স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা জেআইসিতে বছরের পর বছর আটকে রেখে গুম, নির্মম নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে।
আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, বিচারিক রীতি অনুযায়ী আজ দিনের শুরুতে প্রসিকিউশন ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে। এতে মামলার প্রেক্ষাপট, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সারসংক্ষেপ এবং তারা কীভাবে এসব প্রমাণ করবেন; তার একটি রূপরেখা আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে।
এরপর মামলার ১ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের মূল পর্ব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলার অভিযোগের সময়কাল ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দীর্ঘ সময়ে অন্তত ২৬ ব্যক্তিকে গুম করে ডিজিএফআইয়ের জেআইসি সেলে আটকে রাখা হয়।
গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জেআইসি সেলের নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন। সেখানে আটককৃতদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের যে মাত্রা ছিল, তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীন মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এ মামলায় মোট ১৩ জন আসামির মধ্যে তিনজন বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন— ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।
বাকি ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন, যার মধ্যে প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পলাতক অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচজন মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।
এছাড়া পলাতক তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার তিন আসামির আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু চারটি আইনি যুক্তি দেখিয়ে মক্কেলদের অব্যাহতি চেয়েছিলেন। অন্যদিকে পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেছিলেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হাসান ইমাম ও আমির হোসেন। তবে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ১৮ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা জেআইসিতে বছরের পর বছর আটকে রেখে গুম, নির্মম নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে।
আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, বিচারিক রীতি অনুযায়ী আজ দিনের শুরুতে প্রসিকিউশন ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে। এতে মামলার প্রেক্ষাপট, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সারসংক্ষেপ এবং তারা কীভাবে এসব প্রমাণ করবেন; তার একটি রূপরেখা আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে।
এরপর মামলার ১ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের মূল পর্ব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলার অভিযোগের সময়কাল ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দীর্ঘ সময়ে অন্তত ২৬ ব্যক্তিকে গুম করে ডিজিএফআইয়ের জেআইসি সেলে আটকে রাখা হয়।
গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জেআইসি সেলের নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন। সেখানে আটককৃতদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের যে মাত্রা ছিল, তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীন মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এ মামলায় মোট ১৩ জন আসামির মধ্যে তিনজন বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন— ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।
বাকি ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন, যার মধ্যে প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পলাতক অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচজন মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।
এছাড়া পলাতক তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার তিন আসামির আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু চারটি আইনি যুক্তি দেখিয়ে মক্কেলদের অব্যাহতি চেয়েছিলেন। অন্যদিকে পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেছিলেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হাসান ইমাম ও আমির হোসেন। তবে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ১৮ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ক্রমশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এখন সেই অনুরোধ বিবেচনা করছে দেশটি। তবে তার আগে নিজেদের চাহিদা এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখবে ভারত।
৫ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
৭ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
৩৫ মিনিট আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে