স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর মন্দিরের সেবায়েত সন্ন্যাসী নয়ন দাশের (৩৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পরও থানায় মামলা হয়নি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এত তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছমি উদ্দিন। এদিকে তাঁর মৃত্যু হত্যা, না কি আত্মহত্যা তা নিয়ে সন্দিহান পুলিশ। তবে একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ধারণা করে বিচার দাবি করেছে পূজা উদ্যাপন পরিষদ।
ওসি ছমি উদ্দিন বলেন, সন্ন্যাসী নয়ন দাশের মৃত্যুসংক্রান্ত কোনো এজাহার এখনো পাওয়া যায়নি। এটা হত্যা, না কি আত্মহত্যা— এ ব্যাপারে পুলিশও যথেষ্ট সন্দিহান। তাঁর নিজের পরনের কাপড় দিয়ে গলায় প্যাঁচানো হয়। এ সময় তাঁর পা মাটিতে আলতোভাবে লেগে ছিল।
নয়ন দাশ উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের পূর্ব হামজার ডেইল এলাকার পুলিশশার ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার দোহাজারী এলাকার ফুলতলা গ্রামের গোপাল দাশের ছেলে। তিনি সন্ন্যাস ব্রত পালন করতে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এর আগে গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নয়ন দাশের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে থানায় খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। এর তিন দিন আগে রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে না পেয়ে পরের দিন সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর স্ত্রী।
নয়ন দাশের স্ত্রী অঞ্জনা শীল সংবাদকর্মীদের বলেন, সোমবার রাত ৯টার দিকে অচেনা দুই ব্যক্তি এসে নয়ন দাশকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি ঘরে না ফেয় আশপাশের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন তাঁরা। পরদিন সকালে মন্দির থেকে অন্তত ৫০-৬০ গজ দূরে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের জঙ্গলে নয়ন দাশের ব্যবহৃত চাদর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এতে স্বামীর ক্ষতির আশঙ্কা থেকে সোমবার কক্সবাজার সদর থানায় জিডি করেন অঞ্জনা শীল।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্দিরের আশপাশ এলাকায় নয়ন দাশের খোঁজ করেন স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্টরা। গতকাল বুধবার দুপুরে ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্ব পাশে পাহাড়ি জঙ্গলে খোঁজার সময় একটি গাছের সঙ্গে গলায় চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
সেবায়েত নয়ন দাশকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাপ্পী শর্মা জানিয়েছে, ‘মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’ একই সঙ্গে দেশের সব সংখ্যালঘুদের জান-মাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি।
পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জনি ধর বলেন, ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার তিনদিন পর পাহাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পার। তবে ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

কক্সবাজারে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর মন্দিরের সেবায়েত সন্ন্যাসী নয়ন দাশের (৩৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পরও থানায় মামলা হয়নি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এত তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছমি উদ্দিন। এদিকে তাঁর মৃত্যু হত্যা, না কি আত্মহত্যা তা নিয়ে সন্দিহান পুলিশ। তবে একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ধারণা করে বিচার দাবি করেছে পূজা উদ্যাপন পরিষদ।
ওসি ছমি উদ্দিন বলেন, সন্ন্যাসী নয়ন দাশের মৃত্যুসংক্রান্ত কোনো এজাহার এখনো পাওয়া যায়নি। এটা হত্যা, না কি আত্মহত্যা— এ ব্যাপারে পুলিশও যথেষ্ট সন্দিহান। তাঁর নিজের পরনের কাপড় দিয়ে গলায় প্যাঁচানো হয়। এ সময় তাঁর পা মাটিতে আলতোভাবে লেগে ছিল।
নয়ন দাশ উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের পূর্ব হামজার ডেইল এলাকার পুলিশশার ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার দোহাজারী এলাকার ফুলতলা গ্রামের গোপাল দাশের ছেলে। তিনি সন্ন্যাস ব্রত পালন করতে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এর আগে গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নয়ন দাশের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে থানায় খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। এর তিন দিন আগে রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে না পেয়ে পরের দিন সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর স্ত্রী।
নয়ন দাশের স্ত্রী অঞ্জনা শীল সংবাদকর্মীদের বলেন, সোমবার রাত ৯টার দিকে অচেনা দুই ব্যক্তি এসে নয়ন দাশকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি ঘরে না ফেয় আশপাশের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন তাঁরা। পরদিন সকালে মন্দির থেকে অন্তত ৫০-৬০ গজ দূরে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের জঙ্গলে নয়ন দাশের ব্যবহৃত চাদর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এতে স্বামীর ক্ষতির আশঙ্কা থেকে সোমবার কক্সবাজার সদর থানায় জিডি করেন অঞ্জনা শীল।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্দিরের আশপাশ এলাকায় নয়ন দাশের খোঁজ করেন স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্টরা। গতকাল বুধবার দুপুরে ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্ব পাশে পাহাড়ি জঙ্গলে খোঁজার সময় একটি গাছের সঙ্গে গলায় চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
সেবায়েত নয়ন দাশকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাপ্পী শর্মা জানিয়েছে, ‘মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’ একই সঙ্গে দেশের সব সংখ্যালঘুদের জান-মাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি।
পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জনি ধর বলেন, ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার তিনদিন পর পাহাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পার। তবে ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
নিজের চারটি গাড়ি ও চারজন চালক থাকার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (১০ জুন) সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সদস্য নজিবুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদে নিজের সম্পত্তির হিসাব জানাতে তিনি এই তথ্য দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং তাঁর ছেলে অয়ন ওসমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এক প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন এবং কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিন এ কমিটি দুইটি গঠন করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে