স্ট্রিম প্রতিবেদক

গত মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা। প্রতি মাসের মতো এই মাসে সিলিন্ডারের দাম আগামীকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) পুনর্নির্ধারণ করার কথা রয়েছে। তার আগে সিলিন্ডারের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরেই সরকার দাম নির্ধারণ করলেও, সেই দামে এলপিজি পাওয়া যায় না। তবে এবার অতিরিক্ত দামের আগের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।
ভোক্তারা বলছেন, নতুন দাম নির্ধারণের আগে সিলিন্ডার ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যটির দাম এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। এমনকি নতুন বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। ১ জানুয়ারি কোথাও কোথাও ১৮০০ টাকা করে পাওয়া গেলেও ২ জানুয়ারি আড়াই হাজার টাকা দিয়েও মেলেনি গ্যাসের সিলিন্ডার।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদ উদ্যান এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চায়ের দোকানী স্ট্রিমকে জানান, তিনি ৩১ ডিসেম্বর ১৮০০ টাকায় ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছেন। কিন্তু ১ জানুয়ারি তার কাছে দাম চেয়েছে ২২০০ টাকা। তবে এদিন ভোক্তা অধিকারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলে। একারণে দোকানগুলোতে আর গ্যাস নেই বলে জানানো হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘সব দোকানেরই গ্যাস আছে। অভিযানের খবরে এগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি সামনে কয়েকটা খালি বোতল রেখে ভেতরে গ্যাস ভর্তি বোতল রাখা হয়েছে। এমন প্রমাণ পেয়ে চাঁদ উদ্যানে ‘শিকদার গ্যাস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালাও করা হয়েছে।’
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকায় কথা হচ্ছিল এক হোটেল ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি জানান, ২৪০০ টাকা দিয়ে একটি সিলিন্ডার বোতল এনেছেন মিরপুর থেকে। রিকশা ভাড়া পড়েছে ৩০০ টাকা। সবমিলিয়ে তার দাম পড়ল ২৭০০ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এলপিজির দাম।
গৃহস্থালিতে রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার। বাজারে সিলিন্ডার এলপিজি পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ায় এবং অস্বাভাবিক বাড়তি দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভূক্তভোগীরা।
গত ১ জানুয়ারি এক সিলিন্ডার দোকানে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ১২ কেজির এক সিলিন্ডার এলপিজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। আরেক দোকানে দেখা যায়, ২ হাজার ২০০ টাকা। গত ২ ডিসেম্বর সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আগামীকাল (৪ জানুয়ারি) বিইআরসি এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করবে।
ঢাকার কয়েকটি খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই সামান্য। পাইকারি পর্যায়ে বাড়তি দামে পণ্যটি কিনতে হচ্ছে। ফলে সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় এখন সিলিন্ডার গ্যাসের উচ্চমূল্য ও সংকটের একই চিত্র। রান্নাবান্নাসহ প্রতিদিনের জরুরি প্রয়োজনে এই গ্যাসের বিকল্প না থাকায়, বাধ্য হয়ে পরিবারগুলোকে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০-৬০০ টাকা বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। মূলত যাদের বাড়িতে পাইপলাইনে গ্যাসের সংযোগ নেই, তারাই এলপিজির প্রধান গ্রাহক।
প্রসঙ্গত, প্রতি মাসে গড়ে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়। ডিসেম্বরে আমদানি করা হয়েছে ৯০ হাজার টন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শীতের সময় বিশ্ববাজারে এলপিজির চাহিদা বেড়ে যায়। এতে দামও কিছুটা বাড়তি থাকে। এর সঙ্গে এবার নিয়মিত এলপিজি পরিবহনের ২৯টি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছে। ফলে জাহাজসংকটের কারণে গত মাসে এলপিজি আমদানি কমে গেছে।
সরবরাহের সংকটেই মূলত বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশের (লোয়াব) ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন রশীদ। তিনি আরো বলেন, ডিসেম্বরে এলপিজি আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবু তাঁরা পরিবেশকদের কাছে বিইআরসি নির্ধারিত দামেই এলপিজি সরবরাহ করছেন।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ গণমাধ্যমে বলেছেন, বাড়তি দামের বিষয়টি নজরে আসায় লোয়াবকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আমদানিকারকদের আমদানি খরচ বাড়লে তারা তা কমিশনে জমা দেবে। বাড়তি খরচের বিষয়টি নিশ্চিত হলে কমিশন নতুন মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তা বিবেচনায় নেবে। এর আগে বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নেই।

গত মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা। প্রতি মাসের মতো এই মাসে সিলিন্ডারের দাম আগামীকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) পুনর্নির্ধারণ করার কথা রয়েছে। তার আগে সিলিন্ডারের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরেই সরকার দাম নির্ধারণ করলেও, সেই দামে এলপিজি পাওয়া যায় না। তবে এবার অতিরিক্ত দামের আগের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।
ভোক্তারা বলছেন, নতুন দাম নির্ধারণের আগে সিলিন্ডার ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যটির দাম এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। এমনকি নতুন বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। ১ জানুয়ারি কোথাও কোথাও ১৮০০ টাকা করে পাওয়া গেলেও ২ জানুয়ারি আড়াই হাজার টাকা দিয়েও মেলেনি গ্যাসের সিলিন্ডার।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদ উদ্যান এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চায়ের দোকানী স্ট্রিমকে জানান, তিনি ৩১ ডিসেম্বর ১৮০০ টাকায় ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছেন। কিন্তু ১ জানুয়ারি তার কাছে দাম চেয়েছে ২২০০ টাকা। তবে এদিন ভোক্তা অধিকারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলে। একারণে দোকানগুলোতে আর গ্যাস নেই বলে জানানো হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘সব দোকানেরই গ্যাস আছে। অভিযানের খবরে এগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি সামনে কয়েকটা খালি বোতল রেখে ভেতরে গ্যাস ভর্তি বোতল রাখা হয়েছে। এমন প্রমাণ পেয়ে চাঁদ উদ্যানে ‘শিকদার গ্যাস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালাও করা হয়েছে।’
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকায় কথা হচ্ছিল এক হোটেল ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি জানান, ২৪০০ টাকা দিয়ে একটি সিলিন্ডার বোতল এনেছেন মিরপুর থেকে। রিকশা ভাড়া পড়েছে ৩০০ টাকা। সবমিলিয়ে তার দাম পড়ল ২৭০০ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এলপিজির দাম।
গৃহস্থালিতে রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার। বাজারে সিলিন্ডার এলপিজি পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ায় এবং অস্বাভাবিক বাড়তি দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভূক্তভোগীরা।
গত ১ জানুয়ারি এক সিলিন্ডার দোকানে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ১২ কেজির এক সিলিন্ডার এলপিজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। আরেক দোকানে দেখা যায়, ২ হাজার ২০০ টাকা। গত ২ ডিসেম্বর সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আগামীকাল (৪ জানুয়ারি) বিইআরসি এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করবে।
ঢাকার কয়েকটি খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই সামান্য। পাইকারি পর্যায়ে বাড়তি দামে পণ্যটি কিনতে হচ্ছে। ফলে সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় এখন সিলিন্ডার গ্যাসের উচ্চমূল্য ও সংকটের একই চিত্র। রান্নাবান্নাসহ প্রতিদিনের জরুরি প্রয়োজনে এই গ্যাসের বিকল্প না থাকায়, বাধ্য হয়ে পরিবারগুলোকে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০-৬০০ টাকা বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। মূলত যাদের বাড়িতে পাইপলাইনে গ্যাসের সংযোগ নেই, তারাই এলপিজির প্রধান গ্রাহক।
প্রসঙ্গত, প্রতি মাসে গড়ে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়। ডিসেম্বরে আমদানি করা হয়েছে ৯০ হাজার টন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শীতের সময় বিশ্ববাজারে এলপিজির চাহিদা বেড়ে যায়। এতে দামও কিছুটা বাড়তি থাকে। এর সঙ্গে এবার নিয়মিত এলপিজি পরিবহনের ২৯টি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়েছে। ফলে জাহাজসংকটের কারণে গত মাসে এলপিজি আমদানি কমে গেছে।
সরবরাহের সংকটেই মূলত বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশের (লোয়াব) ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন রশীদ। তিনি আরো বলেন, ডিসেম্বরে এলপিজি আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবু তাঁরা পরিবেশকদের কাছে বিইআরসি নির্ধারিত দামেই এলপিজি সরবরাহ করছেন।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ গণমাধ্যমে বলেছেন, বাড়তি দামের বিষয়টি নজরে আসায় লোয়াবকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আমদানিকারকদের আমদানি খরচ বাড়লে তারা তা কমিশনে জমা দেবে। বাড়তি খরচের বিষয়টি নিশ্চিত হলে কমিশন নতুন মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তা বিবেচনায় নেবে। এর আগে বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নেই।

আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কাছে নতি স্বীকার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০টি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই শেষে ১৬০ জনকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এসব আসনে বাতিল হয়েছে ৭৪ জনের মনোনয়নপত্র। এছাড়া দুটি মনোনয়নপত্রের ঘোষণা স্থগিত এবং একটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। গত ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় এ তথ্য দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে কবি জিয়া হকের লেখা বিপ্লবী কবিতা ও গান সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে শত মিলিয়ন ভিউ অর্জন করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে