কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহে অনীহা কওমি মাদ্রাসার, বিপর্যয়ের আশঙ্কা

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ২৩: ৩৮
কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে কওমি মাদ্রাসাগুলো। এআই দিয়ে উন্নত করা ছবি

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে কওমি মাদ্রাসাগুলো। এর ফলে কয়েক লাখ চামড়া সংগ্রহ ও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বিপর্যয়ের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে চামড়া সংগ্রহ করা না হলে কাঁচা চামড়া পচে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

ঈদুল আজহায় দেশে সবচেয়ে বড় অর্থকরী কাঁচামাল হলো কোরবানির পশুর চামড়া। বেশ কয়েক বছর ধরেই কাঁচা চামড়ার বাজারে স্থবিরতা বিরাজ করছে। মূলত দিন দিন চামড়ার দাম কমে যাওয়ায় এই খাতে অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সিন্ডিকেট এবং ট্যানারি শিল্পের দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন। চলতি বছর এই খাতে নতুন করে আরও এক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এ বছর ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদার কথা জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। গত ৩ মে মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক কোরবানির পশুর চামড়া স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সংগ্রহ করেন মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষকরা।

সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার কওমি মাদ্রাসা দীর্ঘ দিন ধরে চামড়া সংগ্রহ করে আসছে। সংগৃহীত চামড়া তাঁরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন। সেখান থেকে তা চলে যায় ট্যানারিগুলোতে। তবে এবার অনেক মাদ্রাসাকেই চামড়া সংগ্রহে অনাগ্রহী দেখা যাচ্ছে।

সিলেট বিভাগের কওমি মাদ্রাসার দায়িত্বশীলরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছেন, এ বছর তাঁরা পশুর চামড়া সংগ্রহ করবেন না। চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে শুধু সিলেটে ৩ লাখ পশুর চামড়া সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মাদ্রাসাগুলো চামড়া সংগ্রহ না করলে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা রয়েছে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকার ব্যবসায়ীরা অর্ধেক টাকা দিয়ে চামড়া সংগ্রহ করেন। বাকি টাকা সংগ্রহ করতে তাঁদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাঁদের বিপুল পরিমাণ টাকা ঢাকার ট্যানারি মালিক ও আড়তদারদের কাছে বকেয়া রয়েছে। বকেয়া টাকা নিয়ম মেনে পরিশোধ না করায় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও অনাগ্রহ দেখা দিয়েছে।

এ বছর সরকারিভাবে গরুর কাঁচা চামড়ার দর ঢাকার ভেতরে প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে গরুর কাঁচা চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম ৫৭ থেকে ৬২ টাকা ধরা হয়েছে। সারা দেশে খাসির চামড়ার প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই দর গত বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। তবে অতীতে দেখা গেছে, সরকার নির্ধারিত মূল্য তালিকায় কাঁচা চামড়ার দাম পিসপ্রতি বাড়লেও তা নির্ধারিত দরের চেয়ে কম দামে বিক্রি হয়। অভিযোগ রয়েছে, কোরবানির আগে চামড়া ব্যবসায়ীদের তিন সংগঠন—বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ হাইড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন চামড়ার আরেকটি মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। মূলত সেই দরেই ব্যবসায়ীরা চামড়া কেনেন।

এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান। তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত দামেই তাঁরা চামড়া কিনে থাকেন। আর বকেয়া পরিশোধ না হয়ে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এই ধরনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগে এই চর্চাটি ছিল। বিগত অনেক বছর যাবতই এটি ছিল। আমি মাঝখানে অ্যাসোসিয়েশনে ছিলাম না; এসেছি মাত্র দুই মাস হয়। আমি অস্বীকার করব না, এখনো এটি হতে পারে, অসম্ভব কিছু নয়। তবে এই অপচর্চা বন্ধ হওয়া উচিত। আমার মনে হয়, সরকারের এটি দেখা উচিত।’

গত এক দশকের বেশি সময় ধরে চামড়ার দাম কম কেন—এমন প্রশ্নে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, আগে বিদেশি অনেক ক্রেতা ছিল। বিগত সরকার চামড়াশিল্পকে সাভারের হেমায়েতপুরে নিয়ে যাওয়ার পরেই সেই ক্রেতারা চলে গেছে। তিনি বলেন, ‘এখন যেসব গ্রাহক রয়েছেন, তাঁরা অনেক নিম্নস্তরের। এর বাইরে এখানে রাসায়নিকের দাম বেড়েছে এবং অন্য খরচ বেড়েছে; শুধু চামড়ার দাম কমেছে।’

ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদেশি বড় ক্রেতাদের বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ হলো উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া। ক্রেতারা দুই ধরনের শর্ত বা উন্নত কর্মপরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। একটি হলো চামড়ায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রাসায়নিকের ব্যবহার, অন্যটি হলো পরিবেশবান্ধব কারখানার নিশ্চয়তা। এই দুটি পুরোপুরি কার্যকর করতে না পারার সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারের ফ্যাশন ও বিপণনের ক্ষেত্রে সৃজনশীলতার ঘাটতি, ফিনিশড চামড়া উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সংকট এবং সাভারের চামড়াশিল্প নগরের সীমিত সক্ষমতাসহ অন্য প্রতিবন্ধকতার দায় রয়েছে।

এ ছাড়া হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত কয়েক বছর ধরে গরমকালে ঈদুল আজহা পালিত হয়ে আসছে। পশুর চামড়া ছাড়ানোর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে লবণ দিতে না পারলে পচন ধরার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করতে না পারলে দ্রুত চামড়া নষ্ট বা মানহীন হয়ে পড়ে। এ কারণেও চামড়ার দাম কম ধরা হয়। অন্যদিকে দাম কমে যাওয়ায় অনেক এলাকায় চামড়া সংগ্রহ করা হয় না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চামড়া সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ বছর সারা দেশে ১৭ কোটি টাকার লবণ সরবরাহ করেছে সরকার। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকদের তত্ত্বাবধানে মাদ্রাসা, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের জন্য উপজেলা পর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা এবং জেলা পর্যায়ে ৭৫ হাজার টাকা করে মোট ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

লবণ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ যথেষ্ট নয় বলে অভিযোগ করেছেন সিলেটের কওমি মাদ্রাসার পরিচালকরা। গত ১১ মে সংবাদ সম্মেলন করে এবার চামড়া সংগ্রহ না করার ঘোষণা দিয়েছে সিলেট বিভাগ কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদ। পরিষদের সদস্য সচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বিগত দুই সরকারের উদ্যোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও অকার্যকর সিদ্ধান্ত’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং বর্তমান সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ তোলেন। পরের দিন সুনামগঞ্জের মাদ্রাসাগুলোও একই ঘোষণা দেয়।

অন্যান্য জেলা থেকেও একই ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানান মুশতাক আহমদ খান। লাভজনক না হলে মাদ্রাসার হাজার হাজার শিক্ষার্থী ঈদের দিন মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেন চামড়া সংগ্রহ করবেন—সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্যমতে, এবার বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ১৭৪টি। সিলেটের অনেক প্রবাসী একাধিক এবং বড় আকারের গরু কোরবানি দেন। এসব পশুর চামড়ার প্রত্যক্ষ উপকারভোগী এতিমখানা ও মাদ্রাসার দরিদ্র শিক্ষার্থীরা। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহে রাজি নন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনের পর গত সোমবার ১৮ মে চামড়া সংগ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে জেলা প্রশাসন একটি বৈঠক করে। সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রীও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঢাকার ট্যানারি মালিক ও আড়তদারদের কাছে তাঁদের বকেয়া টাকা পড়ে আছে। টাকা না পাওয়ার কারণে তাঁরা সঠিক মূল্য দিয়ে চামড়া কিনতে পারেন না।

সবার কথা শোনার পর জটিলতা কাটাতে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম ১৫ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছেন। সেখানে চামড়া সংগ্রাহক মাদ্রাসার দায়িত্বশীলদের ৫ জন, ব্যবসায়ীদের ৫ জন এবং প্রশাসন থেকে ৫ জন প্রতিনিধিকে রাখা হয়েছে।

কমিটি গঠনের তৃতীয় দিনেও সমাধান বের করতে সদস্যদের নিয়ে বসা হয়নি জানিয়ে মুশতাক আহমদ খান বলেন, ‘আমরা তো চামড়া সংগ্রহ করতে চাই। কিন্তু সমস্যা হলো আমরা যথাযথ মূল্য এবং মূল্যায়ন পাই না। চামড়া সংগ্রহ করে কার কাছে বিক্রি করব, সেটি তো আমাদের জানতে হবে। ব্যবসায়ীদের এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে তাঁরা সরকার নির্ধারিত দামেই চামড়া কিনবেন।’

মুশতাক খান আরও বলেন, ‘আমরা ঠিক করেছি, প্রশাসন এবং ব্যবসায়ীরা শর্ত মানলে আমরা চামড়া সংগ্রহ করব। নয়তো আর দু-একদিন অপেক্ষা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব। ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি; চামড়া না তোলার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে মাদ্রাসা ছুটি ঘোষণা করে দেব।’

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্যের দাবি উঠেছে রাজধানীতেও। গত ১৮ মে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলন করে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ। এতে সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী (দেওনার পীর) কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

দেওনার পীর বলেন, কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য গরিব মানুষের হক। এই চামড়া ন্যায্যমূল্যে বিক্রি হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে। কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা কোরবানির কাজে সহযোগিতা করলে পশুটি ধর্মীয় বিধান মোতাবেক জবাই করা হবে। ধর্মীয় বিধান না মেনে পশু জবাই করা হলে হালাল পশুও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

গত ১৩ মে বুধবার রাজধানীর জামিয়াতু ইবরাহীম মাহমুদনগর মাদ্রাসা চামড়া সংগ্রহ না করার ঘোষণা দেয়। মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘কোরবানির পশুর চামড়ার অস্বাভাবিক মূল্যপতন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদস্বরূপ বাজারমূল্য স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চামড়া সংগ্রহের কার্যক্রমে জামিয়ার শিক্ষক, ছাত্র ও দায়িত্বশীলরা স্বেচ্ছাশ্রম দান থেকে বিরত থাকবেন।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির অঙ্গ সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আগামী বুধবার বিকেলে রাজধানীতে ‘জাতীয় অর্থনীতিতে চামড়া শিল্পের ভবিষ্যৎ: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের রূপরেখা’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠক ডেকেছে। ওলামা অ্যালায়েন্সের সেক্রেটারি সানাউল্লাহ খান জানিয়েছেন, গোলটেবিল বৈঠকে আলেমসমাজ এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন প্রমুখ।

গত শনিবার ১৬ মে বিভিন্ন ট্যানারির মালিকসহ চামড়াশিল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘চামড়া খাত অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত। যে পরিমাণ চামড়া বাংলাদেশে আহরিত হয়, তার পুরোটা যদি রপ্তানি করা যেত, তবে এই খাত অন্তত ১২ বিলিয়ন ডলারের একটি রপ্তানি খাতে পরিণত হতো।’

এর আগের দিন ১৫ মে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্যমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস। এই স্বল্প সময়ে আমূল পরিবর্তন সম্ভব না হলেও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজ চলছে। বাংলাদেশে চামড়াশিল্প বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের খাত হবে। তবে এর জন্য সময় দিতে হবে। অনুরোধ করব, হতাশা থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত যেন তাঁরা পুনর্বিবেচনা করেন।’

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত