স্ট্রিম প্রতিবেদক

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামবিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন এই আদেশ।
পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামবিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্রকে রোববার (১২ জুলাই) রাতে নিজের এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এরপর সিআইডির পক্ষ থেকে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কবীর হোসেন জানান, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হরিদাস চন্দ্রকে সোমবার বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কে এম রাকিবুল হুদা।
রাষ্টপক্ষে কবীর হোসেন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। হরিদাস চন্দ্রের পক্ষে তাঁর আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চান। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত হরিদাসকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
এর আগে বিকেল ৪টায় ডিবির একটি সাদা গাড়িতে হরিদাসকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁকে হাজতখানা থেকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় আদালতের এজলাস কক্ষে ওঠানো হয়। এ সময় তাঁর হাতে হাতকড়া, গায়ে লাল টি-শার্ট, পরনে লুঙ্গি, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরানো ছিল। বিকেল ৪টা ২৪ মিনিটে আদালতের কাঠগড়ায় উঠিয়ে পুলিশ তাঁর হাতকড়া ও হেলমেট খুলে দেয়।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাঁর নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের উৎস, অর্থ জমাদাতাদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে তাঁর জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় আদালতকে বলেন, এগুলো ধর্মীয় সংঘাত সৃষ্টি করার পরিকল্পনা ও ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়ার কার্যক্রম। তার ফলে এমন ভুয়া মামলায় তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ নেই। আসামির একটাই অপরাধ, তিনি সুন্দর একটি মন্দির করেছেন। হাজার হাজার মানুষ সেখানে প্রার্থনা করতে যান। এ ছাড়া তাঁর আর কোনো অপরাধ নেই। কিন্তু প্রার্থনার জন্য বড় মন্দির বানানো কি অপরাধ?
এ সময় আসামিপক্ষের এই বক্তব্যকে মিথ্যা ও মনগড়া বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কবির হোসেন। আদালতকে তিনি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা পাচারের প্রমাণসাপেক্ষেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য তাঁকে রিমান্ড নেওয়া প্রয়োজন।
এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা হরিদাস আদালতের অনুমতি নিয়ে বলেন, ‘আগে আমি কৃষিকাজ করতাম, বর্তমানে মন্দির পরিচালনা করেন।’ আদালতের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘কোনো ভক্ত যদি আমাকে টাকা দেয় ভগবানের সন্তুষ্টিতে খরচ করতে, তাহলে সেটি কি আমার দোষ? মন্দির বানানো কি আমার পাপ?’
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে হরিদাস বলেন, ‘আমি কোনো অর্থ পাচার করিনি।’
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ধর্মের লেবাসে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন এই আসামি। তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে। কোথা থেকে এত টাকা এল? বাইরের কোনো সংস্থা বা কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
গ্রেপ্তারের নিন্দা, মুক্তি দাবি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের
হরিদাসকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একইসঙ্গে সংগঠনটি তাঁর মুক্তির দাবি করেছে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, উগ্র সাম্প্রদায়িক মহল মূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতদিয়েছে, দেশজুড়ে অহেতুক ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়েছে। এসব লোকেদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে সাম্প্রদায়িক হুমকির শিকার হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য। এটি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের নির্লজ্জতম পরিপন্থী। ঐক্য পরিষদ অবিলম্বে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের মুক্তির দাবি জানাচ্ছে।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি
হরিদাস চন্দ্র তরনীকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে ‘সচেতন নাগরিক ফোরাম’– এর ব্যানারে। সোমবার বিকেলে শহরের বড় মসজিদ সংলগ্ন অফিসে সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনটির আহ্বায়ক মাহমুদুল কাসেমী।

তিনি বলেন, পলাশবাড়ীতে কথিত রামমূর্তি নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছি। আমাদের দাবিগুলোর একটি ছিল ধর্মকে পুঁজি করে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনে জড়িত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরণীকে গ্রেপ্তার করা। সিআইডি তাঁকে গ্রেপ্তার করাই ধন্যবাদ। কিন্তু এখনো হরিদাসের ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। এই ষড়যন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলতে সরকারের কাছে তিন দফা দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
এগুলো হলো, ধর্মের আড়ালে এবং উসকানিমূলক উদ্দেশ্য মন্দিরের বাইরে রামমূর্তিসহ খোলা আকাশের নিচে স্থাপিত সব মূর্তি অপসারণ, হরিদাসের ব্যাংক হিসাবের কোটি কোটি টাকার তদন্ত এবং হরিদাস ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ফোরামের সদস্যসচিব প্রভাষক আব্দুল মাজেদ, হাফেজ আবুল বাসার, সহকারী অধ্যাপক জহুরুল হক সরকার, ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামবিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন এই আদেশ।
পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামবিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্রকে রোববার (১২ জুলাই) রাতে নিজের এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এরপর সিআইডির পক্ষ থেকে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কবীর হোসেন জানান, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হরিদাস চন্দ্রকে সোমবার বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কে এম রাকিবুল হুদা।
রাষ্টপক্ষে কবীর হোসেন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। হরিদাস চন্দ্রের পক্ষে তাঁর আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চান। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত হরিদাসকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
এর আগে বিকেল ৪টায় ডিবির একটি সাদা গাড়িতে হরিদাসকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁকে হাজতখানা থেকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় আদালতের এজলাস কক্ষে ওঠানো হয়। এ সময় তাঁর হাতে হাতকড়া, গায়ে লাল টি-শার্ট, পরনে লুঙ্গি, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরানো ছিল। বিকেল ৪টা ২৪ মিনিটে আদালতের কাঠগড়ায় উঠিয়ে পুলিশ তাঁর হাতকড়া ও হেলমেট খুলে দেয়।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাঁর নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের উৎস, অর্থ জমাদাতাদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে তাঁর জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় আদালতকে বলেন, এগুলো ধর্মীয় সংঘাত সৃষ্টি করার পরিকল্পনা ও ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়ার কার্যক্রম। তার ফলে এমন ভুয়া মামলায় তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ নেই। আসামির একটাই অপরাধ, তিনি সুন্দর একটি মন্দির করেছেন। হাজার হাজার মানুষ সেখানে প্রার্থনা করতে যান। এ ছাড়া তাঁর আর কোনো অপরাধ নেই। কিন্তু প্রার্থনার জন্য বড় মন্দির বানানো কি অপরাধ?
এ সময় আসামিপক্ষের এই বক্তব্যকে মিথ্যা ও মনগড়া বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কবির হোসেন। আদালতকে তিনি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা পাচারের প্রমাণসাপেক্ষেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য তাঁকে রিমান্ড নেওয়া প্রয়োজন।
এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা হরিদাস আদালতের অনুমতি নিয়ে বলেন, ‘আগে আমি কৃষিকাজ করতাম, বর্তমানে মন্দির পরিচালনা করেন।’ আদালতের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘কোনো ভক্ত যদি আমাকে টাকা দেয় ভগবানের সন্তুষ্টিতে খরচ করতে, তাহলে সেটি কি আমার দোষ? মন্দির বানানো কি আমার পাপ?’
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে হরিদাস বলেন, ‘আমি কোনো অর্থ পাচার করিনি।’
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ধর্মের লেবাসে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন এই আসামি। তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে। কোথা থেকে এত টাকা এল? বাইরের কোনো সংস্থা বা কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
গ্রেপ্তারের নিন্দা, মুক্তি দাবি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের
হরিদাসকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একইসঙ্গে সংগঠনটি তাঁর মুক্তির দাবি করেছে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, উগ্র সাম্প্রদায়িক মহল মূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতদিয়েছে, দেশজুড়ে অহেতুক ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়েছে। এসব লোকেদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে সাম্প্রদায়িক হুমকির শিকার হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য। এটি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের নির্লজ্জতম পরিপন্থী। ঐক্য পরিষদ অবিলম্বে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের মুক্তির দাবি জানাচ্ছে।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি
হরিদাস চন্দ্র তরনীকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে ‘সচেতন নাগরিক ফোরাম’– এর ব্যানারে। সোমবার বিকেলে শহরের বড় মসজিদ সংলগ্ন অফিসে সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনটির আহ্বায়ক মাহমুদুল কাসেমী।

তিনি বলেন, পলাশবাড়ীতে কথিত রামমূর্তি নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছি। আমাদের দাবিগুলোর একটি ছিল ধর্মকে পুঁজি করে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনে জড়িত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরণীকে গ্রেপ্তার করা। সিআইডি তাঁকে গ্রেপ্তার করাই ধন্যবাদ। কিন্তু এখনো হরিদাসের ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। এই ষড়যন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলতে সরকারের কাছে তিন দফা দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
এগুলো হলো, ধর্মের আড়ালে এবং উসকানিমূলক উদ্দেশ্য মন্দিরের বাইরে রামমূর্তিসহ খোলা আকাশের নিচে স্থাপিত সব মূর্তি অপসারণ, হরিদাসের ব্যাংক হিসাবের কোটি কোটি টাকার তদন্ত এবং হরিদাস ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ফোরামের সদস্যসচিব প্রভাষক আব্দুল মাজেদ, হাফেজ আবুল বাসার, সহকারী অধ্যাপক জহুরুল হক সরকার, ইদ্রিস আলী প্রমুখ।
.png)

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-টিআইএন ব্যবস্থা সচল রাখতে ও কারিগরি বিপর্যয় এড়াতে সেবা প্রদানকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের চুক্তি আরও ৩০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্যকে নিয়ে ফেসবুকে ‘মানহানিকর’ পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে তলব করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাকে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং উচ্চ বেতনের সুযোগ তৈরিতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আরবি ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছেন সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪ ঘণ্টা আগে
এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন নিশ্চিতে ৫ দফা প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সোমবার (১৩ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) হাই-লেভেল সেগমেন্টের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে এসব প্রস্তাব দেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে