স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মালিকানাধীন ৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা মূল্যের তিনটি গাড়ি ও ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা মূল্যের ১৭ বিঘা বা ৫৮৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ জমি জব্দের (ক্রোক) আদেশ দিয়েছেন আদালত। মানিলন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন তথ্য জানান ।
দুদকের পক্ষে আদালতে আবেদনটি পেশ করেন সংস্থাটির উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার তিনটি গাড়ি এবং বিভিন্ন স্থানে থাকা ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা মূল্যের জমি।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই সম্পদগুলো জব্দ করা জরুরি। অন্যথায় আসামিপক্ষ এসব সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করে ফেলতে পারেন, যা ভবিষ্যতে বিচার শেষে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে এবং রাষ্ট্র আর্থিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলেও আবেদনে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
দুদকের দাখিল করা প্রতিবেদনে আনিসুল হকের আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল সম্পদের চিত্র উঠে এসেছে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত আনিসুল হক ১৪৬ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং তা নিজের দখলে রেখেছেন।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে তাঁর ব্যাংকিং লেনদেনে। আনিসুল হক ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ২৯টি ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। নথিপত্র অনুযায়ী, এই হিসাবগুলোতে মোট ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ ২১ হাজার টাকা ৫৮২ জমা (ডিপোজিট) করা হয়েছে। বিপরীতে উত্তোলন করা হয়েছে ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা।
দুদক আদালতে যুক্তি দেখিয়েছে যে আনিসুল হক পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে এই সম্পদ গড়েছেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পদের অবৈধ উৎস গোপন ও আড়াল করার উদ্দেশ্যেই তিনি ব্যাংকিং চ্যানেলে এই বিপুল অর্থ লেনদেন করেছেন। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের পরিভাষায় যাকে অর্থের রূপান্তর, স্থানান্তর ও হস্তান্তর বা লেয়ারিং বলা হয়।
এদিকে, দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় আনিসুল হকের একান্ত সচিব (পিএস) শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে একই আদালত। এসব হিসাবে ৫০ লাখ ১৪ হাজার ৮১৮ টাকা রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া অপরাধলব্ধ অর্থ তাঁর বা তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলন, হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। এ কারণে তাঁর নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মালিকানাধীন ৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা মূল্যের তিনটি গাড়ি ও ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা মূল্যের ১৭ বিঘা বা ৫৮৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ জমি জব্দের (ক্রোক) আদেশ দিয়েছেন আদালত। মানিলন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন তথ্য জানান ।
দুদকের পক্ষে আদালতে আবেদনটি পেশ করেন সংস্থাটির উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার তিনটি গাড়ি এবং বিভিন্ন স্থানে থাকা ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা মূল্যের জমি।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই সম্পদগুলো জব্দ করা জরুরি। অন্যথায় আসামিপক্ষ এসব সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করে ফেলতে পারেন, যা ভবিষ্যতে বিচার শেষে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে এবং রাষ্ট্র আর্থিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলেও আবেদনে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
দুদকের দাখিল করা প্রতিবেদনে আনিসুল হকের আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল সম্পদের চিত্র উঠে এসেছে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত আনিসুল হক ১৪৬ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং তা নিজের দখলে রেখেছেন।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে তাঁর ব্যাংকিং লেনদেনে। আনিসুল হক ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ২৯টি ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। নথিপত্র অনুযায়ী, এই হিসাবগুলোতে মোট ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ ২১ হাজার টাকা ৫৮২ জমা (ডিপোজিট) করা হয়েছে। বিপরীতে উত্তোলন করা হয়েছে ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা।
দুদক আদালতে যুক্তি দেখিয়েছে যে আনিসুল হক পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে এই সম্পদ গড়েছেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পদের অবৈধ উৎস গোপন ও আড়াল করার উদ্দেশ্যেই তিনি ব্যাংকিং চ্যানেলে এই বিপুল অর্থ লেনদেন করেছেন। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের পরিভাষায় যাকে অর্থের রূপান্তর, স্থানান্তর ও হস্তান্তর বা লেয়ারিং বলা হয়।
এদিকে, দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় আনিসুল হকের একান্ত সচিব (পিএস) শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে একই আদালত। এসব হিসাবে ৫০ লাখ ১৪ হাজার ৮১৮ টাকা রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া অপরাধলব্ধ অর্থ তাঁর বা তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলন, হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। এ কারণে তাঁর নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

রাজধানীর যানজট নিরসনে বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ মিনিট আগে
মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ১ লাখের মতো মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও এখন সেটা আড়াই লাখ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘গেল সরকারের সময় ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
১০ মিনিট আগে
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে লক্ষ্মীপুরে শিক্ষার্থীসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হুমায়ুন কবির পাটোয়ারীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৪৩ মিনিট আগে
রাজশাহীর পবা উপজেলার বিল ধরমপুর এলাকায় একটি ধানক্ষেত থেকে ১১ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে