স্ট্রিম সংবাদদাতা

ভোরের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই মেহেরপুর শহরের উপকণ্ঠ বারাদির হাটে শুরু হয় কোলাহল। ব্ল্যাক বেঙ্গল, কোথাও খয়েরি বা বাদামি জাতের ছাগল। হাটে ছাগল বিক্রি করতে আসা কেউ খামারি, কেউ মৌসুমি ব্যাপারী, আবার কেউ সারা বছর সংসারের সঞ্চয় হিসেবে একটি-দুটি ছাগল লালন করা কৃষক।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বড় ছাগলের বাজার বারাদি। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে মেহেরপুর জেলা সদরের এই হাটে জমে উঠেছে কোটি টাকার বেচাকেনা।
জেলা পরিষদ নিয়ন্ত্রিত হাট ঘুরে দেখা যায়, একদিকে দরদাম হচ্ছে, অন্যদিকে খদ্দেরের চোখে মাংসের হিসাব। কোথাও আবার ছাগলের দাঁত, পিঠ, বুক আর পায়ের গঠন দেখে দাম হাঁকাচ্ছেন অভিজ্ঞ ব্যাপারীরা। ছাগলের ডাক, মানুষের হাঁকডাক আর ট্রাক-পিকআপের শব্দে পুরো এলাকা জমজমাট।
ঢাকার ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম তিন সহযোগীকে নিয়ে কয়েক বছর ধরে এই হাটে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি হাট থেকে দেড়-দুইশ ছাগল কিনে ঢাকায় নিয়ে যাই। বারাদি হাট আমাদের আয়ের প্রধান উৎস। এখানে সব ধরনের ছাগল পাওয়া যায় বলে পছন্দমতো কেনা যায়।’
তিনি জানান, ঈদের আগে বড় আকারের ও ব্যতিক্রমী ছাগলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে জোড়া ছাগলের আলাদা বাজার তৈরি হয়েছে।
আলমপুর গ্রামের ব্যাপারী কমর উদ্দিন ৪০ কেজি করে ওজনের দুটি খয়েরি রঙের ছাগল তুলেছিলেন হাটে। ছাগল দুটি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেন ঢাকার ব্যবসায়ী রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, শুধু মাংসের হিসাব নয়, কোরবানিতে আকর্ষণীয় ছাগলের আলাদা চাহিদা আছে। চট্টগ্রামের বাজারে এক লাখ টাকায় বিক্রি করার আশা করছেন তিনি। এখানে প্রতি হাটেই কোটি টাকার বেচাকেনা হয়।
হাটের ইজারাদার আজমল হোসেন মিন্টু জানান, ঈদ সামনে রেখে প্রতি হাটে ৬ থেকে ৭ হাজার ছাগল-ভেড়া আসে। এর মধ্যে বিক্রি হয় প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার। তিনি বলেন, প্রতি ছাগলের জন্য ক্রেতার কাছ থেকে ২৫০ টাকা ইজারা নেওয়া হয়।
বিশ্বখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গলের রাজধানী যেন বারাদি। দ্রুত বংশবৃদ্ধি, কম খাবারে বেড়ে ওঠা, ঘন ও সুস্বাদু মাংস এবং উন্নতমানের চামড়ার জন্য ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিচিত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তাই ঈদের আগে ভিড় করেন মেহেরপুরের বারাদি হাটে। খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বড় ছাগলের হাট হিসেবে পরিচিত এই বাজারে সপ্তাহে দুদিন—শনিবার ও বুধবার বসে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, মেহেরপুরে এবার কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬০ হাজার ৪৯০টি ছাগল। জেলার ৫৩০টি ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি পারিবারিক পর্যায়েও ব্যাপকভাবে ছাগল পালন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জেলার প্রায় ৪৫ শতাংশ পরিবার অন্তত একটি করে ছাগল পালন করে। অনেকের কাছে এই ছাগলই দুঃসময়ের সঞ্চয়, ‘গরিবের গাভী’।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, জেলায় কোরবানিযোগ্য ছাগলের চাহিদা ৪৭ হাজার ৫৩০টি হলেও প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ছাগল ও ভেড়া। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার ভেড়া রয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, মেহেরপুরের এবার পারিবারিকভাবে ও খামারে মিলে ৬০ হাজার ৪৯০টি ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে। গড়ে ১৬ হাজার টাকা মূল্য ধরলেও প্রায় ১০০ কোটি টাকার বেচাকেনা হবে।

ভোরের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই মেহেরপুর শহরের উপকণ্ঠ বারাদির হাটে শুরু হয় কোলাহল। ব্ল্যাক বেঙ্গল, কোথাও খয়েরি বা বাদামি জাতের ছাগল। হাটে ছাগল বিক্রি করতে আসা কেউ খামারি, কেউ মৌসুমি ব্যাপারী, আবার কেউ সারা বছর সংসারের সঞ্চয় হিসেবে একটি-দুটি ছাগল লালন করা কৃষক।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বড় ছাগলের বাজার বারাদি। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে মেহেরপুর জেলা সদরের এই হাটে জমে উঠেছে কোটি টাকার বেচাকেনা।
জেলা পরিষদ নিয়ন্ত্রিত হাট ঘুরে দেখা যায়, একদিকে দরদাম হচ্ছে, অন্যদিকে খদ্দেরের চোখে মাংসের হিসাব। কোথাও আবার ছাগলের দাঁত, পিঠ, বুক আর পায়ের গঠন দেখে দাম হাঁকাচ্ছেন অভিজ্ঞ ব্যাপারীরা। ছাগলের ডাক, মানুষের হাঁকডাক আর ট্রাক-পিকআপের শব্দে পুরো এলাকা জমজমাট।
ঢাকার ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম তিন সহযোগীকে নিয়ে কয়েক বছর ধরে এই হাটে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি হাট থেকে দেড়-দুইশ ছাগল কিনে ঢাকায় নিয়ে যাই। বারাদি হাট আমাদের আয়ের প্রধান উৎস। এখানে সব ধরনের ছাগল পাওয়া যায় বলে পছন্দমতো কেনা যায়।’
তিনি জানান, ঈদের আগে বড় আকারের ও ব্যতিক্রমী ছাগলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে জোড়া ছাগলের আলাদা বাজার তৈরি হয়েছে।
আলমপুর গ্রামের ব্যাপারী কমর উদ্দিন ৪০ কেজি করে ওজনের দুটি খয়েরি রঙের ছাগল তুলেছিলেন হাটে। ছাগল দুটি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেন ঢাকার ব্যবসায়ী রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, শুধু মাংসের হিসাব নয়, কোরবানিতে আকর্ষণীয় ছাগলের আলাদা চাহিদা আছে। চট্টগ্রামের বাজারে এক লাখ টাকায় বিক্রি করার আশা করছেন তিনি। এখানে প্রতি হাটেই কোটি টাকার বেচাকেনা হয়।
হাটের ইজারাদার আজমল হোসেন মিন্টু জানান, ঈদ সামনে রেখে প্রতি হাটে ৬ থেকে ৭ হাজার ছাগল-ভেড়া আসে। এর মধ্যে বিক্রি হয় প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার। তিনি বলেন, প্রতি ছাগলের জন্য ক্রেতার কাছ থেকে ২৫০ টাকা ইজারা নেওয়া হয়।
বিশ্বখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গলের রাজধানী যেন বারাদি। দ্রুত বংশবৃদ্ধি, কম খাবারে বেড়ে ওঠা, ঘন ও সুস্বাদু মাংস এবং উন্নতমানের চামড়ার জন্য ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিচিত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা তাই ঈদের আগে ভিড় করেন মেহেরপুরের বারাদি হাটে। খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বড় ছাগলের হাট হিসেবে পরিচিত এই বাজারে সপ্তাহে দুদিন—শনিবার ও বুধবার বসে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, মেহেরপুরে এবার কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬০ হাজার ৪৯০টি ছাগল। জেলার ৫৩০টি ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি পারিবারিক পর্যায়েও ব্যাপকভাবে ছাগল পালন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জেলার প্রায় ৪৫ শতাংশ পরিবার অন্তত একটি করে ছাগল পালন করে। অনেকের কাছে এই ছাগলই দুঃসময়ের সঞ্চয়, ‘গরিবের গাভী’।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, জেলায় কোরবানিযোগ্য ছাগলের চাহিদা ৪৭ হাজার ৫৩০টি হলেও প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ছাগল ও ভেড়া। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার ভেড়া রয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, মেহেরপুরের এবার পারিবারিকভাবে ও খামারে মিলে ৬০ হাজার ৪৯০টি ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে। গড়ে ১৬ হাজার টাকা মূল্য ধরলেও প্রায় ১০০ কোটি টাকার বেচাকেনা হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে ধরিয়ে দিতে ও তার সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
২১ মিনিট আগে
আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হিসাববিদদের ‘স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণ’ বা সেলফ-রেগুলেশনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২৮ মিনিট আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার প্রতিবাদে মৌন মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’।
৩৮ মিনিট আগে
আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে কওমি মাদ্রাসাগুলো। এর ফলে কয়েক লাখ চামড়া সংগ্রহ ও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বিপর্যয়ের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে চামড়া সংগ্রহ করা না হলে কাঁচা চামড়া পচে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে