leadT1ad

পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু: এসআইকে কান ধরিয়ে হেনস্তা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬: ১০
পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর পর পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর পর পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

বিক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর পুলিশ বাসচালককে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। তবে পুলিশ বলছে, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই চালক পালিয়ে যায়। গুজব ছড়িয়ে পুলিশকে অবরুদ্ধ করা হয়। তারা মূলত ‘মব’-এর কবলে পড়েছিলেন। অভিযুক্ত চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার বিকেল ৫টার দিকে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কের পোল্লাপুকুরে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও এক নারী ও এক পুরুষের মৃত্যু হয়। এরপরই সহপাঠী ও উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে বেলপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তোপের মুখে পড়ে।

জনতা অভিযোগ তোলে, পুলিশ চালককে পালাতে সহায়তা করেছে। এ সময় বেলপুকুর থানার এক এসআইকে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পাশে থাকা ওসিকেও অবরুদ্ধ করে গালিগালাজ করা হয়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান সোমবার দুপুরে বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে না থেমে চালক পালিয়ে যায়। পরে একটি ফিলিং স্টেশনে বাস রেখে সে সটকে পড়ে। পুলিশ যাওয়ার আগেই সব ঘটে গিয়েছিল। পরে গুজব ছড়ানো হয় যে পুলিশ সহায়তা করেছে। এটি পুরোপুরি গুজব। এর কোনো সত্যতা নেই।’

তিনি জানান, প্রায় এক ঘণ্টা পর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। এ দুর্ঘটনার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা না হলেও পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে। ইতিমধ্যে বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত