স্ট্রিম প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের কোনো অনুশোচনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা আবার বলছে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবেন। আসেন, আমরা অপেক্ষায় আছি। দেখা হবে রাজপথে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাফিজ উদ্দিন আরও বলেন, ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন ৮২ বছর বয়সে আরেকটা যুদ্ধ করব বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের জনগণের জন্য সুশাসন ও গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাব।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আজ মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক অবিস্মরণীয় দিন। গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ফ্যাসিবাদী সরকার ও তল্পিবাহক ব্যক্তিরা পালাতে বাধ্য হয়। মুক্ত হয় স্বদেশ, সূচিত হয় নতুন প্রভাত।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, প্রথমে আমি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিস, সজল, রাব্বি, মেরাজ, এনাম, তাঈম, নাঈমা, ছোট্ট শিশু রিয়া গোপ, আহাদসহ জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী হাজারো শহীদকে। তাদের আত্মদান ও দেশপ্রেম জাতিকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্র আছে। কিন্তু এমন নাগরিক খুব কম আছে, যারা উদ্যত বন্দুকের সামনে আবু সাঈদের মতো দুই হাত তুলে দাঁড়াতে পারে। আমরা সেই জাতি। তাদের নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি।
জুলাইযোদ্ধাদের উদ্দেশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা মন খারাপ করবেন না। এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয় সম্মান পাবেন। আমরা আপনাদের সম্মান দেব। আমাদের যতটুকু সাধ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেব আপনাদের কল্যাণে।
তিনি বলেন, এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, সেসব পরিবারের দেখাশোনা করা। যারা আহত, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন, অঙ্গ হারিয়েছেন, তাদের সুস্থ করে তোলা এই সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাই মিলে সেটি করব।
অতীত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা তো আর আওয়ামী লীগ হতে পারব না, হতেও চাই না। আওয়ামী লীগকে দেখেন, তাদের কোনো অনুশোচনা নাই। এত অন্যায়-অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর– এসবের জন্য তাদের কোনো লজ্জা নেই।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ এনে দিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ; যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা পাবে। আজ আমরা একটি নতুন যাত্রার সূচনা পর্বে দাঁড়িয়ে আছি। এই যাত্রাপথ সহজ নয়। মতের ভিন্নতা থাকবে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্য, সংযম ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সজাগ থাকতে হবে যাতে কোনো বিভাজন, কোনো বিদ্বেষ বা সংকীর্ণ স্বার্থ যেন আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে ঐক্য, দেশপ্রেম, সততা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার শক্তিতে আমরা এগিয়ে যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসুন আমরা শহীদদের রক্তে অর্জিত এই নতুন সম্ভাবনাকে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সুধী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে দৃঢ় অঙ্গীকারে রূপান্তরিত করি।’

আওয়ামী লীগের কোনো অনুশোচনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা আবার বলছে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবেন। আসেন, আমরা অপেক্ষায় আছি। দেখা হবে রাজপথে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় হাফিজ উদ্দিন আরও বলেন, ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন ৮২ বছর বয়সে আরেকটা যুদ্ধ করব বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের জনগণের জন্য সুশাসন ও গণতন্ত্র চিরস্থায়ী করে যাব।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আজ মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক অবিস্মরণীয় দিন। গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ফ্যাসিবাদী সরকার ও তল্পিবাহক ব্যক্তিরা পালাতে বাধ্য হয়। মুক্ত হয় স্বদেশ, সূচিত হয় নতুন প্রভাত।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, প্রথমে আমি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিস, সজল, রাব্বি, মেরাজ, এনাম, তাঈম, নাঈমা, ছোট্ট শিশু রিয়া গোপ, আহাদসহ জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী হাজারো শহীদকে। তাদের আত্মদান ও দেশপ্রেম জাতিকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্র আছে। কিন্তু এমন নাগরিক খুব কম আছে, যারা উদ্যত বন্দুকের সামনে আবু সাঈদের মতো দুই হাত তুলে দাঁড়াতে পারে। আমরা সেই জাতি। তাদের নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি।
জুলাইযোদ্ধাদের উদ্দেশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা মন খারাপ করবেন না। এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয় সম্মান পাবেন। আমরা আপনাদের সম্মান দেব। আমাদের যতটুকু সাধ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেব আপনাদের কল্যাণে।
তিনি বলেন, এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, সেসব পরিবারের দেখাশোনা করা। যারা আহত, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন, অঙ্গ হারিয়েছেন, তাদের সুস্থ করে তোলা এই সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাই মিলে সেটি করব।
অতীত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা তো আর আওয়ামী লীগ হতে পারব না, হতেও চাই না। আওয়ামী লীগকে দেখেন, তাদের কোনো অনুশোচনা নাই। এত অন্যায়-অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর– এসবের জন্য তাদের কোনো লজ্জা নেই।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ এনে দিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ; যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা পাবে। আজ আমরা একটি নতুন যাত্রার সূচনা পর্বে দাঁড়িয়ে আছি। এই যাত্রাপথ সহজ নয়। মতের ভিন্নতা থাকবে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্য, সংযম ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সজাগ থাকতে হবে যাতে কোনো বিভাজন, কোনো বিদ্বেষ বা সংকীর্ণ স্বার্থ যেন আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে ঐক্য, দেশপ্রেম, সততা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার শক্তিতে আমরা এগিয়ে যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসুন আমরা শহীদদের রক্তে অর্জিত এই নতুন সম্ভাবনাকে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সুধী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে দৃঢ় অঙ্গীকারে রূপান্তরিত করি।’
.png)

পরপর দুই দিনের রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে অংশ নিয়েছেন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
৭ মিনিট আগে
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জুলাই যোদ্ধাদের দিকে তেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
১ ঘণ্টা আগে
চব্বিশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফেনীতে মহিপালে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডে প্রতীকী আদালতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছয় নেতার বিচার হয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়াও স্থানীয় সাবেক তিন সংসদ সদস্য ও দলীয় দুই নেতার প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার এর আয়োজন করে ছাত্রদল।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে