স্ট্রিম প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তাঁর তৎকালীন একান্ত সচিব (পিএস) শামসুদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি-বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ অসুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম. সারওয়ার হোসেন বুধবার দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার (অনুসন্ধান) বরাবর এই আবেদন জমা দেন।
সংযুক্ত একটি দৈনিকের গত ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখের সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি দুদকে আবেদন করেন। ‘আসিফ নজরুলের সময়ে আইন মন্ত্রণালয়: ৮ মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে ঘুস লেনদেন শতকোটি’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বদলির নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ঘুষের বিনিময়ে গণহারে বদলি করা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত আট মাসে নিবন্ধন অধিদপ্তরের ৪০৩ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে কমপক্ষে ২৮২ জনকে বদলি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে অন্তত ২০০ জন পছন্দের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি হয়েছেন। এসব লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, যার মাধ্যম হিসেবে সাবেক আইন উপদেষ্টার পিএস (বর্তমানে জেলা জজ) শামসুদ্দিন মাসুমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালা লঙ্ঘন করে এ, বি ও সি গ্রেডের অফিসে পদায়নেও অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সাব-রেজিস্ট্রার মনীষাকে হরিপুর থেকে হাকিমপুরে বদলি করা হয় এবং মাত্র চার দিনের ব্যবধানে যোগদানের আগের দিন তাকে পুনরায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বদলি করা হয়।
আবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী এম. সারওয়ার হোসেন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তার পিএস শামসুদ্দিন মাসুম এর দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং কমিশনার অনুসন্ধান বরাবর একটি আবেদন করেছি।’
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই আসিফ নজরুল সাহেব এই দুর্নীতির সাথে যুক্ত নন। কিন্তু যেহেতু পত্রিকায় লিড নিউজ হয়েছে আমার এই আজকে আবেদনের ভিত্তি হলো এই পত্রিকার লিড নিউজ। এই লিড নিউজে যেহেতু তার নাম আসছে, আমি আশা করব উনি একজন শিক্ষক মানুষ উনি এই অনুসন্ধান ফেস করে উনি জাতির সামনে দেখাবেন উনি কোন দুর্নীতি করেননি।’
পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে এম. সারওয়ার বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার দুর্নীতির বিষয়টি এখন “ওপেন সিক্রেট”। উপদেষ্টা তার নিজের স্টাফদেরই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। আমাদের কাছে তথ্য আছে, তার লাইব্রেরিয়ান পর্যন্ত এই বদলি, অনুরোধ ও নির্দেশ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত।’
ক্ষমতার দাপট দেখানোর একটি উদাহরণ টেনে এই আইনজীবী বলেন, ‘শামসুদ্দিন মাসুম দুদকের একজন কর্মকর্তাকে কারো একটি মামলার আপিল না করার অনুরোধ করেছিলেন। আপিল করা সম্পূর্ণ একটি আইনি প্রক্রিয়া। ওই কর্মকর্তা তার বেআইনি অনুরোধ না রাখায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাকে বদলি করে দেওয়া হয়। তার ক্ষমতার দাপট এমন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তাই আমরা মনে করি, দুদকের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করে এসব অভিযোগের নিষ্পত্তি করা।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তাঁর তৎকালীন একান্ত সচিব (পিএস) শামসুদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি-বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ অসুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম. সারওয়ার হোসেন বুধবার দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার (অনুসন্ধান) বরাবর এই আবেদন জমা দেন।
সংযুক্ত একটি দৈনিকের গত ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখের সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি দুদকে আবেদন করেন। ‘আসিফ নজরুলের সময়ে আইন মন্ত্রণালয়: ৮ মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে ঘুস লেনদেন শতকোটি’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বদলির নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ঘুষের বিনিময়ে গণহারে বদলি করা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত আট মাসে নিবন্ধন অধিদপ্তরের ৪০৩ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে কমপক্ষে ২৮২ জনকে বদলি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে অন্তত ২০০ জন পছন্দের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি হয়েছেন। এসব লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, যার মাধ্যম হিসেবে সাবেক আইন উপদেষ্টার পিএস (বর্তমানে জেলা জজ) শামসুদ্দিন মাসুমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালা লঙ্ঘন করে এ, বি ও সি গ্রেডের অফিসে পদায়নেও অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সাব-রেজিস্ট্রার মনীষাকে হরিপুর থেকে হাকিমপুরে বদলি করা হয় এবং মাত্র চার দিনের ব্যবধানে যোগদানের আগের দিন তাকে পুনরায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বদলি করা হয়।
আবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী এম. সারওয়ার হোসেন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তার পিএস শামসুদ্দিন মাসুম এর দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং কমিশনার অনুসন্ধান বরাবর একটি আবেদন করেছি।’
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই আসিফ নজরুল সাহেব এই দুর্নীতির সাথে যুক্ত নন। কিন্তু যেহেতু পত্রিকায় লিড নিউজ হয়েছে আমার এই আজকে আবেদনের ভিত্তি হলো এই পত্রিকার লিড নিউজ। এই লিড নিউজে যেহেতু তার নাম আসছে, আমি আশা করব উনি একজন শিক্ষক মানুষ উনি এই অনুসন্ধান ফেস করে উনি জাতির সামনে দেখাবেন উনি কোন দুর্নীতি করেননি।’
পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে এম. সারওয়ার বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার দুর্নীতির বিষয়টি এখন “ওপেন সিক্রেট”। উপদেষ্টা তার নিজের স্টাফদেরই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। আমাদের কাছে তথ্য আছে, তার লাইব্রেরিয়ান পর্যন্ত এই বদলি, অনুরোধ ও নির্দেশ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত।’
ক্ষমতার দাপট দেখানোর একটি উদাহরণ টেনে এই আইনজীবী বলেন, ‘শামসুদ্দিন মাসুম দুদকের একজন কর্মকর্তাকে কারো একটি মামলার আপিল না করার অনুরোধ করেছিলেন। আপিল করা সম্পূর্ণ একটি আইনি প্রক্রিয়া। ওই কর্মকর্তা তার বেআইনি অনুরোধ না রাখায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাকে বদলি করে দেওয়া হয়। তার ক্ষমতার দাপট এমন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তাই আমরা মনে করি, দুদকের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করে এসব অভিযোগের নিষ্পত্তি করা।’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মিশেল লি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী প্রচলিত খাতের পাশাপাশি সিঙ্গাপুরে আরও পাঁচটি খাতে দক্ষ জনশক্তি নিতে তাঁকে অনুরোধ করেন।
২০ মিনিট আগে
ফেনীতে অবৈধভাবে ভোজ্যতেল মজুত করায় এক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে জেলার ইসলামপুর এলাকায় কবির অ্যান্ড সন্সকে এ জরিমানা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চয়ন বড়ুয়া।
২৫ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে তাঁর প্রেস উইং। বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩৬ মিনিট আগে
কৃষি কার্যক্রমের এখন ভরা মৌসুম চলছে। অথচ ডিজেল হয়ে উঠেছে দুষ্প্রাপ্য। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। মেহেরপুর সদর উপজেলায় সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভোর থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন শত শত কৃষক ও সেচযন্ত্র চালক।
১ ঘণ্টা আগে