শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ১৪: ০৫
শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এ মামলায় আগামী ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ তারিখ দেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে শুনানি শুরু হয়। এ সময় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আদালতে হাজির ছিলেন।

গত ১৯ মে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলার অভিযোগ ও তদন্তের তথ্যানুযায়ী, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে ওই বাসারই সাবলেট ভাড়াটিয়া সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না কৌশলে শিশুটিকে ভবনের তৃতীয় তলায় তাদের রুমে নিয়ে যায়।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে আসামিদের রুমের সামনে তার স্যান্ডেল দেখতে পান মা পারভীন আক্তার। ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে অন্যদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা বাথরুমে বালতিতে রামিসার কাটা মাথা ও মাথাবিহীন দেহ দেখতে পান।

তবে মূল আসামি সোহেল ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। ওইদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সোহেল। তার স্ত্রী স্বপ্নাকে ওই বাসা থেকেই আটক করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ১ জুন সোহেল রানা ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর তিন দিনে সাক্ষ্য, জেরা ও যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ দিলেন আদালত।

সম্পর্কিত