স্ট্রিম প্রতিবেদক

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জালিয়াতির সম্ভাবনা রয়েছে অভিযোগ করে ২০০৮ সালের ওই ঘটনার তদন্ত চেয়েছে জাতীয় নির্বাচন তদন্ত কমিশন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনের আগে ২০১৪, ১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এ-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। বিচারপতি শামীম হাসনাইনের নেতৃত্বে গত বছরের ২৯ জুলাই এ কমিশন গঠন হয়।
কমিশনের সদস্য কাজী মাহফুজুল হক সুপণ বলেন, ‘তদন্ত করতে গিয়ে আমাদের মনে হয়েছে ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়েও তদন্ত করা উচিত।’
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোট কাস্ট হয়েছে ৮০ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই নির্বাচনে ২১৩টি আসনে শতভাগ ভোট পড়েছে। এর অর্থ, এখানে মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন। এই হিসাব ধরলে ২০০৮ সালেও ভোট পড়েছে ৮৮ শতাংশ। তাহলে কল্পনা করুন, ওই নির্বাচনে শতভাগ ভোট কাস্টের কেন্দ্র কত হতে পারে?’
কাজী মাহফুজুল বলেন, ‘প্রতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের হার পরিবর্তন করা হয়েছে। এটি নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে করানো হয়েছে। ডিসি কার্যালয়কে ব্যবহার করা হয়েছে। তো সেখান থেকেই আমাদের দৃঢ় সন্দেহ হয়েছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং এটি নিয়ে তদন্ত করা উচিত।’
ইভিএমের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইভিএম প্রকল্প চালু হলে সরকার এবং সরকার দলীয় জোটের রাজনৈতিক শরিক ছাড়া কেউ সমর্থন দেয়নি। তারপরও এটি চালু হয় এবং তিন হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। ছয়টি মাত্র সংসদীয় আসনে ইভিএমে ভোট হয়। ইভিএম জোর করে নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল সরকার।’
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সভাপতি বিচারপতি শামীম হাসনাইন বলেন, ‘২০০৮ সালের পর ২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম এবং দুর্নীতির মাস্টারপ্ল্যান হয়েছিল। এ সময়ে নির্বাচন কমিশন পাপেটে পরিণত হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের যাদের ডেকেছিলাম, তারা সবাই পলাতক। আর সিভিল যাদের ডেকেছি, তারা সবাই এসেছেন। যারা আসতে পারেননি, তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমরা নিজেরাই জেলাখানায় গেছি। এই তিন নির্বাচনে জালিয়াতির পরিকল্পনা ২০০৮ সালের পরপরই হয়েছে। ২০১১ সালে চিন্তা হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে নির্বাচন অতি সহজে যেতা যায় না। এ সময় তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করল।’
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন ড. ফখরুদ্দীন আহমদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ছিলেন এ টি এম শামসুল হুদা। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০, বিএনপি ৩০, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ২৭ ও জামায়াতে ইসলামী দুটি আসনে বিজয়ী হয়।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জালিয়াতির সম্ভাবনা রয়েছে অভিযোগ করে ২০০৮ সালের ওই ঘটনার তদন্ত চেয়েছে জাতীয় নির্বাচন তদন্ত কমিশন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনের আগে ২০১৪, ১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এ-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। বিচারপতি শামীম হাসনাইনের নেতৃত্বে গত বছরের ২৯ জুলাই এ কমিশন গঠন হয়।
কমিশনের সদস্য কাজী মাহফুজুল হক সুপণ বলেন, ‘তদন্ত করতে গিয়ে আমাদের মনে হয়েছে ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়েও তদন্ত করা উচিত।’
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোট কাস্ট হয়েছে ৮০ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই নির্বাচনে ২১৩টি আসনে শতভাগ ভোট পড়েছে। এর অর্থ, এখানে মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন। এই হিসাব ধরলে ২০০৮ সালেও ভোট পড়েছে ৮৮ শতাংশ। তাহলে কল্পনা করুন, ওই নির্বাচনে শতভাগ ভোট কাস্টের কেন্দ্র কত হতে পারে?’
কাজী মাহফুজুল বলেন, ‘প্রতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের হার পরিবর্তন করা হয়েছে। এটি নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে করানো হয়েছে। ডিসি কার্যালয়কে ব্যবহার করা হয়েছে। তো সেখান থেকেই আমাদের দৃঢ় সন্দেহ হয়েছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং এটি নিয়ে তদন্ত করা উচিত।’
ইভিএমের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইভিএম প্রকল্প চালু হলে সরকার এবং সরকার দলীয় জোটের রাজনৈতিক শরিক ছাড়া কেউ সমর্থন দেয়নি। তারপরও এটি চালু হয় এবং তিন হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। ছয়টি মাত্র সংসদীয় আসনে ইভিএমে ভোট হয়। ইভিএম জোর করে নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল সরকার।’
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সভাপতি বিচারপতি শামীম হাসনাইন বলেন, ‘২০০৮ সালের পর ২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম এবং দুর্নীতির মাস্টারপ্ল্যান হয়েছিল। এ সময়ে নির্বাচন কমিশন পাপেটে পরিণত হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের যাদের ডেকেছিলাম, তারা সবাই পলাতক। আর সিভিল যাদের ডেকেছি, তারা সবাই এসেছেন। যারা আসতে পারেননি, তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমরা নিজেরাই জেলাখানায় গেছি। এই তিন নির্বাচনে জালিয়াতির পরিকল্পনা ২০০৮ সালের পরপরই হয়েছে। ২০১১ সালে চিন্তা হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে নির্বাচন অতি সহজে যেতা যায় না। এ সময় তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করল।’
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন ড. ফখরুদ্দীন আহমদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ছিলেন এ টি এম শামসুল হুদা। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০, বিএনপি ৩০, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ২৭ ও জামায়াতে ইসলামী দুটি আসনে বিজয়ী হয়।

রাজশাহীতে ট্রেনের ধাক্কায় একটি ট্রাক বসতবাড়ির ওপর ছিটকে পড়েছে। এতে দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘাত নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় খোলা বাজারের মতো বিক্রি হচ্ছে মাদক। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, কারওয়ান বাজার ও মিরপুরের বিহারি ক্যাম্পে রাতে হাঁকডাক ছেড়েই বিক্রি করছেন কারবারিরা।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তাবাচ্ছুম (৪) হত্যার ঘটনায় আবু তাহের নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরের ভাইয়ের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে