এক অধিবেশনে সর্বোচ্চ বিল পাসের রেকর্ড, বাতিল ১৬ অধ্যাদেশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক অধিবেশনে সর্বোচ্চসংখ্যক বিল পাসের রেকর্ড হয়েছে বলে দাবি করেছেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। সময়ের স্বল্পতার কারণে ১৬টি অধ্যাদেশ পাস করা সম্ভব হয়নি এবং সেগুলো আজ রাত ১২টার পর ‘ল্যাপস’ হয়ে যাবে বলেও তিনি জানান তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, ‘অধ্যাদেশ ও বিলের মধ্যে পার্থক্য অনেকেই বুঝতে পারেন না। আমরা ১১৭টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯১টি পাস করতে সক্ষম হয়েছি। আজ এক দিনেই সকালে ১০টি এবং বিকেলে ১৫টিসহ মোট ২৫টি বিল পাস হয়েছে, যা একটি অনন্য রেকর্ড।’

বাকি ১৬টি অধ্যাদেশের বিষয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আজ রাত ১২টার পর এই অধ্যাদেশগুলো ল্যাপস হয়ে যাবে। ফলে এগুলো আর কার্যকর থাকবে না। তবে আমরা এগুলো আগামী অধিবেশনে নতুন বিল আকারে নিয়ে আসব। মূলত অধিকতর যাচাই-বাছাই এবং আইনগুলোকে আরও অর্থবহ ও বাস্তববাদী করার জন্যই আমরা বিল আকারে এগুলো আবার উত্থাপন করব।’

অধিবেশনের অর্জন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘আপনারা শুধু বাইরের দৃশ্যটা দেখছেন, কিন্তু ভেতরে আমাদের কী পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয়েছে, তা দেখেননি। গত তিন-চার রাত আমি ঘুমানোর সুযোগ পাইনি। এই বিলগুলো পাস করা আমাদের জন্য একটি বাধ্যবাধকতা ছিল। স্বাধীনতার পর এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশিসংখ্যক বিল আর কোনো অধিবেশনে পাস হয়নি।’

গণভোটের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার গণভোট মানে না—এমন তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান নিজেই গণভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছেন। তিনি শহীদ আবু সাঈদের বাড়ি ভিজিট করে গণভোটের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন। জনগণের এত বিপুল ভোট তো আকাশ থেকে পড়েনি। সুতরাং গণভোট না মানার প্রশ্নই আসে না।’

অধিবেশন আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সংসদ মুলতবি করা হয়েছে এবং ১৫ এপ্রিল পুনরায় অধিবেশন বসবে বলে জানান চিফ হুইপ।

সম্পর্কিত