স্ট্রিম ডেস্ক

ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা রোববার দেশটির কংগ্রেসের কর্মীদের সঙ্গে এক ‘গোপন বৈঠকে’ স্বীকার করেছেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় হামলা চালাতে যাচ্ছে, আগে থেকে এমন কোনো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য তাঁদের কাছে ছিল না। বৈঠকের বিষয়ে অবগত দুটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই হামলায় ইরানের ১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে দেশটির একাধিক যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হয়েছে।
তবে কংগ্রেসে দেওয়া ব্রিফিং প্রশাসনের আগের বক্তব্যের সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক বলে মনে হচ্ছে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স। হামলার আগের দিন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর ‘সম্ভাব্য আগাম হামলা’ চালাতে পারে—এমন ইঙ্গিতের ভিত্তিতেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ নেন।
একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীকে হামলার মুখে ফেলে‘ বসে থাকবেন না।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডিলান জনসনের ভাষ্য অনুযায়ী, পেন্টাগনের কর্মকর্তারা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান স্টাফদের প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ব্রিফ করেন।
ব্রিফিংয়ে প্রশাসন জোর দিয়ে বলে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি। তবে তেহরান সরাসরি আগে থেকে মার্কিন সেনাদের আক্রমণ করতে যাচ্ছিল এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল না বলেই সূত্রগুলো জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি ইরানের জনগণকে সরকার পরিবর্তনের আহ্বানও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা এই সংঘাতকে ‘ইচ্ছাকৃত যুদ্ধ’আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, শান্তি আলোচনার পথ এখনও খোলা ছিল, মধ্যস্থতাকারী ওমানও এমন ইঙ্গিত দিয়েছিল।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করত। তবে এ দাবি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সমর্থিত নয় এবং কিছু সূত্রের মতে তা অতিরঞ্জিত।
রোববার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে নিজেদের হতাহতের তথ্য প্রকাশ করে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তিনজন মার্কিন সেনা নিহত এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আরও কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন।
এদিকে, ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া অভিযানে মার্কিন বিমান ও যুদ্ধজাহাজ ১ হাজারের বেশি ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান থেকে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতেও আঘাত হানা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা নিয়ে ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা রোববার দেশটির কংগ্রেসের কর্মীদের সঙ্গে এক ‘গোপন বৈঠকে’ স্বীকার করেছেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় হামলা চালাতে যাচ্ছে, আগে থেকে এমন কোনো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য তাঁদের কাছে ছিল না। বৈঠকের বিষয়ে অবগত দুটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই হামলায় ইরানের ১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে দেশটির একাধিক যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হয়েছে।
তবে কংগ্রেসে দেওয়া ব্রিফিং প্রশাসনের আগের বক্তব্যের সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক বলে মনে হচ্ছে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স। হামলার আগের দিন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর ‘সম্ভাব্য আগাম হামলা’ চালাতে পারে—এমন ইঙ্গিতের ভিত্তিতেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ নেন।
একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীকে হামলার মুখে ফেলে‘ বসে থাকবেন না।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডিলান জনসনের ভাষ্য অনুযায়ী, পেন্টাগনের কর্মকর্তারা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান স্টাফদের প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ব্রিফ করেন।
ব্রিফিংয়ে প্রশাসন জোর দিয়ে বলে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি। তবে তেহরান সরাসরি আগে থেকে মার্কিন সেনাদের আক্রমণ করতে যাচ্ছিল এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল না বলেই সূত্রগুলো জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি ইরানের জনগণকে সরকার পরিবর্তনের আহ্বানও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা এই সংঘাতকে ‘ইচ্ছাকৃত যুদ্ধ’আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, শান্তি আলোচনার পথ এখনও খোলা ছিল, মধ্যস্থতাকারী ওমানও এমন ইঙ্গিত দিয়েছিল।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করত। তবে এ দাবি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সমর্থিত নয় এবং কিছু সূত্রের মতে তা অতিরঞ্জিত।
রোববার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে নিজেদের হতাহতের তথ্য প্রকাশ করে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, তিনজন মার্কিন সেনা নিহত এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আরও কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন।
এদিকে, ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া অভিযানে মার্কিন বিমান ও যুদ্ধজাহাজ ১ হাজারের বেশি ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান থেকে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতেও আঘাত হানা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা নিয়ে ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে যুক্ত হচ্ছে জার্মানি। দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক সূত্র এমন আভাস দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তবে ইরান এ দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান কোনো সমঝোতা করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী লারিজানি।
৩ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ ওঠে, সৌদি আরব নেপথ্যে থেকে এই সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং কার্যত এতে ‘ইন্ধন’ জুগিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের ধর্মীয় শাসকদের উৎখাতের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে বড় অভিযান চালায়। যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘এপিক ফিউরি’, আর ইসরায়েল ‘লায়নস রোর’।
৬ ঘণ্টা আগে