জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
বাগেরহাট

প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০: ১৭
বাগেরহাট শহরে পূবালী ব্যাংকের শাখার সাইনবোর্ড। সংগৃহীত ছবি

বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভোল্ট) থেকে এক ব্যবসায়ীর রাখা অন্তত ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের খানজাহান আলী সড়কের পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখায় এই ঘটনা ঘটে।

এর আগে পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকে গিয়ে লকারে মজুত রাখা স্বর্ণালংকার না পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানান সুমন কুমার দাস। তবে বিষয়টি জানাজানির পর আজ বিকেলে ব্যাংক পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হাছান চৌধুরী ।

ব্যবসায়ি সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ব্যবসায়ী সুমন দাস বলেন, ‘২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর লকারে আমার স্ত্রী, ভাইয়ের স্ত্রী, আমার মা, বোন, ফুফু, খালাসহ পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকারে জমা রাখা স্বর্ণ নিতে দেখি কোনো স্বর্ণালংকার নেই। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানালে তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করেন। একটি ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে স্বর্ণালংকার উধাও হলো, সে বিষয় খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই।’

অভিযোগ সম্পর্কে বাগেরহাট পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন জানান, ‘একজন গ্রাহকের কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল, তা তিনি এখন দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ এসে ঘটনা তদন্ত করছে। তদন্তের পরই জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কি ছিল।’

ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, ‘সুমন দাস নামে এক গ্রাহকের পূবালী ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছে না, এই অভিযোগের ভিত্তিতে আসি। ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করেছি। সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।’

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত