স্ট্রিম প্রতিবেদক

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের আওতায় দুর্বল ব্যাংকের মালিকদের দায়মুক্তি দেওয়াকে আত্মঘাতী বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহি ছাড়াই মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়া দুর্নীতি ও লুটপাটকে আরও উৎসাহিত করবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। সংস্থাটি মনে করে, এই আইনের ফলে ব্যাংকিং খাত পুনরায় দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও সুশাসনের ঘাটতি দূর করার পরিবর্তে দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬-এ যুক্ত নতুন ধারা ১৪(ক) ব্যাংক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের পরিবর্তে দায়মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়।’ তিনি একে ব্যাংক খাতের লুটেরাদের পুরস্কৃত করার শামিল বলে অভিহিত করেন। তিনি আরও বলেন, কর্তৃত্ববাদের পতনের অর্থ ব্যাংক খাতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জবরদখলের অবসান নয়, বরং সাময়িক বিরতির পর ‘চোরতন্ত্রের’ (Kleptocracy) পুনর্বাসনের পথ সুগম করা।
বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি প্রশ্ন তোলে, যাঁরা ব্যাংক লুটের হোতা, তাঁরা কীভাবে রাতারাতি শুদ্ধ হয়ে মালিকানা ফিরে পাচ্ছেন? তাঁদের মাত্র সাড়ে সাত শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ দায় মিটিয়ে মালিকানা নেওয়া অবাস্তব। নতুন মূলধন জোগান ও কমপ্লায়েন্স কাঠামো পুনর্গঠনের শর্তগুলো কীভাবে পালিত হবে, তা নিয়েও সংস্থাটি সংশয় প্রকাশ করে। টিআইবি আশঙ্কা করছে, এই সুযোগ নিয়ে ব্যাংক খাতে দেউলিয়াপনার নতুন ‘ফ্লাডগেট’ উন্মোচিত হতে পারে।
এই আইন পাসের প্রক্রিয়াকে টিআইবি ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারের পরিপন্থী বলে আখ্যায়িত করেছে। আমানত সুরক্ষা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতার নামে দুর্নীতিসহায়ক এ বিধান গ্রহণ করা হয়েছে। সংস্থাটি একে সুবিধাবাদী গোষ্ঠীতন্ত্রের স্বার্থরক্ষার জাতীয় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত মনে করে। এই আইন পুনরায় বিবেচনার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে টিআইবি।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের আওতায় দুর্বল ব্যাংকের মালিকদের দায়মুক্তি দেওয়াকে আত্মঘাতী বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহি ছাড়াই মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়া দুর্নীতি ও লুটপাটকে আরও উৎসাহিত করবে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। সংস্থাটি মনে করে, এই আইনের ফলে ব্যাংকিং খাত পুনরায় দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও সুশাসনের ঘাটতি দূর করার পরিবর্তে দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬-এ যুক্ত নতুন ধারা ১৪(ক) ব্যাংক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের পরিবর্তে দায়মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়।’ তিনি একে ব্যাংক খাতের লুটেরাদের পুরস্কৃত করার শামিল বলে অভিহিত করেন। তিনি আরও বলেন, কর্তৃত্ববাদের পতনের অর্থ ব্যাংক খাতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জবরদখলের অবসান নয়, বরং সাময়িক বিরতির পর ‘চোরতন্ত্রের’ (Kleptocracy) পুনর্বাসনের পথ সুগম করা।
বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি প্রশ্ন তোলে, যাঁরা ব্যাংক লুটের হোতা, তাঁরা কীভাবে রাতারাতি শুদ্ধ হয়ে মালিকানা ফিরে পাচ্ছেন? তাঁদের মাত্র সাড়ে সাত শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ দায় মিটিয়ে মালিকানা নেওয়া অবাস্তব। নতুন মূলধন জোগান ও কমপ্লায়েন্স কাঠামো পুনর্গঠনের শর্তগুলো কীভাবে পালিত হবে, তা নিয়েও সংস্থাটি সংশয় প্রকাশ করে। টিআইবি আশঙ্কা করছে, এই সুযোগ নিয়ে ব্যাংক খাতে দেউলিয়াপনার নতুন ‘ফ্লাডগেট’ উন্মোচিত হতে পারে।
এই আইন পাসের প্রক্রিয়াকে টিআইবি ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারের পরিপন্থী বলে আখ্যায়িত করেছে। আমানত সুরক্ষা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতার নামে দুর্নীতিসহায়ক এ বিধান গ্রহণ করা হয়েছে। সংস্থাটি একে সুবিধাবাদী গোষ্ঠীতন্ত্রের স্বার্থরক্ষার জাতীয় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত মনে করে। এই আইন পুনরায় বিবেচনার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে টিআইবি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি সড়কে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করেছেন ঠিকাদার ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে। সোমবার দুপুরে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে এর একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রকৌশলী।
১৬ মিনিট আগে
গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (২০২৬–২০২৭) সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থন দিয়েছে ব্রাজিল।
২ ঘণ্টা আগে
জয়পুরহাটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক মামলার আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা সোমবার আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জয়পুরহাট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি শাহনুর রহমান শাহিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে