বিসিবিতে তামিমের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৪০
জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠিত অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে ওই অ্যাডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনার পাশাপাশি কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনটির ওপর স্থগিতাদেশ (স্টে) ও রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ সাতজন আইনজীবী হাইকোর্টে এই রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬ অক্টোবর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনটি নিয়ে প্রথমে চেম্বার আদালতে রিট হলেও পরে স্থগিতাদেশ পার হয়ে তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

কিন্তু গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একজন বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে পূর্বের নির্বাচনটি ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। এই যুক্তিতে ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮’-এর ২১ ধারা মোতাবেক নির্বাচিত কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১১ সদস্যের একটি নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।

তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠিত এই অ্যাডহক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ফাহিমা সিনহা, রবিউল ইসলাম বাবু, মির্জা সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতাহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।

রিটকারী আইনজীবীদের অভিযোগ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তা স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিমালা বা প্রিন্সিপাল অব ন্যাচারাল জাস্টিসের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এ বিষয়ে আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮-এর যে ধারার কথা বলে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার কারণে কোনো নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সুযোগ নেই।’

অ্যাডহক কমিটি গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আইনে অ্যাডহক কমিটি গঠনের জন্য সুনির্দিষ্ট দুটি কারণ উল্লেখ আছে, যার কোনোটিই এখানে বিদ্যমান নেই। একটি বিধিবদ্ধ সংস্থার নির্বাচিত কমিটিকে এভাবে বেআইনিভাবে ভেঙে দেওয়া সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।’

রিট আবেদনটির শুনানি খুব শিগগির হবে বলে জানান এই আইনজীবী।

সম্পর্কিত