স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হলেও মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করা মানুষের ওপর চাপ কমবে না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের জন্য কী আছে?’ শিরোনামে এই ব্রিফিংয়ে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. দেবপ্রিয়।
কর ব্যবস্থার বিষয়ে ড. দেবপ্রিয় বলেন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হলেও মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করা মানুষের ওপর চাপ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে না। ভবিষ্যতে রাজস্ব আহরণের বড় অংশ ভ্যাট থেকে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা আয়ের স্তর নির্বিশেষে জনগণের ওপর করের চাপ সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে বাজেটে সামাজিক সুরক্ষার কিছু উদ্যোগ থাকলেও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য তা যথেষ্ট নয়। ফলে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও মজুরির অনিশ্চয়তা এবং সঞ্চয় হারানোর ত্রিমুখী চাপ থেকে সাধারণ মানুষের দ্রুত মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও মজুরি সংকট এবং সঞ্চয়ের অবক্ষয়—এই তিন ধরনের চাপের মধ্যেই নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের থাকতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে তাদের ওপর চাপ কমার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত নেই।
ড. দেবপ্রিয় বলেন, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ইতিবাচক ইঙ্গিত থাকলেও বাজেটে বড় অঙ্কের থোক বরাদ্দ উদ্বেগের কারণ।
এর ফলে আর্থিক শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং অনেক সময় প্রকৃত অর্থায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, পরিচালন ব্যয় এখনও অত্যন্ত বেশি। ফলে রাজস্ব উদ্বৃত্ত থেকে উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়ন খুবই সীমিত। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে সরকার কোথায় ব্যয় সমন্বয় করবে, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। এছাড়া ভর্তুকি কমানো হলে তার প্রভাব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ওপর পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ভবিষ্যৎ করব্যবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামীতে রাজস্ব আহরণের বড় অংশ ভ্যাট থেকে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা আয়ের স্তর নির্বিশেষে জনগণের ওপর করের চাপ সৃষ্টি করবে। এলপিজি সিলিন্ডার, রেস্তোরাঁয় খাওয়া, নির্মাণসামগ্রী এবং বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মাধ্যমে ভ্যাটের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কিছু সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন ড. দেবপ্রিয়। টিআইএন ও বিআইএন নিবন্ধন সম্প্রসারণ, করব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, কর ফাঁকি রোধে পদক্ষেপ এবং ব্যবসাবান্ধব কিছু কর সংস্কারকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বাজেটে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের সুফল পেতে হলে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হলেও মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করা মানুষের ওপর চাপ কমবে না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের জন্য কী আছে?’ শিরোনামে এই ব্রিফিংয়ে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. দেবপ্রিয়।
কর ব্যবস্থার বিষয়ে ড. দেবপ্রিয় বলেন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হলেও মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করা মানুষের ওপর চাপ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে না। ভবিষ্যতে রাজস্ব আহরণের বড় অংশ ভ্যাট থেকে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা আয়ের স্তর নির্বিশেষে জনগণের ওপর করের চাপ সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে বাজেটে সামাজিক সুরক্ষার কিছু উদ্যোগ থাকলেও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য তা যথেষ্ট নয়। ফলে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও মজুরির অনিশ্চয়তা এবং সঞ্চয় হারানোর ত্রিমুখী চাপ থেকে সাধারণ মানুষের দ্রুত মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও মজুরি সংকট এবং সঞ্চয়ের অবক্ষয়—এই তিন ধরনের চাপের মধ্যেই নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের থাকতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে তাদের ওপর চাপ কমার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত নেই।
ড. দেবপ্রিয় বলেন, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ইতিবাচক ইঙ্গিত থাকলেও বাজেটে বড় অঙ্কের থোক বরাদ্দ উদ্বেগের কারণ।
এর ফলে আর্থিক শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে এবং অনেক সময় প্রকৃত অর্থায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, পরিচালন ব্যয় এখনও অত্যন্ত বেশি। ফলে রাজস্ব উদ্বৃত্ত থেকে উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়ন খুবই সীমিত। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে সরকার কোথায় ব্যয় সমন্বয় করবে, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। এছাড়া ভর্তুকি কমানো হলে তার প্রভাব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ওপর পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ভবিষ্যৎ করব্যবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামীতে রাজস্ব আহরণের বড় অংশ ভ্যাট থেকে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা আয়ের স্তর নির্বিশেষে জনগণের ওপর করের চাপ সৃষ্টি করবে। এলপিজি সিলিন্ডার, রেস্তোরাঁয় খাওয়া, নির্মাণসামগ্রী এবং বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মাধ্যমে ভ্যাটের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কিছু সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন ড. দেবপ্রিয়। টিআইএন ও বিআইএন নিবন্ধন সম্প্রসারণ, করব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, কর ফাঁকি রোধে পদক্ষেপ এবং ব্যবসাবান্ধব কিছু কর সংস্কারকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বাজেটে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের সুফল পেতে হলে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

হাম ও এর উপসর্গে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে নিশ্চিত হামে একজন এবং সন্দেহজনক হাম নিয়ে মারা গেছে তিন শিশু।
৩ মিনিট আগে
দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে আটকে দেওয়ার ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাধেকে তলব করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বেলা ৩টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তাঁকে তলব করে তীব্র অসন্তোষ জানানো হয়।
১৩ মিনিট আগে
দিল্লির ইন্দরা গান্ধী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে আটকে দেওয়ার ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সাঘাটায় খাল খনন ও সংস্কার প্রকল্প কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তালিকাভুক্ত শ্রমিক দিয়ে খাল খননের কথা থাকলেও কোনো শ্রমিক ছাড়াই এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ শেষ করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে