেও, কিশোর-কিশোরীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের ঝোঁক এবং এআই-এর সীমাবদ্ধতার কারণে এটি পুরোপুরি নিখুঁত সমাধান নাও হতে পারে।

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোতে কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। সন্তানদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেটার ওপর চাপও বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
এই প্রেক্ষাপটে মেটা সম্প্রতি এমন কিছু নতুন ফিচারের ঘোষণা দিয়েছে, যা অভিভাবকদের জন্য সন্তানদের অনলাইন কর্মকাণ্ডের ওপর আরও বেশি নজরদারির সুযোগ করে দেবে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য ‘টিন অ্যাকাউন্ট’ বা কিশোর অ্যাকাউন্ট চালুর মাধ্যমে একটি আলাদা সুরক্ষাবলয় তৈরির কাজ শুরু করেছে মেটা। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তারা কঠোরভাবে নজর দিচ্ছে যাতে ১৩ বছরের কম বয়সী কেউ ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে।
মেটা এখন ব্যবহারকারীদের সঠিক বয়স শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে। এই বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর আপলোড করা ছবি ও ভিডিওর কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যেমন উচ্চতা বা হাড়ের গঠন বিশ্লেষণ করে বয়স অনুমান করার চেষ্টা করবে। শুধু ছবি নয়, ব্যবহারকারীর প্রোফাইল বায়ো, ছবির ক্যাপশন এবং কমেন্টগুলোও স্ক্যান করবে এই এআই। সেখানে যদি জন্মদিন পালন কিংবা স্কুলের গ্রেড নিয়ে কোনো কথা থাকে, তবে তা দেখে বয়স আন্দাজ করা হবে। যদি মেটা মনে করে যে কোনো ব্যবহারকারীর বয়স ১৩ বছরের কম, তবে তার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তবে এই প্রযুক্তির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। কিশোর-কিশোরীরা যদি বড়দের মতো কনটেন্ট পোস্ট করে এআই-কে ফাঁকি দেয়, তবে তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এই শঙ্কা কাটাতে মেটা রিপোর্ট করার ব্যবস্থাকে আরও সহজ করেছে।
এখন কেউ যদি দেখেন যে কোনো শিশু ১৩ বছরের কম বয়সেও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে, তবে খুব সহজেই মেটাকে তা জানানো যাবে। এআই এবং মেটার কর্মীরা মিলে এই রিপোর্টগুলো যাচাই করবেন। তবে মেটা এ-ও জানিয়েছে যে, যদি ভুলবশত কারো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়, তবে তারা নিজেদের সঠিক বয়স প্রমাণের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টটি ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
অভিভাবকদের সুবিধার্থে মেটা ‘ফ্যামিলি সেন্টার’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যেখানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারের সব তদারকি টুলগুলো এক জায়গায় পাওয়া যাবে। এখান থেকে সন্তানরা অনলাইনে কোন বিষয়গুলোতে (যেমন ফটোগ্রাফি, খেলাধুলা বা রূপচর্চা) আগ্রহ দেখাচ্ছে, তার নোটিফিকেশন পাবেন অভিভাবকরা। যদিও এখন সব দেশের ব্যবহারকারীরা এখনও এই সেবা পাননি।
মেটা মনে করে, এতে মা-বাবারা জানতে পারবেন তাদের সন্তানরা কী দেখছে এবং সেই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের সাথে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পাবেন। তবে এখানে একটি বড় শর্ত আছে; এই তদারকি ব্যবস্থা নিজে থেকে শুরু হবে না। অভিভাবকদের প্রথমে তাদের সন্তানদের কাছে তদারকির অনুরোধ পাঠাতে হবে এবং সন্তান সেই অনুরোধ গ্রহণ করলেই কেবল মা-বাবারা তথ্যগুলো দেখতে পারবেন।
এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি যে, অনেক কিশোর-কিশোরী তাদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য মা-বাবার নজরদারিতে থাকতে রাজি নাও হতে পারে। এছাড়া মেটা জানিয়েছে, অনেক সময় সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও অনেক অভিভাবক তা ব্যবহার করেন না।
সন্তানদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে মেটার এই ফিচারগুলো তখনই সফল হবে, যখন অভিভাবকরা নিজেরা সচেতন হবেন এবং সন্তানদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করবেন। মেটার এই নতুন পদ্ধতিগুলো চমৎকার হলেও, কিশোর-কিশোরীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের ঝোঁক এবং এআই-এর সীমাবদ্ধতার কারণে এটি পুরোপুরি নিখুঁত সমাধান নাও হতে পারে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৩ ঘণ্টা আগে