স্ট্রিম সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তারা হলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা কলারোয়া) আসনে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর আসনে) আসনে গাজী নজরুল ইসলাম।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সাতক্ষীরা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ২ লাখ ২০ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৮৫ ভোট। অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ২৯ হাজার ৩৪৫ ভোটে বিজয়ী।
সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৩২ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে জামায়াতের মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ১ লাখ ৫৫ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৪৬২ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
সাতক্ষীরা সদরে ৭০.৯৩, দেবহাটায় ৭২.৫০, কলারোয়ায় ৮১.৮৯, তালায় ৭৫.০০, আশাশুনিতে ৬৮.৭, শ্যামনগর ৬৮.০০ ও কালীগঞ্জে ৭১.৯৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ জন। ৬০৯টি কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। নির্বাচন সুষ্ঠু রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তারা হলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা কলারোয়া) আসনে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর আসনে) আসনে গাজী নজরুল ইসলাম।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সাতক্ষীরা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ২ লাখ ২০ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৮৫ ভোট। অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ২৯ হাজার ৩৪৫ ভোটে বিজয়ী।
সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৩২ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে জামায়াতের মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ১ লাখ ৫৫ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৪৬২ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
সাতক্ষীরা সদরে ৭০.৯৩, দেবহাটায় ৭২.৫০, কলারোয়ায় ৮১.৮৯, তালায় ৭৫.০০, আশাশুনিতে ৬৮.৭, শ্যামনগর ৬৮.০০ ও কালীগঞ্জে ৭১.৯৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ জন। ৬০৯টি কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। নির্বাচন সুষ্ঠু রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্থাপত্য ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। মুঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত এই মসজিদটি যেমন তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত, তেমনি একে ঘিরে প্রচলিত এক ‘ট্র্যাজিক’ লোককাহিনী পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে।
৬ মিনিট আগে
পাবনা জেলা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চাটমোহর উপজেলা সদরে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৪৪৪ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক চাটমোহর শাহী মসজিদ। ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবরের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি কেবল একটি উপাসনালয় নয়, বরং বাংলার স্থাপত্য বিবর্তনের এক অমূল্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
১৭ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে প্রতিদিনের ইফতার আয়োজন যেন এক বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলী আর পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই মসজিদে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচ হাজার রোজাদার একসঙ্গে ইফতার করেন। গত ২৫ বছর ধরে চলে আসা এই গণ-ইফতার এখন চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান ধর্মীয়
৩১ মিনিট আগে
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে বাণিজ্যিকীকরণের বৃত্ত থেকে বের করে জনসেবামুখী কাঠামোয় ফিরিয়ে আনা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং সাশ্রয়ী ও জবাবদিহিমূলক নীতি প্রণয়নের দাবি উঠেছে। আর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে কেবল উৎপাদন ক্ষমতার প্রশ্ন হিসেবে না দেখে ভোক্তার অধিকার, ন্যায্যমূল্য ও সুশাসনের প্রশ্ন হিসেবে
৩৬ মিনিট আগে