স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) সুবিধা চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকেই বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর গেজেট চূড়ান্ত হতে আরও সময় লাগবে।
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে চলতি অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ফলে গেজেট পরে প্রকাশিত হলেও নতুন বেতন চলতি বছরের জুলাই থেকেই কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আপত্তি রয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিষয়টি সরাসরি বলা না হলেও রাজস্ব আহরণ ও ব্যবস্থাপনা ইস্যুতে অন্তত দুই বছর পে-স্কেল বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পরামর্শ এসেছে। সম্প্রতি আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সফরে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সরকার সে পথে হাঁটতে আগ্রহী নয়। অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগে নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি বিশদভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গত ২৭ জুলাই সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে নতুন পে-স্কেলের আর্থিক প্রভাব, সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের রাজস্ব সক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি আরও পর্যালোচনার নির্দেশ দেন। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবা সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক রয়েছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনার অংশের সঙ্গে পে-স্কেল বাস্তবায়ন বা স্থগিত রাখার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রয়োজনের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার এর বাস্তবায়নের পথে হাঁটবে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি আরও কয়েকটি বৈঠক করবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর অর্থ বিভাগ গেজেট প্রকাশ করবে। এর জন্য মাসখানেক বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। ফলে আইএমএফের সাধারণ সভা অর্থাৎ অক্টোবরে পৌঁছাতে পারে পে-স্কেল বাস্তবায়ন।
মূলত ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশন চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে চাপ না থাকলেও তৎকালীন সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করে এবং কমিশন গঠন করে। অন্যদিকে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পর সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রভাব, মূল্যস্ফীতি ও সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফ কর্তনের ফলে চাকরিজীবীদের হাতে উল্লেখযোগ্য টাকার ঘাটতি দেখা দেবে। যা প্রকৃত অর্থে বেতন বৃদ্ধির সুফল আনবে বলে মনে করেন না অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বৈশাখী ভাতার হার ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত যাতায়াত ভাতার কাঠামোয় পরিবর্তন আনা এবং অন্যান্য ভাতার সুপারিশ করা হয়। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি-২০২৫-এর প্রতিবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। সচিব কমিটি তিনটি প্রতিবেদনের আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য সুপারিশ করবে।
এদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। এ জন্য ‘জনপ্রশাসন-নিট’ খাতে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থের অন্তত ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে মূলত সরকারি কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য। তাই গেজেট যখনই প্রকাশ হোক, গত জুলাই থেকে নতুন বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্র জানায়, সরকার নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি নিয়মিত কাজ করছে। অগ্রগতিও ভালো। তবে বেতন কাঠামো নিয়ে অংশীজনদের পরামর্শকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে অর্থনীতিতে বেতন কাঠামোর প্রভাব ও অর্থের সংস্থানের বিষয়ের সঙ্গে সার্বিক মূল্যস্ফীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সূত্রটি বলছে, দীর্ঘদিন বেতন কাঠামোর পরিবর্তন না হওয়া বর্তমান সরকারের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে সরকার সতর্কতার সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা ও পরামর্শ মূল্যায়ন করে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) সুবিধা চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকেই বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর গেজেট চূড়ান্ত হতে আরও সময় লাগবে।
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে চলতি অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ফলে গেজেট পরে প্রকাশিত হলেও নতুন বেতন চলতি বছরের জুলাই থেকেই কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আপত্তি রয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিষয়টি সরাসরি বলা না হলেও রাজস্ব আহরণ ও ব্যবস্থাপনা ইস্যুতে অন্তত দুই বছর পে-স্কেল বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পরামর্শ এসেছে। সম্প্রতি আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সফরে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সরকার সে পথে হাঁটতে আগ্রহী নয়। অক্টোবরে আইএমএফের বার্ষিক সভার আগে নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি বিশদভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গত ২৭ জুলাই সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে নতুন পে-স্কেলের আর্থিক প্রভাব, সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের রাজস্ব সক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি আরও পর্যালোচনার নির্দেশ দেন। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবা সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক রয়েছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনার অংশের সঙ্গে পে-স্কেল বাস্তবায়ন বা স্থগিত রাখার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রয়োজনের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার এর বাস্তবায়নের পথে হাঁটবে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি আরও কয়েকটি বৈঠক করবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর অর্থ বিভাগ গেজেট প্রকাশ করবে। এর জন্য মাসখানেক বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। ফলে আইএমএফের সাধারণ সভা অর্থাৎ অক্টোবরে পৌঁছাতে পারে পে-স্কেল বাস্তবায়ন।
মূলত ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশন চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে চাপ না থাকলেও তৎকালীন সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করে এবং কমিশন গঠন করে। অন্যদিকে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পর সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রভাব, মূল্যস্ফীতি ও সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফ কর্তনের ফলে চাকরিজীবীদের হাতে উল্লেখযোগ্য টাকার ঘাটতি দেখা দেবে। যা প্রকৃত অর্থে বেতন বৃদ্ধির সুফল আনবে বলে মনে করেন না অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বৈশাখী ভাতার হার ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত যাতায়াত ভাতার কাঠামোয় পরিবর্তন আনা এবং অন্যান্য ভাতার সুপারিশ করা হয়। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি-২০২৫-এর প্রতিবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। সচিব কমিটি তিনটি প্রতিবেদনের আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য সুপারিশ করবে।
এদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। এ জন্য ‘জনপ্রশাসন-নিট’ খাতে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থের অন্তত ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে মূলত সরকারি কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য। তাই গেজেট যখনই প্রকাশ হোক, গত জুলাই থেকে নতুন বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্র জানায়, সরকার নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি নিয়মিত কাজ করছে। অগ্রগতিও ভালো। তবে বেতন কাঠামো নিয়ে অংশীজনদের পরামর্শকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে অর্থনীতিতে বেতন কাঠামোর প্রভাব ও অর্থের সংস্থানের বিষয়ের সঙ্গে সার্বিক মূল্যস্ফীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সূত্রটি বলছে, দীর্ঘদিন বেতন কাঠামোর পরিবর্তন না হওয়া বর্তমান সরকারের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে সরকার সতর্কতার সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা ও পরামর্শ মূল্যায়ন করে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে।
.png)

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আটতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রিয়া আক্তার (২০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
২৬ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঁচ হাজার বাংলাদেশির ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হওয়ার খবর সত্য নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
অভিবাসন নিয়ে প্রতারণা বন্ধ না করলে কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে ‘অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর।
১০ ঘণ্টা আগে